ইসলাম পৃথিবীতে আসার আগেও বহুবার ” কাবা” কে ধ্বংস করা হয়েছে। ২০০ টি হাতির ওজনের সমান আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনকে ধ্বংস করে আবার তৈরি করা হবে।রাশিয়ার ককেসাস অঞ্চলে অবস্থিত ( palace of sky) কে যদি পুনঃনির্মাণ করা যায় তবে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর আবার নির্মাণ সম্ভব। স্বৈরাচারের জনক হিটলার আইফেল টাওয়ারকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিলেন। তৈরির বিশ বছরের মাথায় যে আইফেল টাওয়ার ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল , তাই আজকে পুরো পৃথিবীতে ইতিহাস। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর হবে আগামীতে সারাবিশ্বের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
আজ থেকে প্রায় ১৩ হাজার বছর আগের সমৃদ্ধশালী জনপদ ” জেরিকো শহর” হিংসা ও বিদ্বেষের বশবতী হয়ে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল।সেই জেরিকো শহরের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন বিজ্ঞানীরা।পাথর কেটে কেটে আজ থেকে ৪৭০০ বছর আগে জোসর -এর স্টেপ পিরামিড তৈরি হয়েছিল।মিশরীয়রা খনি থেকে তামা ও টিন সংগ্রহ করে ব্রোঞ্জ তৈরি করতো।এভাবেই একদিন পৃথিবীতে ছোট কলকারখানা গড়ে উঠেছিল। কাঁচ , ধাতু , মৃৎশিল্প ও জাহাজ শিল্প গড়ে উঠেছে। হেরে যাওয়ার জন্য মানুষের জন্ম হয়নি।যে ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বার থেকে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে , তাঁর ছাই থেকেই গড়ে তোলা হবে আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।
শিল্প কারখানায় উৎপাদনের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ছাই। ছাই থেকেই প্রিন্টারের কালি তৈরি হয়। ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারের সেই কালি দিয়েই আগামীদিনের বাংলাদেশের ইতিহাস আমরাই লিখবো।ছাই থেকে যে সার তৈরি হয় ( পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম) তা দিয়েই আগামীদিনের বাংলার উর্বর ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস নির্মাণ হবে।ছাই থেকেই যে কার্বন তৈরি হয় তা দিয়েই আগামীদিনে ” ধানমন্ডি ৩২” এর প্রোটোটাইপ তৈরি করা হবে। বঙ্গবন্ধুকে দেখা যাবে কিন্তু ছোঁয়া যাবে না।এর ইলেকট্রিক্স ও সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং এমনভাবে তৈরি করা হবে যাতে সারাবিশ্বের ৮০০ কোটি মানুষ পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে বসে ধানমন্ডি ৩২ দেখে ” এক ফোঁটা অশ্রু ” দিয়ে পৃথিবীর মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রোটোটাইপ নির্মাণ করা হবে মহাকাশে। বাংলাদেশের আগামী দিনের আলফা জেনারেশন সমগ্র পৃথিবীতে বঙ্গবন্ধুর নতুন ক্যারিশমাটিক ইতিহাসের প্রোটোটাইপ বানাবে।
থ্রিডি সিনেমা , গেমিং , অ্যানিমেশন ও মিডিয়ায় আগামী প্রজন্মের তরুণদের কাছে বঙ্গবন্ধুকে নতুনভাবে উপস্থাপন করার পাশাপাশি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরকে অত্যাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালির মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ইতিহাস হিসেবে এমনভাবে চিত্রিত করা হবে যাতে ইলন মাস্কের ” মাইক্রোচিপ ” এর মতো তা বাঙালির মগজে মৃত্যুর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকে। মানুষের মৃত্যুর পরও চিপ এর মাধ্যমে সেই স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে। তোরা যতবার বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবি , আমরা ততবার বঙ্গবন্ধুকে এই বাংলায় ফিরিয়ে আনবো। এই বাংলা সাড়ে সাত কোটি বাঙালির , এই বাংলা বঙ্গবন্ধুর , এই বাংলা ত্রিশ লক্ষ শহীদের। বাংলার প্রতি ইঞ্চি মাটিতে বঙ্গবন্ধু ও লাখো শহীদকে ফিরিয়ে আনা হবে। ধরতে পারবি না, ছুঁতে পারবি না। আমৃত্যু জ্বলতে থাকবি।
জিন প্রকৌশল ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ম্যামথ ও ডেডো পাখিদের মতো বঙ্গবন্ধুকে তার স্বপ্নের বাংলায় ফিরিয়ে আনা হবে। ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারের রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে যাবে দশ বছরের শিশু রাসেল। বারান্দায় দাঁড়িয়ে মুগ্ধ নয়নে শেখ রাসেলকে দেখবেন শেখ হাসিনা। প্রাচীন অ্যাম্বারের মধ্যে আটকে থাকা মশার ডিএনএ যদি বিজ্ঞানীরা পুনরুদ্ধার করতে পারেন তবে আগামীর পৃথিবীতে এমন সব অসম্ভব সম্ভব করা হবে যা জঙ্গীদের কল্পনারও অনেক অনেক বাইরে। আজকের আধুনিক পৃথিবীতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আগুন দিয়ে মৌলবাদীরা কত বড় ভুল করেছে তা আগামী হাজার হাজার বছর পরও মৌলবাদীদের আন্ডা বাচ্চাদের গালে কষে থাপ্পড় দিবে।
আগামী দিনের ক্যালকুলেশন মেশিন নতুন নতুন সিক্রেটের জন্ম দিবে।যেসব স্থাপত্য ধ্বংস করা হয়েছে তা পুনরায় পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে।জাপানিরা যদি কার্বন ফাইবার দিয়ে স্পেস এলিভেটর তৈরি করতে পারে তবে আগামি দিনে বাংলার আকশে বঙ্গবন্ধু ও ধানমন্ডি বত্রিশ মুক্তির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে।ধরতে পারবি না, ছুঁতে পারবি না,শুধু জ্বলবি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংসপ্রাপ্ত জার্মানির কলোন ক্যাথেড্রাল যদি পুনরায় নির্মাণ সম্ভব হয় তবে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর পুনরায় নির্মিত হবে। ভুমিকম্পে ধ্বংস নেপালের ধরাহারা টাওয়ার যেভাবে পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে ধানমন্ডি ৩২ সেভাবে পুনঃনির্মিত হবে। ধানমন্ডি বত্রিশ শুধু একটি ভবন নয় , এটি বাঙালি জাতির ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম নয়, সাত হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের যে আঙ্গুলটা তোরা ভেঙেছিস সেই আঙ্গুল আগামীদিনের বাংলাদেশের মুক্তির প্রেরণা। ইরাকের ফ্রিডম অ্যাভিনিউয়ে সাদ্দামের ভাস্কর্য ভেঙে , লিবিয়ায় গাদ্দাফির ভাস্কর্য ভেঙে ইরাক ও লিবিয়াকে গৃহযুদ্ধের দেশে পরিণত করার তোদের পরিকল্পনা সফল হলেও বাংলাদেশে সেই পরিকল্পনা কিছুতেই সফল হতে দিবো না। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা যায়, কিন্তু কিছুতেই ধ্বংস করা যায় না।
হয় মারবো, নয়তো মরবো। এভাবেই একদিন বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ আমরাই শেষ করবো।
” The unfinished liberation will be finished.History must repeat itself ”
This is the state of awareness.
___ Lucid dream সত্য সবসময় সুন্দর
লুসিড ড্রিম ১৪-১১-২০২৫
