সুলতান মোহাম্মদ ইউসুফ
আজ তোফায়েল আহমেদ ভাইয়ের জানাজা পরবর্তী মিছিল থেকে একটা বিষয় ক্লিয়ার হলাম অন্তত কেউ একজন সামনে থাকলে সকল ধরনের বুলেট ফেস করার মতো ক্যালিবার, স্ট্যামিনা আমাদের বহুগুণ বেড়ে যায়।
সামনে চাবের হোসেন চৌধুরী আর লতিফ সিদ্দিকী। চারপাশের আওয়ামীলীগের কর্মীদের শোক যেন শক্তিতে পরিনত হয়েছে। মুষ্টিবদ্ধ হাত, কন্ঠে দৃপ্ত স্লোগান, চোখে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ আর বুকে অসীম সাহস। অবৈধ সরকারের ভীত নাড়িয়ে দিতে এর থেকে বেশি কিইবা আর প্রয়োজন?
আমরা মিছিল করেছি দীর্ঘ সময়। মিছিল করতে করতে সামনে এগিয়েছি আবার ঘুরে মসজিদের কাছে এসেছি। সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে স্লোগান দিয়েছি। কোন ভয়ের লেশ মাত্র দেখি নাই কারো চোখে-মুখে। চাবের হোছেন চৌধুরী ভাইকে যদি সেখান থেকে সরিয়ে না দেওয়া হতো তাহলে আমাদের একজনকেও সেখান থেকে গ্রেফতার করার হিম্মত এই সরকারের পুলিশ বাহিনীর ছিল না।
সাবের হোসেন চৌধুরী ভাই চলে যাওয়ার পর আমরা একে একে আলাদা হতে থাকি। তখনই নেতা কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ আর গ্রেফতার কার্জক্রম শুরু হয়। আমাদের কেউ একজন রানী মাছির মতো নেতা সাথে থাকলে আমরা মৌমাছির চাকের মতই দৃঢ়। কেউ ঢিল দেওয়ার সাহস করতে পারতো না।
বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক নেতাদের মনে রাখতে হবে, কর্মীদের রাজনৈতিক পিপাসা একজন বীর নেতা।।
একজন নেতা দাঁড়ালে গুড়িয়ে দিতে পারে অনেক কিছু।
হয়তো এমন একটি সময় আসতেছে !!
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এক ঘন্টার ভিতর গুড়ে দাঁড়িয়ে মাথা উঁচু করে বলবে আমরা ঐক্যবদ্ধ বাংগালী।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
লেখক: সোস্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট।
