
।।হামিদ মোহাম্মদ।।
শেখ হাসিনা শেখ রেহানা জয় পুতুল এবং টিউলিপের বিরুদ্ধে যত মামলা সব ভুয়া বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞমহলের।বিশেষজ্ঞ আইনবিদরা মনে করেন, যেহেতু পুলিশ কোডে জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার জন্য যে কোনো লোককে গুলি করা যায়, সেখানে শেখ হাসিনার দায় তো নেই।এটা পুলিশের দায়িত্ব। এতে সরকার প্রধান হিসাবে শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধী হিসাবে অভিযুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। সুতরাং এ ধরনের মামলা সাজানো, প্রতিহিংসামূলক, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক আক্রোশ থেকে পাতানো মামলা। এ ব্যপারে গত কিছুদিন আগে ঢাকা ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্যকে উদ্ধৃতি দিয়ে আইনবিদরা বলেন, ডিএমপি কমিশনার যখন বলেন, বিশৃঙ্খলাসৃষ্টিকাদের ওপর গুলি করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন আবার সমালোচনার মুখে বলেন, আমি বলার কে? এটা তো পুলিশকোডেই গুলি করার নির্দেশ রয়েছে। এবং পরবর্তীতে সরকারি বক্তব্য হিসাবে প্রচার পায়,সে বক্তব্য বা তথ্যটিকে ২৪এর আন্দোলনের সময় নিহতদের বেলায় কী করে শেখ হাসিনা দায়ী হন-প্রশ্ন গুণী বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের।
দেশে বিদেশে এরকম পাতানো একটি মামলায় শেখ হাসিনাকে ফাঁসি দেওয়ার রায়কে নিয়ে গুণ্জন শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালতে এ মামলা বাতিলের আবেদন করার কথা শোনা যাচ্ছে।সুতরাং এই ভিত্তিহণি মামলার ভবিষ্যত নেই বলেই সবার মত। যদি, এ মামলা টিকতে না পারে, তবে ইউনুসসহ পুরো সরকারই হাস্যকর হিসাবে চিহ্নিত হবে।
এদিকে, প্লট বরাদ্দ মামলাও হাস্যকর পর্যায়ের বলে মন্তব্য শোনা যাচ্ছে। কেননা, গৃহায়ন অধিদপ্তরের বিধি অনুযায়ী কোনো নাগরিকের যদি নিজের নামে কোনো জমিজমা বা বাসাবাড়ি উক্ত শহরে না থাকে, তবে একজন নাগরিকের প্লট পাওয়া বা পাওযার জন্য আবেদনের এখতিয়ার রযেছে। এটা তার নাগরিক অধিকার। শেখ হাসিনা, রেহানা জয় পুতুল তাদের নিজের নামে ঢাকা শহরে প্লট নেই, নাগরিক হিসাবে প্লট পেতে পারেন,এটা অধিকার। কথা হলো, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী,রেহানা প্রধানমন্ত্রীর বোন, পুতুল ও জয় সন্তান। কিন্তু এসবের উর্ধে হলো তারা দেশের নাগরিক। তাদের প্রত্যেকের ব্যক্তি সত্ত্বা আলাদা আলাদা। আয়রোজগারও ভিন্ন ভিন্ন। পারিবারিক অবস্থানও ভিন্ন। সুতরাং তাদের নিজ নিজ নামে প্লট পাওয়া হলো ভবিষ্যত জীবনের জন্য সুরক্ষা। এখানে অপরাধ কোথায়?
এদিকে, টিউলিপ সিদ্দিক সম্পর্কে আনা অভিযোগ হাস্যকর। টিউলিপ তার মায়ের নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনা তথা মাসীকে চাপ দিয়েছেন, এবং এই চাপে শেখ হাসিনা তার মায়ের নামে প্লট বরাদ্দ করিয়েছেন, এমন গল্প পাতা যায়, কিন্তু মামলা হওয়ার মতো গিনেস রেকর্ড বাংলাদেশে হলো।
যত মামলা পর পর করা হচ্ছে, ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে, সবগুলোই প্রতিহিংসামুলক। ভিত্তিহীন,তথ্যহীন। বিদ্বেষপ্রসূত।
