কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, গত একদশকে দেশের প্রান্তিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তেমনি বেড়েছে নানা ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার। জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বে সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ফলে শিশুদের যেমন পড়ালেখার পরিবেশ উন্নত হয়েছে, তেমনি রাতের আঁধারে মানুষ এখন বিদ্যুতের ফলে নিরাপদ বোধ করে।
সমীক্ষাটিতে, রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভার ৮৯% পরিবার জীবনমান উন্নয়নের সাথে বিদ্যুতের ইতিবাচক প্রভাবের কথা বললেও, ৬৯% পরিবার আয় বৃদ্ধির তুলনায় বিদ্যুৎ বিলের অতিরিক্ত চাপ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
স্বৈরাচার বিএনপি ক্ষমতার দখল নিয়েই লোডশেডিং দিয়ে জনগণের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে। প্রতিদিনই দেশব্যাপী কোথাও ৮ ঘন্টা আবার কোথাও ১৬ ঘন্টা পর্যন্ত লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে। এছাড়াও জনগণের স্বাচ্ছন্দ কেড়ে নিতে বিদ্যুতের বিল কয়েকধাপে কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। দেশের জনগণের আয় বাড়ে, উল্টো তীব্র মূল্যস্ফীতির ফলে মানুষ জীবন আজ একেবারে বিধ্বস্ত। এই বিপর্যস্ত অবস্থার মাঝেও প্রতিমাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের চাপ, কখনো ভুতুড়ে বিলের বিভ্রাট স্বৈরাচার বিএনপি সরকারের বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছে৷
চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি সংকটের দোহাই এবং সংকট সমাধানে বিএনপি সরকারের অনাগ্রহই লোডশেডিংয়ের মূল কারণ। নতজানু সরকারের কূটনৈতিক অদক্ষতার ফলে রুপপূর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এখনো অচল। জনগণের তীব্র ভোগান্তি ও অসন্তোষ স্বত্ত্বেও বাংলাদেশকে অন্ধকারে রেখে জ্বালানি ক্রয়ে বিএনপি সরকার শুধুমাত্র স্পট মার্কেটে নির্ভর করছে। রাষ্ট্রের কোষাগার খালি করে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি কিনে কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে বিএনপি নেতারা শুধুমাত্র ১৭ বছরের দুর্নীতির ক্ষুধা মেটাতে ব্যস্ত।
