গ্যাস নেই, উৎপাদন নেই, অর্ডার হচ্ছে বাতিল। ২০২৬ সালে এসে ফিরে এলো সেই ২০০১-০৬ সালের বিভীষিকা। কার্ডবাবা তারেক রহমানের বিএনপি আর জামাতের অদক্ষ শাসনে দেশের শিল্প এখন আইসিইউতে নেয়ার অবস্থায়।
গাজীপুরের পাঁচ হাজার কলকারখানায় গ্যাসের চাপ নেই বললেই চলে। প্রয়োজনের তুলনায় গড়ে এক লাখ চার হাজার ঘনফুট গ্যাস কম দিচ্ছে তিতাস। ফলে দিনের বেশিরভাগ সময় কলকারখানা বন্ধ। উৎপাদন তলানিতে, নেমে এসেছে মাত্র ৩০ শতাংশে। নারায়ণগঞ্জের চিত্র আরও ভয়াবহ, সেখানে উৎপাদন নেমেছে ২০ শতাংশের ঘরে। ব্যবসায়ীরা হতাশা নিয়ে বলছেন, দ্রুত সমাধান না হলে রপ্তানির ক্রয়াদেশ বাতিলের পাহাড়প্রমাণ আশঙ্কা।
চট্টগ্রামের অবস্থাও শোচনীয়। জাতীয় গ্রিড থেকে ২৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হচ্ছে। কর্ণফুলী গ্যাস কর্তৃপক্ষের সরল স্বীকারোক্তি, বাসাবাড়ি আর পাম্প বাঁচাতে গিয়ে শিল্পের বুকেই চাপ দেওয়া কমাচ্ছে তারা। সাভারের ডিইপিজেড অচল, ভোগান্তিতে সাধারণ নাগরিকও।
বিকেএমইএর সভাপতি নেতারা বলছেন, তাঁরা বিষয়টি উপরমহলে জানিয়েছেন। কিন্তু এই অজুহাতে কাজ হচ্ছে না মাঠে। যে দল একসময় দুর্নীতির কার্ড বিলিয়েছে, সেই তারেক রহমানের বিএনপি কি এখন গ্যাস বিলানোর কার্ড দেবে? জামাতের সাথে মিলে তাঁরা দেশের শিল্পের গলা টিপে ধরেছে।
