সার্জিস-হাসনাত সহ অনুপ্রবেশকারীদের মানুষ চিনে ফেলেছে। একসময় এরাই ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার সাধারণ ছাত্রদের সাথে দুর্ব্যবহার করতো। এর পেছনে একটা দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য ছিলো যা, সাধারণ ছাত্রদের বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মুখোমুখি অবস্থানে দাড় করানো। ইউনূসের মেটিকুলাস ডিজাইনে করা জুলাই দাঙ্গায় সারাদেশব্যাপী জনগণ তার প্রমাণ পেয়ে যায়। সরকার পতনের পর হঠাৎই শিবির, ছাত্রদলে অনুপ্রবেশকারীরা ফেরত চলে যায়। এমনকি, ইউনূসের গঠিত কিংস পার্টিতেও অনেকে প্রবেশ করে এখন নেতা বনে গেছে। দেশের মানুষ এদের জুলাই জঙ্গীর পরিচয়েই চেনে। একসময় যারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার স্লোগানে মুখে ফেনা তুলতো আজ তারাই শিবির, ছাত্রদলে কিংবা এনসিপিতে ঢুকে মুনাফেকি করছে।
৫ আগস্টের পর সেই জুলাই জঙ্গীরা এক প্রকার সর্বেসর্বা; ট্রাফিকিং এর নামে গরিব-অসহায় রিকশাওয়ালাদের সাথে দুর্ব্যবহার, হেনস্তা কিংবা রিকশার ক্ষতি করা এসব ছিলো ওদের নিয়মতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড। এই সব অত্যাচারে গরিব-দুঃখী মানুষগুলোর জীবন যখন একেবারে নাজেহাল। তখনই কর আদায় নিয়ে ইউনূস সরকারের ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু হায়, জনমানু্ষ দেখলো ফ্যাসিস্ট ইউনূস কতটা নির্লজ্জ। এক ধাক্কায় নিজের মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মাফ করিয়ে নিলো এই দুর্নীতিবাজ। মানুষের মধ্যে তৈরি হলো সমালোচনার ঝড়, ‘অন্যের কাছে কর আদায় করতে পারলে নিজে কেন দিবি না?’ কিন্তু এতেও ইউনূসের মোটা চামড়ায় লজ্জার ছিটেফোটাও নেই, গ্রামীণ ব্যাংকের ২০২৯ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি করণ, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন, সহ বিভিন্ন রকম লাইসেন্স ও অনুমোদন নিয়েছে এই ফ্যাসিস্ট।
