বাংলাদেশ সৌদির নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিয়েছে। এই খবর বাংলাদেশ সরকার দেয়নি। দিয়েছে সৌদি সরকার।
আন্তর্জাতিক নৌ রুটের নিরাপত্তা দিতে গঠিত এই জোটে যোগ দেয়া ১৪ দেশ হলো-
বাংলাদেশ, সৌদি আরব, তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিসর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস।
জোটে অংশ নেয়ার কারণে বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট পরিমাণ যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধ বিমান দিয়ে সহয়তা করতে হবে।
বাংলাদেশ আগে কখনো এমন জোটে যোগ দেয়নি। এখন কেন দিলো?
কারণ বাংলাদেশ আজ দাসত্বের খাঁচায় বন্দি। গোপন চুক্তি করে বাংলাদেশকে পরাধীন করা হয়েছে।
তাই সরকার ঘোষণা দিয়ে বেশিদামে গম ও গ্যাস কেনে। বিমান কেনে। সামরিক জোটে যোগ দেয়।
বাংলাদেশের থেকে ইরাক, আফগানিস্তান সার্বভৌম রাষ্ট্র। কারণ তাদের এসব জোটে যোগ দিতে বাধ্য করা যায় না।
২৪ এই পরাধীনতা নিয়ে এসেছে। ২৪ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পরাজয়। ২৪ এর নেতারা আত্মস্বীকৃত দেশদ্রোহী।
২৪ এ আওয়ামী লীগের পরাজয় ভিন্ন বিষয়। দেশের পরাজয় কেন?
এর উত্তর ২৪ এর সন্ত্রাসীদের দিতে হবে। এই প্রশ্ন ২৪ এ যারা ইমোশনাল হয়ে নেমেছিলো তাদের নিজেকে করতে হবে।
শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করেনি। কোন প্রতিরক্ষা চুক্তি করেনি। ভয় দেখিয়েও কোয়াড-জিসোমিয়াতে সই করানো যায়নি।
ভারতের সাথে দেশবিরোধী একটা চুক্তিও দেখাতে পারেনি জামায়াতি ইউনূস ও বিএনপি সরকার। বা তাদের বৈশ্বিক বাপেরা সবাই মিলে।
সৌদির সামরিক জোটে যুক্ত হবার রাজনীতি মানুষ বোঝে। দাসখত দিয়ে দেশকে গিনিপিগ বানানোর এসব চুক্তি মানুষ টুকরো-টুকরো করবে।
