দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে ভিয়েতনামের পেছনে পড়ে গেল বাংলাদেশ, অথচ ক্ষমতায় বসে থাকা বিএনপি-জামায়াতের কারো কপালে নেই একরত্তি চিন্তার ভাঁজ।
ফারুক হাসান নিজেই স্বীকার করলেন, আর্থিক সংকট, নীতিগত অনিশ্চয়তা আর প্রশাসনিক জটিলতায় ধুঁকছে পোশাকশিল্প। শওকত আজিজ রাসেল বলছেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। ফজলে শামীম এহসান বলছেন, এখন ভয়াবহ সময় পার করছে খাতটা। ব্যবসায়ীরা একবাক্যে যা বলছেন, সরকার যেন শুনতেই পাচ্ছে না।
শুল্ক বিভাগের ঘুষবাণিজ্যের গল্পটাও নতুন কিছু না। মোয়াজ্জেম হোসেন মতি বললেন, বছরে মাত্র ৫০ টন কাঁচামাল আমদানি করা ছোট ব্যবসায়ীকেও গুনতে হয় ২০ লাখ টাকা ঘুষ, না হলে ফাইল নড়ে না। ছবিটা চেনা চেনা লাগছে না? ২০০১-০৬ সালেও ঠিক এই সুরেই কথা বলতেন ব্যবসায়ীরা, তখনও শুল্ক অফিস ছিল আতঙ্কের নাম, তখনও নীতির নামে চলত খেয়ালখুশির শাসন।
কুড়ি বছর পর আবার ক্ষমতায় বিএনপি, সংসদে পাশে জামায়াত। অথচ শেখানো গল্পটা এক বিন্দুও বদলায়নি। রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত যখন প্রতিযোগিতা হারিয়ে হুমড়ি খাচ্ছে, নীতিনির্ধারকদের অগ্রাধিকার তালিকায় অর্থনীতি আসলে কোথায় আছে, সেই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে জরুরি। ( আওয়ামীলীগ পেইজ থেকে )
