Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    বাংলাদেশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় : যাদের সাথে যা খুশি তাই করতে পারা যায়!

    October 23, 2026

    বাজারমূল্যে জনগণের নাভিশ্বাস, অথর্ব সরকারের নজরদারি নেই, সিন্ডিকেটের দৌড়াত্ম্যে ক্ষোভে ফুসছে নাগরিক সমাজ

    October 23, 2026

    দুর্দিনে ভুগছে ৬০ শতাংশ পরিবার

    October 23, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » বিএনপিকে শেখ হাসিনার ওপেন চ্যালেঞ্জ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়ে দেখুন জনরায় কার পক্ষে
    Politics

    বিএনপিকে শেখ হাসিনার ওপেন চ্যালেঞ্জ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়ে দেখুন জনরায় কার পক্ষে

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorSeptember 4, 2026No Comments7 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

     ‘দ্য প্রিন্ট’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে শেখ হাসিনা কেবল এক ‘পাপেট’ ভাবার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। একই সাথে জানিয়েছেন যে তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন এবং তারেক রহমানকে নতুন করে নির্বাচন দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

    বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সাক্ষাৎকারে ইউনূসকে একটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের “সুবিধাভোগী ও সক্রিয় অংশগ্রহণকারী” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে ধ্বংস করা। একই সাথে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরিস্থিতিকে জঙ্গিবাদী, ধর্মীয় চরমপন্থী ও অন্যান্য অপশক্তিকে ব্যবহার করেছে।

    ‘দ্য প্রিন্ট’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে একটি “জাতীয় সংকট” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনের একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যার জেরে ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।

    ঢাকা থেকে নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা জানান, তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলাগুলোর আইনি মোকাবিলার ইচ্ছা পোষণ করেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক তাঁর অনুপস্থিতিতে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ও রয়েছে।

    তিনি ভারতে এসে পৌঁছাবেন এমনটা ভাবেননি উল্লেখ করে বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকে তাঁর দল আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং পরবর্তীতে সাধারণ নির্বাচন দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানান।

    শেখ হাসিনা দ্য প্রিন্টকে বলেন, “আমি বলেছি যে ডিসেম্বরের কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা আছে আমার। নির্দিষ্ট তারিখ, সময় এবং পথ যথাসময়ে জানানো হবে। বাংলাদেশ এখন এক ভয়াবহ জাতীয় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় লাগাম টানা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। সংখ্যালঘুরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “এটি এখন আর কেবল আওয়ামী লীগের বিষয় নয়। এটি একটি জাতীয় সংকট। দেশের অন্যতম বৃহৎ একটি রাজনৈতিক শক্তিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের লাখ লাখ সমর্থককে স্বাভাবিক রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। নিজের দেশের এত বড় একটি অংশকে বাদ দিয়ে একটি দেশ কখনোই স্থিতিশীলতায় ফিরতে পারে না।”

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী আভাস দিয়েছেন যে বাংলাদেশের মানুষ যখন “এমন এক যন্ত্রণাদায়ক ও বিপজ্জনক সময় পার করছে”, তখন তিনি “দূরে বসে থাকতে পারেন না”।

    ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা ঢাকা ছেড়ে নয়াদিল্লিতে আসেন। মূলত একটি রাজনৈতিক বিক্ষোভ ও সহিংসতার কারণে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন রক্তপাত এড়াতে। প্রথমে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের জন্য রাখা কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হলেও পরে তা তাঁর পদত্যাগের একদফা দাবিতে রূপ নেয়।

    শেখ হাসিনা দ্য প্রিন্টকে বলেন, “রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অনুপস্থিতিতে দেওয়া কোনো মৃত্যুদণ্ডের রায়কে বিচার বলা যায় না। একটি সাধারণ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সাফাই গাওয়ার কোনো সত্যিকারের সুযোগ আমাকে দেওয়া হয়নি।”

    তিনি আরও বলেন, “অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার আইনি কাঠামো বদলে দিয়েছে, ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করেছে, রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট প্রসিকিউটর ও বিচারক নিয়োগ করেছে এবং একটি প্রহসনের বিচার করেছে যেখানে মৌলিক আইনি সুরক্ষাকে তোয়াক্কাই করা হয়নি। তাই হ্যাঁ, আমি এই রায়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করব। মামলার মোকাবিলা আমি আইন দিয়েই করব, তবে আইন বলতে বোঝায় ন্যায়বিচার, রাজনৈতিক প্রতিশোধ নয়।”

    ‘ভারতে আসার কোনো পরিকল্পনা আমার ছিল না’

    শেখ হাসিনা জানান, “ভারতে চলে আসার কোনো পরিকল্পনা আমার ছিল না।” তাঁর মতে, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের ঘটনাবলী এবং “আরও বড় আকারের রক্তপাত এড়ানোর” ইচ্ছাই তাঁকে নয়াদিল্লি পৌঁছাতে বাধ্য করেছিল।

    “পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছিল এবং আমার প্রধান চিন্তা ছিল একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে যেন আরও বেশি রক্তপাত না ঘটে। পরিস্থিতি সহজ হয়ে গেছে বলে আমি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছি না। আমি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছি কারণ বাংলাদেশকে ভয়, প্রতিশোধ ও অস্থিতিশীলতার মুখে ফেলে রাখা যায় না। মূল প্রশ্ন হলো বাংলাদেশ কি তার গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষ রূপ, আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ পুনরুদ্ধার করতে পারবে?” বলেন শেখ হাসিনা।

    তিনি আরও যোগ করেন, “নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। অনেক দিক থেকে এটি আরও খারাপ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা দুর্বল হয়েছে, চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো নতুন করে সাহস পেয়েছে, সংখ্যালঘুরা অনিরাপদ বোধ করছেন এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন অব্যাহত রয়েছে।”

    সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভারতে অবস্থান করা এবং সেখান থেকে ধারাবাহিক বক্তব্য দেওয়া ঢাকায় অসন্তোষ তৈরি করেছে। বিগত ছয় মাসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও, ৫ই আগস্ট নয়াদিল্লিতে তাঁর করা সংবাদ সম্মেলনের পর তাতে বড় ধাক্কা লাগে।

    তারেক রহমান আগস্ট বা সেপ্টেম্বরে ভারত সফর করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই সফর অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেছে, কারণ ঢাকা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে যেকোনো ভবিষ্যৎ সফরের জন্য শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন একটি আবশ্যিক শর্ত।

    ইউনূসকে ‘পাপেট’ না বলার বিষয়ে শেখ হাসিনার সতর্কতা

    ইউনূসকে “পাপেট” বলা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এই তকমাটিকে তিনি বড্ড “সহজ” মন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করে এর পেছনের বিপজ্জনক বাস্তবতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইউনূস আসলে “বাংলাদেশের ক্ষতি করা একটি রাজনৈতিক প্রকল্পের সুবিধাভোগী এবং দেশ ধ্বংসে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী—উভয়ই ছিলেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “ইউনূসের শাসনামলে বাংলাদেশকে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিগুলো সাহস পেয়েছিল। রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তির ওপর আঘাত হানা হয়েছিল। সংখ্যালঘু, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক এবং মুক্তিযুদ্ধকামী সাধারণ মানুষ অনিরাপদ হয়ে পড়েছিলেন।”

    তিনি আরও বলেন, “ইউনূসের শাসন থেকে কারা উপকৃত হয়েছে? তারা, যারা রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল। তারা, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দুর্বল করতে চেয়েছিল। তারা, যারা উগ্রবাদী শক্তিকে ফের সুযোগ করে দিতে চেয়েছিল। এবং তারা, যারা বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল, পরনির্ভরশীল ও সহজে প্রভাবিত করার মতো অবস্থায় দেখতে চেয়েছিল।”

    যে আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে, তার পেছনে কোনো বিদেশি সংস্থার হাত ছিল কি না জানতে চাইলে শেখ হাসিনা জোর দিয়ে বলেন, “এর পূর্ণাঙ্গ উত্তরের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।”

    “তবে এর পেছনের ধরনটি বেশ পরিষ্কার। কোটা সংস্কারের আন্দোলন হিসেবে যা শুরু হয়েছিল, তা একটি নির্বাচিত সরকারকে হটানোর একদফা দাবিতে রূপ নেয়। সুসংগঠিতভাবে সহিংসতা ছড়ানো হয়। থানা, সরকারি পরিকাঠামো, গণমাধ্যম, সরকারি দপ্তর এবং জাতীয় উন্নয়নের প্রতীকগুলোকে টার্গেট করা হয়। অস্ত্র লুট হয়, কারাগারে হামলা চালিয়ে চরমপন্থীদের পালিয়ে যেতে দেওয়া হয়। কোনো এক অদ্ভুত গতি ও শৃঙ্খলায় বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছিল,” বলেন তিনি।

    তিনি আরও যোগ করেন, “ইউনূস নিজেই এই আন্দোলনকে ‘খুব সুনিপুণভাবে পরিকল্পিত’ বলে বর্ণনা করেছিলেন এবং একজন ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর কথা বলেছিলেন। এটি কোনো সাধারণ স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। সেই অভিযান থেকে কয়েকটি গোষ্ঠী সুবিধা পেয়েছিল: বিরোধী রাজনৈতিক দল, উগ্রবাদী গোষ্ঠী, জঙ্গি নেটওয়ার্ক, যারা আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল এবং সেইসব বৈশ্বিক শক্তি যারা একটি দুর্বল, বিভক্ত ও অস্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখতে চায়।”

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে জানান যে, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে একটি স্থিতিশীল ঢাকা ভূ-রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    “এই কারণেই পুরো সত্যের তদন্ত হওয়া উচিত। কারা এই সহিংসতার পরিকল্পনা করেছে, অর্থায়ন করেছে, উৎসাহিত করেছে এবং প্রশ্রয় দিয়েছে—তা জানার অধিকার দেশের মানুষের রয়েছে,” তিনি বলেন।

    ২০২৪ সালের আগস্টের ৮ তারিখ অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা নেয়। ইউনূস ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করেন, যার পর সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান ও তার দল ক্ষমতায় আসে।

    বিএনপিকে শেখ হাসিনার চ্যালেঞ্জ

    শেখ হাসিনা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং একে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক বা গ্রহণযোগ্য নয় বলে অভিহিত করেছেন। তিনি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, এটি ভোটারদের “প্রকৃত পছন্দ থেকে বঞ্চিত” করেছে।

    “আমি ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কোনো অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক বা গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচন হিসেবে স্বীকার করি না। দেশের অন্যতম প্রধান একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে অনুষ্ঠিত ভোট কখনোই সাধারণ মানুষের মতামতের প্রতিফলন হতে পারে না… বিএনপি যদি মনে করে যে তাদের কাছে জন রায় রয়েছে, তবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিন, রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দিন, মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার করুন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আয়োজন করুন। দেশের মানুষকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। সেটাই হবে একমাত্র ফল যা গণতান্ত্রিক বৈধতা বহন করতে পারে।”

    ২০২৫ সালের মে মাসে ইউনূস সরকার যখন সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের যাবতীয় রাজনৈতিক ও সাইবার কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে, শেখ হাসিনা সেই দিনটিকে “গণতন্ত্রের জন্য একটি কালো দিন” বলে অভিহিত করেন।

    ‘স্থিতিশীল সম্পর্ক ভারতের প্রতি কোনো অনুগ্রহ নয়’

    ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে শেখ হাসিনা এখনো আশাবাদী। তিনি বলেন, এই সম্পর্ক “কোনো একটি সরকার কিংবা সাময়িক উত্তেজনার ওপর দাঁড়িয়ে নেই। এর শেকড় গেঁথে রয়েছে ইতিহাস, ভৌগোলিক অবস্থান, মুক্তিযুদ্ধ, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, নদী, সংস্কৃতি এবং সীমান্তের দুই পারের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গভীরে।”

    “ভারতের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্ক বজায় রাখা ভারতের প্রতি কোনো মেহেরবানি নয়। এটি বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থের জন্যই প্রয়োজন। ভারত আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী। আমাদের নদী, সীমান্ত, বাজার, জ্বালানি সহযোগিতা এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো গভীরভাবে জড়িত। ঢাকার দায়িত্বশীল নেতৃত্বকে এই সম্পর্কটি পরিপক্কতা এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে সামলাতে হবে, কোনো সস্তা স্লোগান বা শত্রুতা দিয়ে নয়,” বলেন শেখ হাসিনা।

    তিনি আরও যোগ করেন, “অনুপ্রবেশ বা অভিবাসনের ক্ষেত্রেও আমি একই পথ অবলম্বন করব: যৌথ যাচাইকরণ, দুই দেশের কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, মানব পাচারকারী দল ও জাল নথিপত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং সীমান্ত রক্ষা বাহিনীগুলোর মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা।”

    সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী অবৈধ অভিবাসন সংক্রান্ত সমস্যাগুলোকে “নীরবে, আইনি উপায়ে এবং দায়িত্বশীলতার সাথে” সমাধান করার আহ্বান জানান।

    ভারত দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অভিবাসনের বিষয়টি উত্থাপন করে আসছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ নাগরিকত্ব যাচাইকরণের ক্ষেত্রে নানান জটিলতার কথা তুলে ধরেছে। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে কনস্যুলার আলোচনা বন্ধ রয়েছে, যার মধ্যে শেখ হাসিনার শাসনামলের পুরো সময়টাও অন্তর্ভুক্ত।

    featured
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেখ হাসিনার প্রকল্প: আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলো
    Next Article বিএনপির ‘সবার আগে বাংলাদেশের সর্বনাশ’ তুরস্ক–পাকিস্তান-আমেরিকা খুশি, বাংলাদেশ দেউলিয়া
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    “আমি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে আসব’- শেখ হাসিনা

    October 20, 2026

    শহীদ “শেখ রাসেল দিবসে” বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্মরণ ও শ্রদ্ধা

    October 19, 2026

    শেখ রাসেল: ঝরে যাওয়া কুঁড়ি, চিরদীপ্ত জ্যোতি

    October 18, 2026

    কারাগার যখন ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ: বন্দিত্বের আড়ালে মানবিক ও রাজনৈতিক সংকট

    October 17, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    বাংলাদেশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় : যাদের সাথে যা খুশি তাই করতে পারা যায়!

    October 23, 2026

    সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মব হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৭১; মানবাধিকার সংস্থার দাবি, রয়েছে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক  সম্পৃক্ততা

    October 22, 2026

    শেষ হলো লালন মেলা

    October 20, 2026

    মবের বিচার রাষ্ট্র না করলে রাষ্ট্রই হতে যাচ্ছে মবের পরবর্তী শিকার

    October 20, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Bangladesh

    বাংলাদেশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় : যাদের সাথে যা খুশি তাই করতে পারা যায়!

    By JoyBangla EditorOctober 23, 20260

    নওগাঁর রাণীনগরে মন্দিরের সামনে এক হিন্দু নারীকে উত্ত্যক্ত করছিল রায়হান। স্থানীয়রা বাধা দিলে সে চলে…

    বাজারমূল্যে জনগণের নাভিশ্বাস, অথর্ব সরকারের নজরদারি নেই, সিন্ডিকেটের দৌড়াত্ম্যে ক্ষোভে ফুসছে নাগরিক সমাজ

    October 23, 2026

    দুর্দিনে ভুগছে ৬০ শতাংশ পরিবার

    October 23, 2026

    মানুষের পেটে ভাত নেই, ৭০% ছাড় দিয়েও বিক্রি হচ্ছে না জামা-কাপড়

    October 23, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    বাংলাদেশ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় : যাদের সাথে যা খুশি তাই করতে পারা যায়!

    October 23, 2026

    সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মব হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৭১; মানবাধিকার সংস্থার দাবি, রয়েছে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক  সম্পৃক্ততা

    October 22, 2026

    শেষ হলো লালন মেলা

    October 20, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.