টাকা-কড়ির লোভে অভিজ্ঞ, জ্ঞানী একজন সাংবাদিক কতোটা নিচে নামতে পারেন, দেশে এ মূহুর্তে এর শ্রেষ্ঠতম উদাহরণ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ। তাঁকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সরকারের ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমনের’ সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। তিনি সাংবাদিকতাজনিত কারণে গ্রেপ্তার হননি, গ্রেপ্তার হয়েছেন ভয়ংকর প্রতারণার অভিযোগে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওয়ামী লীগের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আরেক ফটকাবাজ এনায়েত করিম চৌধুরীর সঙ্গে মিলে শওকত মাহমুদের প্রতারণা বেশ পুরনো ধান্ধা।
তাঁর প্রতারণার ‘ফাঁদে’ পা না দিতে বিএনপির শীর্ষ কয়েক নেতাকে ২০২১ সালেই মৌখিকভাবে সতর্ক করে দলটি। শওকত মাহমুদ ও ফটকাবাজ এনায়েতের সঙ্গে বিদেশে বৈঠক করায় বিএনপির পক্ষে শোকজও করা হয় ওই বছর, দুই নেতাকে। এ বিষয়ে ২০২১ সালের ২১ মার্চ দৈনিক প্রথম আলোতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় সম্প্রতি। সেই মামলায় শওকত মাহমুদ গ্রেপ্তার। একই অভিযোগে তিনিসহ মোট দুজন সাংবাদিক এই পর্যন্ত গ্রেপ্তার হলেন, আরো কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপিপন্থী সাংবাদিক শওকত মাহমুদের সঙ্গে সখ্য গড়ে এনায়েত প্রতারণা চালিয়ে গেছেন। এখন তাঁরা খদ্দের থেকে টাকা সংগ্রহ করছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করতে। এগুলো কী কোনো সাংবাদিকের কাজ?
