মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ। আমদানি করা এই গ্যাসই এখন মূল ভরসা। অথচ দেশের গ্যাস সংকট মেটাতে এই অবৈধ দখলদার সরকারের কোনো বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নেই। তারেক রহমানের ছায়ায় বসে থাকা বিএনপির মন্ত্রীরা আর জামাতের আমলারা মিলে শুধু হিসেব কষেই যাচ্ছেন, কবে শিল্পপতিদের কাছ থেকে শেষ চাঁদাটা তোলা যাবে। ২০০১-০৬ সালে বিএনপি-জামাত দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় গুঁড়িয়ে দিয়েছিল, অথচ শিক্ষা কি কিছু হয়েছে? এক ছটাকও না।
হাজার হাজার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ। অর্ধেক বেতনে শ্রমিক ছাঁটাই। আন্তর্জাতিক ক্রেতারা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। যে ডিজেল আর কয়লা পুড়িয়ে খরচ বাড়ছে, তাতে কাঁচামালের দাম গগনচুম্বী। ব্যবসায়ীরা বলছে, দেউলিয়া হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। অথচ এই চরম দুর্যোগে শিল্পমন্ত্রী ব্যস্ত ষড়যন্ত্রের পর্দা টেনে ধরতে, আর জামাত নেতা ব্যস্ত কুখ্যাত ‘শরীয়াহ রাষ্ট্র’ বানানোর স্বপ্ন
আচ্ছা, এরা জাতিকে বারবার ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে কী লাভ করে পর্দার অন্তরালে সব সময়? টাকা? ক্ষমতা? বিদেশে ব৩নামে সহায়-সম্পত্তি? গ্যাস খাতের সমস্যা সমাধান না করে ক্লিন এনার্জির নামে ভুয়া সবুজায়নের গান গাওয়া বন্ধ করতে হবে। সময় শেষ। দায় এখন একান্তই আপনাদেরই।
