সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ আগামী ১২ নভেম্বর থেকে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কমিশন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সারাদেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৭টি ধাপে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ঘোষিত প্রাথমিক তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট নেওয়া হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর। আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ,…
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা লেনদেন এবং বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তা পদায়ন ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগগুলো অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। গত ২রা সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ১৩ই সেপ্টেম্বর, রোববার দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ তানজির আহমেদ জানান, নতুন অভিযোগগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে সংযুক্ত করা…
ড. ইউনূসের দেড় বছরের শাসনকাল ঘিরে নানা অকথিত অধ্যায় ধীরে ধীরে সামনে আসতে শুরু করেছে। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ড. ইউনূসকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নিয়ে আসেন। আন্দোলনকারীদের প্রত্যাশা ছিল, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে সুশীল সমাজের একটি সরকার দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে, বৈষম্য দূর করবে এবং দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। কিন্তু ইউনূসের দেড় বছরের শাসনকাল বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বিতর্কিত সময় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সুশাসনের পরিবর্তে ইউনূস সরকারের সময়ে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল এবং বৈষম্য দূর করার বদলে নতুন ধরনের বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর বিষয় হিসেবে সামনে…
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্লক রেইডের মাধ্যমে চলমান গণতল্লাশি ও গণগ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, গত শুক্রবার (১১ই সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে সরকারের ব্যর্থতা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় অক্ষমতার বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মিছিল করে প্রতিবাদ জানায়। বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের অভিযোগ, জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমাবেশে আতঙ্কিত হয়ে পূর্বনির্ধারিত ফলাফলের প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা শাসকগোষ্ঠী রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে ব্লক রেইড চালিয়ে গণতল্লাশি ও গণগ্রেপ্তার শুরু করেছে। বিবৃতিতে বল হয়, গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন, মহাখালী, কড়াইল বস্তি, শাহজাদপুর, কালাচাঁদপুর, ভাষানটেক, মাটিকাটা ও ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় সাধারণ নাগরিকদের ওপর চলমান হয়রানি…
জননেত্রী শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে যে আলোচনা এখন তুঙ্গে, সেটা শুধু একজন রাজনৈতিক নেতার দেশে ফেরার খবর না। এটা হলো একটা পুরো ব্যবস্থার পরীক্ষা। যে ব্যবস্থাটা ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতা দখল করেছে, যাকে কেউ ভোট দেয়নি, যার কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি নেই, যার একমাত্র ভরসা সেনাবাহিনীর বন্দুকের নল আর বিদেশি দূতাবাসের প্রেসক্রিপশন। এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন হলো শেখ হাসিনার ঢাকায় ফেরা। কারণ সেদিন যেটা ঘটবে, সেটা হলো শুধু একটা ফ্লাইট ল্যান্ডিং না, সেটা হলো পুরো ক্ষমতার কাঠামোর আইনগত ভিত্তি শূন্য হয়ে যাওয়া। প্রথমেই বোঝা দরকার, শেখ হাসিনার পদত্যাগের প্রশ্নটা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? ৫ আগস্ট ২০২৪-এ যা হয়েছিল, সেটা ছিল একটা…
নেত্রকোণায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সকালে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল করলেও সন্ধ্যায় তার পরিণতি হয়েছে ঘরবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গৌরব আহমেদ খানের বাসায় রাতের অন্ধকারে একদল লোকের হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটিকে স্থানীয়রা মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাজনৈতিক অধিকার হরণের দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে নেত্রকোণা জেলা শহরের সাতপাই এলাকায় ছাত্রলীগের শতাধিক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলের নেতৃত্ব দেন গৌরব আহমেদ খান। মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়। একই দিন সন্ধ্যায় পৌরসভার পূর্ব চকপাড়া এলাকায় গৌরবের বাসায় হামলার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের দাবি, রাতের অন্ধকারে এবং এলাকার বাতি নিভিয়ে একদল অজ্ঞাত…
কেতকী কুশারী ডাইসন পাড়ি দিলেন অনন্তের পথে। কবি, লেখিকা, অনুবাদক ও গবেষক কেতকীর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ১১ সেপ্টেম্বর তিনি ইংল্যান্ডের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানা গিয়েছে। ৩১ অগস্ট তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার পর থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। শুক্রবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বল্কল’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৭ সালে। উপন্যাসের মধ্যে অন্যতম ‘নোটন নোটন পায়রাগুলি’, ‘নারী, নগরী’, ‘জল ফুঁড়ে আগুন’। তাঁর অন্যতম সেরা প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘রবীন্দ্রনাথ ও ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সন্ধানে’। বাংলা ও ইংরেজি, দুই ভাষাতেই স্বচ্ছন্দ ছিলেন কেতকী। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তাঁর লিখনের উপর রবীন্দ্রনাথ ও…
বন্দরের শ্রমিকের চেক আটকে আছে আট মাসেরও উপরে আর মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পকেটে সরকারি বোনাসের থামাথামি নেই বিগত ছয় মাসে! সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী এক লাখ টাকা বোনাস তুলেছেন মার্চে। এখন একই রেকর্ড দেখিয়ে আরেক দফা দেড় লাখ টাকার ফাইল বসে আছে মন্ত্রণালয়ে। একই কনটেইনার, একই বছরের হিসাব, শুধু নাম বদলে একবার ক্যালেন্ডার ইয়ার আরেকবার ফিসক্যাল ইয়ার। ব্যাপারটা এতটাই খোলামেলা যে লুকানোর চেষ্টাও নেই। মজার তথ্য হলো, এই বোনাসের তালিকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রায় দুইশ কর্মকর্তাও আছেন। যাদের কাজ বন্দরের হিসাব যাচাই করা, নজরদারি করা, তারাই যখন বন্দরের টাকায় ভাগ বসান, তখন নজরদারি নামের জিনিসটা আসলে কী থাকে সেটা বোঝা কঠিন না।…
গৌতম কে শুভ ১২ সেপ্টেম্বর ভাটি বাংলার এই বাউলের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৯ সালে ৯৩ বছর বয়সে তিনি প্রয়াত হন। রেডিওর চেক ভাঙাতে ব্যাংকে গিয়েছিলেন শাহ আবদুল করিম। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাঁর মনে হয়েছিল, তিনি মানুষ হিসেবে সেখানে গেছেন, নাকি পশু হিসেবে! সেটাই যেন বুঝতে পারছেন না। পোশাকই কি তাঁর নাগরিক পরিচয়কে ছোট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট? এই ছবিতে যে কোট দেখছেন, এটা এই ঘটনারই। ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে ‘খোয়াব’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই দিনের কথা বলতে গিয়ে তিনি ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। এমন সব অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়েই তৈরি হয়েছিল শাহ আবদুল করিমের গান। তিনি তাই গানে গানে বারবার প্রশ্ন করেছেন মানুষে মানুষে এত ভেদাভেদ…
আজকের বাংলাদেশের মানুষের কাছে শাহ আবদুল করিম ভাটি বাংলার সমৃদ্ধ সংগীতের এক অনন্য শিল্পী। কিন্তু তাঁর যে একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস আছে, তা প্রায় বিস্মৃত। ১৯৫৪ সালের নির্বাচন। গণতন্ত্রী দলের হয়ে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী আবদুস সামাদ তখন সুনামগঞ্জের দিরাই-জগন্নাথপুর আসনে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা। তাঁর প্রচারণায় কোনো কেন্দ্রীয় নেতা আসেননি। করিমের গান শুনে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়। করিমের নিজের আত্মস্মৃতিতে আছে, নির্বাচনের কাজে এলাকায় এসে সামাদ তাঁর গান শোনেন। পরে তাঁকে ডেকে বলেন, শোষিত মানুষের কথা যে শিল্পী গান করে বলতে পারেন, সেই গান তখন দরকার মুসলিম লীগ সরকারকে উৎখাত করার জন্য। করিমকে সঙ্গে নিয়ে সামাদ গ্রামে গ্রামে…