মানিক পশারী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। একজন মুসলমান। এই দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন, অথচ মৃত্যুর পর তাঁর জানাজা ও দাফনের অধিকার নিয়েও টানাটানি!
সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত লাশ পড়ে থেকেছে বরফ ছাড়া, জানাজা ছাড়া, দাফনের আয়োজন ছাড়া। পরিবারের পুরুষ সদস্যদের ওপর হামলা, লাশ ঘিরে ভিড়, জানাজা ও দাফনে অংশ না নিতে স্থানীয়দের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ! অভিযোগে জানা গেছে, হুমকিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর পুত্র মাসুদ সাঈদীর লোকজন ও জামাতকর্মীরা।
শেষ পর্যন্ত তাঁর স্ত্রী, বোন ও মেয়েকেই কবর খুঁড়তে হয়েছে! এই কেমন ধর্ম, এই কেমন মানবিকতা!
ধর্মীয় ও সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। এই অমানবিকতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ চলছে সারা দেশে ও নেট দুনিয়ায়।
মানুষের মন্তব্য, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা মূর্খামি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের মানসিক ও রাজনৈতিক চরিত্র কেয়ামতের আগ পর্যন্ত পরিবর্তনের বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।
