সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস সরকারের ঘোষণায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি। এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ এ সিদ্ধান্তকে ‘গণবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিস্ট সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যায়িত করে বলেছে, এটি দেশের ইতিহাসে একটি কালো দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বিবৃতিতে বলা হয়, যে দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, সেই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে নির্বাসনে পাঠানো এবং স্বাধীনতাবিরোধী ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর উত্থানকে উৎসাহ দেওয়া। দলটি দাবি করে, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে ইউনূস সরকার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও ইতিহাসকে অস্বীকার করে একটি অপশক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় রাষ্ট্র…
‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগকে’ রাজনীতিতে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে বলে সম্প্রতি দাবি করেছেন অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। এবার এ বিষয়ে মুখ খুললেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। তিনি এক সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সেক্রেটারি ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা সভাপতি পদ পান। বর্তমানে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকের বিশেষ সাক্ষাৎকারে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ হবে বলে আমি মনে…
কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘এখন একটা বৈরী হাওয়া বইছে। যে দল বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছে, সেই হুজুর মাওলানা ভাসানীর দল, বঙ্গবন্ধুর দল, আওয়ামী লীগ কচু পাতার পানি না। সেটা সিদ্ধ হবে না নিষিদ্ধ হবে- রায় দেওয়ার মালিক হচ্ছে জনগণ।’ রবিবার (১১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ছাতীহাটি গ্রামে এলাকার মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করলেই নিষিদ্ধ হয়ে যায় না। জনগণ যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, অনুমোদন দিলেও সে দল দাঁড়াতে পারে না। কিন্তু কোনও পরিষদ সিদ্ধান্ত নিলেই সেটা কার্যকর হবে বা সেটাই শুদ্ধ,…
।। আমিনুল হক।। ডঃ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার আওয়মীলীগ এবং এর সকল সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। কথিত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের অংশীদার নবগঠিত কিংস পার্টি জাতীয় নাগরিক কমিটি, বাংলাদেশের অস্তিত্যে বিশ্বাস না করা যুদ্ধাপরাধী দল জামাতে ইসলাম এবং মৌলবাদী জঙ্গীগোষ্ঠীর সাজানো দাবির প্রেক্ষিতে ডঃ ইউনুসের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসকল গোষ্ঠীর প্ররোচনায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো নিশ্চিতভাবেই তারা দেশের ১ শতাংশ জনগণেরও প্রতিনিধিত্ব করে না। আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যে সমাবেশ আহ্বান করা হয়েছিল তাতে সাধারণ কোন মানুষের উপস্থিতি ছিলো না। একটা সাজানো আন্দোলনের মাধ্যমে এই দেশের জন্ম দেয়া দলটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা কতটুকু আত্মঘাতী সেটা বুঝতে এদের বেশি…
ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় জারি করা এই নিষেধাজ্ঞাকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর শঙ্কা তৈরি করেছে। আওয়ামী লীগ এই পদক্ষেপকে “অবৈধ” ও “অসাংবিধানিক” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এই নিষেধাজ্ঞাকে বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ এই সিদ্ধান্তকে “বিভেদ সৃষ্টিকারী” এবং “গণতান্ত্রিক নীতির উপর আঘাত” বলে অভিহিত করেছে, যা সমাজে বিভক্তি বাড়াচ্ছে এবং…
অবৈধ ও অসাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূস সরকারের ঘোষণায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি। এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ এ সিদ্ধান্তকে ‘গণবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিস্ট সিদ্ধান্ত’ বলে আখ্যায়িত করে বলেছে, এটি দেশের ইতিহাসে একটি কালো দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বিবৃতিতে বলা হয়, যে দলটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, সেই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে নির্বাসনে পাঠানো এবং স্বাধীনতাবিরোধী ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর উত্থানকে উৎসাহ দেওয়া। দলটি দাবি করে, এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে ইউনূস সরকার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও ইতিহাসকে অস্বীকার করে একটি অপশক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় রাষ্ট্র…
বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে পাকিস্তানপন্থা ত্যাগ করতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নে কোনো আপস চলে না। যুদ্ধাপরাধের সহযোগীদের ক্ষমা চাইতেই হবে। শনিবার (১০ মে) মধ্যরাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। মাহফুজ আলম বলেন, ‘পাকিস্তান এই দেশে গণহত্যা চালিয়েছে। যদিও পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়েছে এবং আবারও ক্ষমা চাইতে রাজি—তবুও যেসব রাজনৈতিক শক্তি এই গণহত্যার সহযোগী ছিল, তারা এখনও ক্ষমা চায়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে পাকিস্তানপন্থা বাদ দিতে হবে। ইনিয়ে-বিনিয়ে গণহত্যার পক্ষে বয়ান উৎপাদন বন্ধ করতে হবে।…
রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। শনিবার (১০ মে) রাতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এই গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটে বলা হয়েছে, সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (দ্বিতীয় সংশোধনী) অর্ডিন্যান্স, ২০২৫ প্রণয়ন ও জারি করেছেন। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, সংগঠন অর্থাৎ কোনো রাজনৈতিক দল, অথবা সেই দলের অধীনস্থ, সংশ্লিষ্ট বা সহযোগী কোনো সত্তা, অথবা এমন কোনো ব্যক্তি-গোষ্ঠীকে বোঝায় যা ট্রাইব্যুনালের অভিমত অনুযায়ী, ওই দল বা সত্তার কার্যকলাপ প্রচার, সমর্থন, অনুমোদন, সহায়তা বা সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জড়িত থাকে;…
।।অ্যাডভোকেট শাহানূর ইসলাম সৈকত।। বাংলাদেশ আজ একটি গভীর রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত এনসিপি’র ডাকা ব্লকেড কর্মসূচি নতুন করে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই কর্মসূচিতে যেভাবে স্বাধীনতাবিরোধী এবং উগ্র ইসলামী মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো প্রকাশ্যে অংশগ্রহণ করেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে—এটি কোনো বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত ও সংঘবদ্ধ অপতৎপরতার ফল। এই কর্মসূচির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, এটি কেবল জামাতে ইসলামীর মতো ঐতিহাসিকভাবে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক সক্রিয়তা নয়, বরং এতে জড়িত রয়েছে ইসলামি ছাত্র শিবির, হেফাজতে ইসলাম, হিযবুত তাহরীর, আনসারউল্লাহ বাংলা টিম এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে পরিচিত লস্কর-ই-তৈয়বার বাংলাদেশ শাখাও। এরা একত্রে…
পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক দরপতনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, কমিশনের অদক্ষতার কারণে বাজারে ব্যাপক পতন ঘটেছে, যেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী তাদের পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। এ অবস্থায় বর্তমান কমিশনের অপসারণ দাবি করেছেন তাঁরা। গতকাল রাজধানীর পল্টনে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের (সিএমজেএফ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমআইএ) নেতারা এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিসিএমআইএর সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী মোহাম্মদ নজরুল, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মানিক। বিসিএমআইএ সভাপতি বলেন, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে…