Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    ইতালির স্কুলগুলোতে মুখ ঢাকা পোশাক বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা

    September 22, 2026

    এনডিটিভিকে প্রথমবারের মতো লাইভ সাক্ষাৎকারে ‘দেশে ফেরার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ শেখ হাসিনা

    September 22, 2026

    চার মাস ধরে নিয়মিত ট্রাকসেল নেই—কম দামের পণ্য থেকে বঞ্চিত নিম্নআয়ের মানুষ | বাজারে তেল-চিনি-আটার দামও ঊর্ধ্বমুখী

    September 22, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী একের পর এক কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লাখো শ্রমিকের হয়নি বিকল্প কর্মসংস্থান
    Economics

    আগস্ট ২০২৪ পরবর্তী একের পর এক কারখানা বন্ধ, কর্মহীন লাখো শ্রমিকের হয়নি বিকল্প কর্মসংস্থান

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorAugust 4, 2026No Comments6 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত দুই বছরে দেশের শিল্প খাতে নেমে এসেছে অভূতপূর্ব অস্থিরতা। লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ব্যাংক হিসাব জব্দ, কাঁচামাল আমদানিতে জটিলতা ও আর্থিক সংকটের কবলে পড়ে একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এতে কর্মসংস্থান হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন লাখেরও বেশি শ্রমিক-কর্মচারী।

    এস আলম গ্রুপ: সবশেষ সংযোজন

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলী শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত এস আলম গ্রুপের ১১টি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান—চিনি, সিমেন্ট, ভোজ্যতেল, স্টিলসহ একাধিক শিল্পপণ্য উৎপাদনকারী কারখানা—সম্প্রতি স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকা, নতুন করে এলসি খুলতে না পারা এবং কাঁচামাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় বলে জানানো হয়েছে। দুই বছর আগেও এসব কারখানায় প্রায় আট হাজার কর্মী কর্মরত ছিলেন, ধাপে ধাপে জনবল কমিয়ে সবশেষ কর্মরত প্রায় আড়াই থেকে সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিককেও ছাঁটাই করা হয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই বন্ধের পেছনে অলিগার্কিক ব্যবসায়িক কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    বেক্সিমকো গ্রুপ: সবচেয়ে বড় ধাক্কা

    রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই সবচেয়ে বড় আঘাত আসে বেক্সিমকো গ্রুপে। গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে গ্রেফতারের পর ব্যাংকঋণ সুবিধা বন্ধ ও কাঁচামাল আমদানিতে এলসি জটিলতার কারণে ২০২৪ সালের নভেম্বর নাগাদ গ্রুপের ২৪টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের ১৪টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়—এই একক সিদ্ধান্তেই কর্মহীন হয়ে পড়েন হাজার হাজার শ্রমিক। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, এক সময় বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের কারখানাগুলোতে মোট ৪৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত ছিলেন, যা কমে দাঁড়ায় ৩৫ হাজারে। শ্রম আইন অনুযায়ী তাদের পাওনা পরিশোধ করতে প্রয়োজন ছিল ৫৫০-৬০০ কোটি টাকা, অথচ কারখানা সচল রাখতে চাওয়া ৪০০ কোটি টাকার সহায়তা প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি সরকার বা জনতা ব্যাংক। শিল্প পুলিশের হিসাবে শুধু গাজীপুরেই বেক্সিমকো গ্রুপের কারখানাগুলোতে চাকরি হারিয়েছেন প্রায় ৩৩ হাজার ২৪৪ জন কর্মী।

    গাজী গ্রুপ: লুটপাট-অগ্নিসংযোগে ধ্বংস

    ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গাজী গ্রুপের মালিকানাধীন গাজী টায়ার্স কারখানায় দুর্বৃত্তরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করে ব্যাপক লুটপাট শুরু করে, এরপর আগুন ধরিয়ে দেয়। ৫০ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা এই কারখানায় স্বাভাবিক সময়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী কর্মরত ছিলেন। একটানা ২১ ঘণ্টা ধরে জ্বলতে থাকা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের বেগ পেতে হয়, আর লুটপাটের সময় আটকা পড়ে অন্তত ১৭৫ জন নিখোঁজ হন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। এই ঘটনার পর কারখানাটির দুই হাজারেরও বেশি কর্মী ও শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়, আর যারা এখনও কর্মরত আছেন তারাও রয়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। গাজী গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর গাজী আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী ছিলেন, যাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়।

    বেঙ্গল গ্রুপসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধ

    জুলাই আন্দোলন ও তৎপরবর্তী অস্থিরতার এক বছরেরও বেশি সময় পর সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেক্সিমকো গ্রুপ, গাজী গ্রুপ ও বেঙ্গল গ্রুপের মতো ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে যুক্ত বড় শিল্পগোষ্ঠীর অসংখ্য কারখানা এখনও বন্ধ রয়েছে। অর্থায়নের অভাব, বিমা দাবির দীর্ঘসূত্রিতা এবং ব্যাংকগুলোর কঠোর শর্তের কারণে এসব ইউনিট পুনরায় চালু হতে পারছে না, ফলে দশ দশ হাজার শ্রমিক এখনও কর্মহীন অবস্থায় রয়ে গেছেন।

    জাতীয় পরিসংখ্যান: সামগ্রিক চিত্র আরও ভয়াবহ

    শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, শুধু গাজীপুরেই আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী আট মাসে বন্ধ হয়েছে ৫৪টি কারখানা, যেখানে কর্মরত ছিলেন প্রায় ৪৫ হাজার ৭৩২ শ্রমিক। জাতীয়ভাবে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ১৫ মাসে বন্ধ হয়েছে ১১৩টি কারখানা, যার ফলে কাজ হারিয়েছেন ৯৬ হাজার ১০৪ শ্রমিক—যদিও একই সময়ে নতুন ১২৮টি কারখানা চালু হওয়ায় নিট বেকারত্ব দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজারে। এই ১১৩টির মধ্যে ৬৯টি অর্থাৎ ৬১ শতাংশই বন্ধ হয়েছে আগস্ট মাসের পরে। শিল্প পুলিশের আরও একটি দীর্ঘমেয়াদি হিসাবে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জুন—এই দুই বছরে মোট ৪৫৭টি শিল্পকারখানা বন্ধ হয়েছে, যার মধ্যে ১৭০টি বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতের এবং বাকি ২৮৭টি পোশাকবহির্ভূত অন্যান্য শিল্প। এর মধ্যে বিজিএমইএর সদস্য কারখানা ১০৮টি এবং নিটওয়্যার খাতের সংগঠন বিকেএমইএর কারখানা ৩৫টি। শিল্প ও বস্ত্র খাত সংশ্লিষ্ট আরেকটি পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, দুই বছরে পাঁচ শতাধিক পোশাক ও বস্ত্র কারখানা বন্ধ হয়ে সম্পূর্ণ বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক।

    অর্থনীতিতে সম্ভাব্য ক্ষতির বিশদ বিশ্লেষণ

    এই ব্যাপক কারখানা বন্ধের ঘটনাপ্রবাহ শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে কর্মসংস্থান হারানোর ঘটনা নয়—এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী এবং সামগ্রিক অর্থনীতির একাধিক স্তরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

    ১. প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান ক্ষতি ও পারিবারিক আয়ের সংকট

    একটি রক্ষণশীল হিসাবেও দেখা যাচ্ছে, বেক্সিমকো, এস আলম, গাজী গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে গত দুই বছরে লক্ষাধিক শ্রমিক প্রত্যক্ষভাবে কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও শিল্প খাতে সাধারণত একজন শ্রমিকের আয়ের ওপর গড়ে ৩-৪ জন পরিবারের সদস্য নির্ভরশীল থাকেন। সেই হিসাবে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি—যা সরাসরি পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা, সন্তানের শিক্ষা ব্যয় ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত করছে।

    ২. রপ্তানি আয়ে ধাক্কা ও ক্রেতা আস্থার সংকট

    তৈরি পোশাক বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস। একের পর এক কারখানা বন্ধের খবরে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শিল্প সংশ্লিষ্টরা ইতিমধ্যে সতর্ক করেছেন যে, বিশ্বের কয়েকটি নামকরা ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে সোর্সিং কমিয়ে দিচ্ছে, যা ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    ৩. ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের চাপ

    বন্ধ হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ব্যাংক থেকে নেওয়া বিপুল পরিমাণ ঋণ রয়েছে। উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব ঋণ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ছে, যা ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ইতিমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকিং খাতের জন্য এটি অতিরিক্ত চাপ তৈরি করবে, যার প্রভাব পড়বে নতুন বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহে।

    ৪. সরকারি রাজস্ব হ্রাস

    কারখানা বন্ধ হওয়ার অর্থ হলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ক বাবদ প্রাপ্ত রাজস্বও বন্ধ হয়ে যাওয়া। শত শত কারখানা একযোগে বন্ধ হওয়ায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদায়েও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সরকারের উন্নয়ন ব্যয় ও ভর্তুকি পরিচালনার সক্ষমতাকে সীমিত করতে পারে।

    ৫. আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ধস

    গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামের মতো শিল্পাঞ্চলে কারখানাকেন্দ্রিক স্থানীয় অর্থনীতি গড়ে উঠেছিল—দোকানপাট, পরিবহন, বাসাভাড়া, খাদ্যপণ্য বিক্রয় সবই শ্রমিকদের ক্রয়ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। বড় কারখানা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও ক্রেতা হারাচ্ছেন, যা এক ধরনের চেইন রিঅ্যাকশন তৈরি করে পুরো আঞ্চলিক অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিতে পারে।

    ৬. বিনিয়োগ পরিবেশে নেতিবাচক বার্তা

    রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মামলা-হয়রানি কিংবা লুটপাট-অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় বড় শিল্পগোষ্ঠী বন্ধ হয়ে যাওয়ার নজির দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি করে। সম্পত্তির নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা না গেলে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ কঠিন হয়ে পড়বে, বিশেষ করে এমন সময়ে যখন বাংলাদেশ প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

    ৭. সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি

    লাখো শ্রমিক হঠাৎ কর্মহীন হয়ে পড়ায় শ্রম বাজারে যে চাপ তৈরি হচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক অস্থিরতা, অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি এবং শ্রমিক অসন্তোষের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা। বিশেষ করে নারী শ্রমিকরা—যারা পোশাক খাতের কর্মীবাহিনীর একটি বড় অংশ—হঠাৎ আয় হারানোয় পরিবারে অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক দুর্বলতার মুখে পড়ছেন বলে শ্রম অধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন

    শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, সরকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করলেও অনেক কারখানা এখন আর উৎপাদনে ফেরার মতো অবস্থায় নেই। তাদের পরামর্শ, যেসব কারখানার পক্ষে আর ফেরা সম্ভব নয়, সেগুলোর জন্য একটি সুশৃঙ্খল “এক্সিট পলিসি” প্রণয়ন করা প্রয়োজন, আর যেসব কারখানা প্রণোদনায় সচল হতে পারে সেগুলোর জন্য পরিচালন পুঁজি ও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সাময়িক জীবিকা নিশ্চিত করতে শিল্প এলাকায় ওএমএস (খোলাবাজারে ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রয়) কার্যক্রম সম্প্রসারণেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

    সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত, দ্রুত নীতিগত হস্তক্ষেপ, শিল্প-সহায়ক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো নিশ্চিত করা না গেলে এই ধারাবাহিক কারখানা বন্ধের ঘটনা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং কর্মসংস্থান পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনতুন রাজনৈতিক মঞ্চ ‘বাংলাদেশ জনরাষ্ট্র আন্দোলন’-এর আত্মপ্রকাশ
    Next Article নতুন অর্থবছরের শুরুতেই কমল রপ্তানি আয়, পোশাক খাতেও নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    চার মাস ধরে নিয়মিত ট্রাকসেল নেই—কম দামের পণ্য থেকে বঞ্চিত নিম্নআয়ের মানুষ | বাজারে তেল-চিনি-আটার দামও ঊর্ধ্বমুখী

    September 22, 2026

     তেলের দাম বাড়ায় বাস ভাড়া বাড়লো

    September 22, 2026

    লিটার প্রতি ২০ টাকা করে পকেটে ভরতে আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালো বিএনপি-জামাত গং!

    September 21, 2026

    ইলিশের দেশে ভারত থেকে এলো সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ!

    September 15, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে সফল করতে আওয়ামী লীগের একাত্মতা ঘোষণা

    September 19, 2026

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা, গৃহীত প্রস্তাবাবলি ও সিদ্ধান্তসমূহ

    September 19, 2026

    ৭ নেতার ষড়যন্ত্রমূলক রায়ের নিন্দা, লন্ডনে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সভা: রায়  প্রত্যাখ্যান

    September 18, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    International

    ইতালির স্কুলগুলোতে মুখ ঢাকা পোশাক বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা

    By JoyBangla EditorSeptember 22, 20260

    রোম: ইতালির স্কুলগুলোতে মুখ ঢাকা পোশাক বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন দেশটির…

    এনডিটিভিকে প্রথমবারের মতো লাইভ সাক্ষাৎকারে ‘দেশে ফেরার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ শেখ হাসিনা

    September 22, 2026

    চার মাস ধরে নিয়মিত ট্রাকসেল নেই—কম দামের পণ্য থেকে বঞ্চিত নিম্নআয়ের মানুষ | বাজারে তেল-চিনি-আটার দামও ঊর্ধ্বমুখী

    September 22, 2026

    হজে বিমানভাড়া কমল ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা

    September 22, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে সফল করতে আওয়ামী লীগের একাত্মতা ঘোষণা

    September 19, 2026

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভা, গৃহীত প্রস্তাবাবলি ও সিদ্ধান্তসমূহ

    September 19, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.