একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে মবসন্ত্রাসের নগ্ন নৃত্যের সাক্ষী বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছে যে, ওসমান হাদীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সারা দেশ যেনো ত্রাসের জনপদ ও অগ্নিপুরীতে পরিণত হয়েছে। রাজশাহী, খুলনা, হবিগঞ্জ সহ বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে পুনরায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ। পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক সফল মেয়র ও আধুনিক চট্টগ্রামের রূপকার বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের, দিনাজপুরে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর, বান্দরবানে সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের, উত্তরায় সাবেক সংসদ সদস্য হাবিব হাসানের বাসভবন সহ সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়েছে। একজনের মৃত্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে করে সন্ত্রাসবাদীরা সারাদেশকে অনিরাপদ করে তুলেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এই নগ্ন হামলা, ভাঙচুর, সন্ত্রাস ও অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
একইসাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে ওসমান হাদীকে কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে কবর দেওয়ার বিষয়টাও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এতে জাতীয় কবি কাজী নজরুলকে অপমান করার শামিল।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
