Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    September 23, 2026

    আজ একটু নিজের কথা বলি… কেবল ধৈর্যশীলরাই পড়বেন..!

    September 23, 2026

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু
    Politics

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorSeptember 23, 2026No Comments4 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর তাঁর বিরুদ্ধে দায় নির্ধারণের ভিত্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ৫০০ পৃষ্ঠার রায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বলেছে, ইনু নিজে কাউকে হত্যা করেছেন—এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    হাসানুল হক ইনু সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিয়ন্ত্রণ করতেন না। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দমন-পীড়নমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি রাজনৈতিক বৈধতা ও নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপে তাঁর ইচ্ছাকৃত অবদান ছিল বলে ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

    ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে তৃতীয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিটি অভিযোগে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হলেও সাজাগুলো যুগপৎ চলবে। ফলে কার্যত তাঁকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে ষষ্ঠ ও সপ্তম অভিযোগে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। অন্য পাঁচটি অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

    পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি বিষয়—যিনি সরাসরি কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটাননি এবং কোনো বাহিনীর কমান্ডেও ছিলেন না, তাঁর বিরুদ্ধে কীভাবে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় প্রতিষ্ঠিত হলো?

    কী বলছে ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায়

    ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ইনুর ভূমিকা সরাসরি অস্ত্র হাতে নিয়ে অপরাধ সংঘটনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং রাজনৈতিক অবস্থান, উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, দমনমূলক পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে অবদানের মধ্য দিয়ে তাঁর দায় তৈরি হয়েছে।

    রায়ে বলা হয়েছে, জাসদ সভাপতি এবং তৎকালীন ১৪ দলীয় জোটের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে ইনুর রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। তিনি উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী আলোচনায় অংশ নিতেন এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন। আন্দোলন দমনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা বিভিন্ন বৈঠকেও তাঁর অংশগ্রহণের কথা রায়ে এসেছে।

    ট্রাইব্যুনালের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের জঙ্গি, সন্ত্রাসী, ষড়যন্ত্রকারী বা রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক বয়ান তৈরির ক্ষেত্রেও ইনুর ভূমিকা ছিল। আন্দোলনের সংগঠকদের শনাক্ত করা, তালিকা করা, আগাম গ্রেপ্তার এবং নেতৃত্বকে দুর্বল করার মতো পদক্ষেপের প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অর্থাৎ ট্রাইব্যুনালের যুক্তিতে ইনুর দায়ের ভিত্তি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া নয়; বরং রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা এবং সেই কর্মকাণ্ডে তাঁর জ্ঞাতসারে অবদানের প্রশ্ন।

    আট অভিযোগের তিনটিতে দোষী, পাঁচটিতে খালাস

    মামলায় আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি প্রমাণিত হওয়ায় ইনুকে সাজা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচটি অভিযোগে প্রসিকিউশন তাঁর দায় সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে পারেনি বলে ট্রাইব্যুনাল তাঁকে খালাস দিয়েছে।

    প্রমাণিত অভিযোগগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক নিপীড়ন ও নির্যাতনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনে ষড়যন্ত্রমূলক ভূমিকার বিষয় রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল মনে করেছে, এসব ক্ষেত্রে ইনুর ভূমিকা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্য বা মতামত প্রকাশের পর্যায়ে ছিল না; বরং অপরাধ সংঘটনের বৃহত্তর প্রক্রিয়ায় তাঁর ইচ্ছাকৃত অবদান ছিল।

    অন্যদিকে যেসব অভিযোগে সরাসরি হত্যার নির্দেশ, নির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কিংবা দমন অভিযানের আরও প্রত্যক্ষ ভূমিকার অভিযোগ ছিল, সেসবের কয়েকটিতে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষ করে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগসহ অষ্টম অভিযোগটি প্রমাণিত হয়নি। একইভাবে আরও কয়েকটি অভিযোগেও ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত প্রমাণকে যথেষ্ট মনে করেনি।

    এখানেই রায়ের দুটি দিক পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে—একদিকে সরাসরি হত্যার অভিযোগের কয়েকটি থেকে ইনু খালাস পেয়েছেন, অন্যদিকে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ভূমিকার মাধ্যমে অপরাধে অবদান রাখার অভিযোগে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

    রায়ের ব্যাখ্যাই তুলছে রাজনৈতিক পক্ষপাতের প্রশ্ন

    পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক তৈমুর ফারুক তুষার।

    তাঁর অভিযোগ, ইনুর বিরুদ্ধে যে ধরনের হত্যাকাণ্ড ও অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল, সেগুলোর সরাসরি সম্পৃক্ততা পূর্ণাঙ্গ রায়ে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁর ভাষ্য, রায় থেকেই দেখা যাচ্ছে—ইনু নিজে কাউকে হত্যা করেননি এবং কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ন্ত্রণও করেননি। এরপরও ‘নৈতিক সমর্থন’ বা রাজনৈতিক সমর্থনের ভিত্তিতে তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    তুষার এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, বিএনপি ও জামায়াত-সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে যুক্ত সরকারের সময়ে ইনুর বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছিল, সেগুলোর একটি বড় অংশ আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তাঁর মতে, সরাসরি হত্যার দায় প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ‘নৈতিক সমর্থন’কে দায় নির্ধারণের ভিত্তি করা হয়েছে।

    তুষারের ভাষায়, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বিচারব্যবস্থায় রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন তৈরি করে এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের আইনি ব্যাখ্যা অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োগ হতে পারে।

    তবে তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ রায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। তুষার যেখানে ‘নৈতিক সমর্থন’কে সাজা দেওয়ার মূল ভিত্তি হিসেবে দেখছেন, ট্রাইব্যুনালের রায়ে রাজনৈতিক সমর্থনের পাশাপাশি বৈঠকে অংশগ্রহণ, দমনমূলক পদক্ষেপে অবদান, ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার মতো একাধিক বিষয় বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পাঁচটি অভিযোগ থেকে ইনুকে খালাসও দেওয়া হয়েছে।

    তুষারের মূল প্রশ্ন এখানেই—একজন রাজনৈতিক নেতা সরাসরি কোনো হত্যাকাণ্ডে অংশ না নিলেও তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান, বক্তব্য, বৈঠকে অংশগ্রহণ বা কোনো রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন যদি ফৌজদারি দায়ের ভিত্তি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এই মানদণ্ড কত দূর পর্যন্ত প্রয়োগ করা হবে?

    তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, এর ফলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যাখ্যা ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    তুষার প্রশ্ন তুলেছেন, ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনা কিংবা ২০২৪ সালের আন্দোলনে পুলিশ হত্যার অভিযোগে বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কি একই ধরনের দায়ের ব্যাখ্যা প্রয়োগ করা হবে? সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণের প্রমাণ না থাকলেও রাজনৈতিক সমর্থন, বক্তব্য বা সাংগঠনিক ভূমিকার ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মতো শাস্তির দাবি উঠবে কি না—সেই প্রশ্নও তিনি সামনে এনেছেন।

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাবেক শিশু উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের অর্থপাচারের নেটওয়ার্ক যেভাবে হাতেনাতে ধরা সম্ভব
    Next Article বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    এনডিটিভিকে প্রথমবারের মতো লাইভ সাক্ষাৎকারে ‘দেশে ফেরার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ’ শেখ হাসিনা

    September 22, 2026

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে সফল করতে আওয়ামী লীগের একাত্মতা ঘোষণা

    September 19, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে সফল করতে আওয়ামী লীগের একাত্মতা ঘোষণা

    September 19, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Education [ শিক্ষা ]

    এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    By JoyBangla EditorSeptember 23, 20260

    চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের প্রস্তুতি…

    আজ একটু নিজের কথা বলি… কেবল ধৈর্যশীলরাই পড়বেন..!

    September 23, 2026

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.