Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    হাইকোর্টের দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত রায়: আইন, ন্যায়বোধ ও নারী–পুরুষের ন্যায্যতার প্রশ্ন

    January 13, 2026

    বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী

    January 13, 2026

    শতবর্ষী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি দবির চাচা আর নেই

    January 13, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ
    Lifestyle

    পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorJanuary 10, 2026No Comments5 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    এম. নজরুল ইসলাম

    আজ ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি। ১৯৭২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হায়েনাদের মৃত্যুখাঁচা থেকে ফিরে এসেছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর প্রত্যাবর্তনে জাতি সেনিদন আনন্দে আত্মহারা হয়েছিল। উৎসবে মেতে উঠেছিল সারা দেশ।

    আসুন আমরা ফিরে যাই আজ থেকে ৫৪ বছর আগের এই দিনটিতে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ছিল সোমবার। কেমন ছিল সেই দিনটি? সেদিন বিজয়ী বীরের বেশে মুক্ত স্বদেশে ফিরছিলেন জাতির পিতা। বাঙালি জাতির হৃদয় ভরিয়ে দিয়ে নিজের দেশে ফিরে এসেছিলেন যে মহাপুরুষ, তাঁর জন্য অপেক্ষায় ছিল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ। তাঁকে নিয়ে কবি শামসুর রাহমান লিখেছেন, ‘ধন্য সেই পুরুষ,…/ যার নামের ওপর/ কখনো ধুলো জমতে দেয় না হাওয়া/…ধন্য সেই পুরুষ, যার নামের ওপর পতাকার মতো/ দুলতে থাকে স্বাধীনতা/ ধন্য সেই পুরুষ, যার নামের ওপর ঝরে/ মুক্তিযোদ্ধাদের জয়ধ্বনি।’ তিনিই তো হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। এ জাতির দুঃখের দিনের কাণ্ডারি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

    সেদিন আকাশে যে সূর্য উঠেছিল, সেই সূর্য কি জানত যে এক মহান পুরুষ ওই আলো গায়ে মেখে বিজয়ীর বেশে নিজের দেশে ফিরবেন? ফিরবেন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে? হ্যাঁ, তিনি ফিরলেন। তিনি ফিরলেন বাঙালির ভালোবাসা ছুঁয়ে। বাঙালির হৃদয়-মন প্লাবিত করে। ফিরলেন সেই মহাপুরুষ, যাঁর জন্য অপেক্ষায় ছিল সদ্যঃস্বাধীন বাংলাদেশ।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ভেতর দিয়ে চূর্ণ হয়ে যায় এই উপমহাদেশের যুগ-যুগান্তরের চিন্তার দৈন্যতা ও মানসিক অচলায়তন। তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশের মানুষ যেমন ফিরে পায় সামনে অগ্রসর হওয়ার প্রেরণা, তেমনি তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। একই সঙ্গে সদ্যঃস্বাধীন বাংলাদেশে অন্ধকার শক্তির সর্বনাশের সূচনাও হয় তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ভেতর দিয়ে।

    কেমন ছিল সেই দিনটি? কেমন ছিল সেদিনের সেই অপরাহ্ন?

    সেদিন বাংলাদেশ বেতার থেকে অনবরত ধারাবিবরণী দেওয়া হচ্ছিল। বিমানবন্দর এবং সেখান থেকে রেসকোর্সে যাওয়ার পথের দুধারে অপেক্ষমান জনতা। পথের দুপাশের বাড়িঘরের জানালা, ছাদেও ছিল ফুল ও পতাকা নিয়ে অপেক্ষারত মানুষের ভিড়। একেকজনের চোখেমুখে অন্য রকম উত্তেজনা। নেতা আসছেন।

    আসছেন প্রিয় পিতা। পাকিস্তানের কারাগারের শৃঙ্খল ছিঁড়ে দেশের মাটিতে আসছেন সেই মহামানব, যিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তির মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন। একসময় অপেক্ষার পালা শেষ হয়। পিতা দৃশ্যমান হন। সেই দীর্ঘ ঋজু দেহ, প্রিন্স কোট আর উজ্জ্বল মুখচ্ছবি। চেহারায় কি একটু ক্লান্তির ছাপ? হবে হয়তো। পাকিস্তানের কারাগার তো নয়, যেন মৃত্যুখাঁচা। মৃত্যুদণ্ড দিয়ে তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলানোর জন্য সেখানে রাখা হয়েছিল। সেই মৃত্যুখাঁচায় দীর্ঘদিন থাকা। তারপর পথের ক্লান্তি তো আছেই। বিমানের সিঁড়িতে দেখা যায় তাঁকে। ৩১ বার তোপধ্বনি আর লাখো মানুষের উল্লাস। বঙ্গবন্ধুকে বরণ করল তাঁর প্রিয় স্বদেশভূমি। বুক ভরে নিঃশ্বাস নিলেন তিনি। প্রিয় দেশের বাতাস নিলেন বুক ভরে। স্পর্শ করলেন এ দেশের মাটি। প্রিয় আলো তাঁকে ছুঁয়ে দিল। পাখিরাও হয়তো গেয়েছিল তাদের ভাষায় প্রিয় নেতাকে বরণ করার গান। সেদিনের সেই অপরাহ্ন নিয়ে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি লন্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনটি ছিল এ রকম : ঢাকায় আজ জনতা তাঁকে এক বিজয়ী বীরের সংবর্ধনা দেয়। তিনি বিমানবন্দর থেকে সোজা রেসকোর্সের বিশাল জনসভায় পৌঁছেন।

    অত্যন্ত ক্লান্ত শেখ মুজিব তাঁর ৪০ মিনিটের বক্তৃতায় মাঝে মাঝে থেমে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, পৃথিবীর কোনো জাতিকেই স্বাধীনতা অর্জন করার জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। তিনি বলেন, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ভেতরকার সমস্ত সম্পর্ক চিরতরে শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ, সব দেশই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে এবং বাংলাদেশ অবশ্যই জাতিসংঘের সদস্য পদ পাবে। বঙ্গবন্ধু বলেন, বাংলাদেশের মূল ভিত্তি হবে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা। তিনি তাঁর ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করার অপরাধে হত্যাকারীদের বিচারের দাবি করেন। তিনি আশা করেন, অবশ্যই এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিকভাবে তদন্ত হবে।

    সেদিন রেসকোর্স ময়দানে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা জানেন বঙ্গবন্ধু মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে শিশুর মতো কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। তাঁর দুই চোখ বেয়ে নেমে আসছিল দুঃখের-বেদনার অশ্রুধারা। বারবার চোখ মুছছিলেন তিনি। আবেগ ভরা কণ্ঠে তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে এবং চিরদিন স্বাধীন থাকবে।’

    ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি। কয়েক লাখ মানুষের উপস্থিতিতে তিনি পা রাখেন তাঁর প্রাণের মাটিতে। মাটির সন্তান ফিরলেন তাঁর প্রাণের মাটিতে। দুই চোখে কী স্বপ্ন খেলা করছিল তাঁর? স্বপ্ন ছিল তাঁর একটি স্বাধীন দেশের। স্বপ্ন ছিল একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের। স্বপ্ন ছিল এ দেশের খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার।

    বঙ্গবন্ধু একটি অসাম্প্রদায়িক, সাম্যের বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। ধর্মীয় মৌলবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। বিচার শুরুও হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি দেশি ও বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হন তিনি। বঙ্গবন্ধু নিহত হলেও তাঁর স্বপ্নের অপমৃত্যু হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বুকে নিয়ে দিন যাপন করেছে। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা, যিনি পঞ্চমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। বাবার মতোই তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন সমৃদ্ধির দিকে। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে বসে থাকা অপশক্তির ষড়যন্ত্র আবারো আঘাত হানে। তাঁর সূচিত উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আবারো ব্যাহত হয়। চেপে বসা অপশক্তি দেশকে নিয়ে যাচ্ছে অন্ধকারের দিকে। স্বাধীনতাযুদ্ধে পরাজিত শক্তির আস্ফালন আজ দেশজুড়ে। স্বাধীনতাবিরোধীরা আজ ক্ষমতার মসনদে। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কবিতার ভাষায় বলি, জাতির পতাকা খামচে ধরেছে আজ পুরোনো শকুন।’

    আজ ১০ জানুয়ারি। ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি এসেছে নতুন করে শপথ নেওয়ার জন্য। আমাদের শপথ নিতে হবে, নতুন মন্ত্রে উজ্জীবিত হতে হবে। ১৯৭১ সালের মতোই এ দেশের মাটি থেকে স্বাধীনতাবিরোধী সব অপশক্তিকে সমূলে উপড়ে ফেলতে হবে।

    লেখক: সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং অস্ট্রিয়াপ্রবাসী মানবাধিকারকর্মী, লেখক ও সাংবাদিক

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিক্ষাবিদ সৈয়দ রকিব আহমেদ আর নেই
    Next Article জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    হাইকোর্টের দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত রায়: আইন, ন্যায়বোধ ও নারী–পুরুষের ন্যায্যতার প্রশ্ন

    January 13, 2026

    বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী

    January 13, 2026

    ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ প্রদর্শনী: শিশুটি পানিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বেজে উঠল সাইরেন

    January 13, 2026

    আগুনে পোড়া বাড়ি, রক্তে ভেজা মাটি : বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনী উপহার

    January 12, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    হাইকোর্টের দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত রায়: আইন, ন্যায়বোধ ও নারী–পুরুষের ন্যায্যতার প্রশ্ন

    January 13, 2026

    বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী

    January 13, 2026

    আগুনে পোড়া বাড়ি, রক্তে ভেজা মাটি : বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনী উপহার

    January 12, 2026

    দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়; শরিয়া আইন এর পথে বাংলাদেশ?

    January 11, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Lifestyle

    হাইকোর্টের দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত রায়: আইন, ন্যায়বোধ ও নারী–পুরুষের ন্যায্যতার প্রশ্ন

    By JoyBangla EditorJanuary 13, 20260

    ড. মনজুর মোরশেদ সম্প্রতি বাংলাদেশের হাইকোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় প্রদান করেছে, যা পুনরায় আলোচ্য হয়েছে…

    বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী

    January 13, 2026

    শতবর্ষী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি দবির চাচা আর নেই

    January 13, 2026

    আইসিসির অনুরোধ সত্ত্বেও ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

    January 13, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    হাইকোর্টের দ্বিতীয় বিয়ে সংক্রান্ত রায়: আইন, ন্যায়বোধ ও নারী–পুরুষের ন্যায্যতার প্রশ্ন

    January 13, 2026

    বই উৎসব থেকে বই সংকট : ইউনুসের অযোগ্যতার মাশুল দিচ্ছে কোটি শিক্ষার্থী

    January 13, 2026

    আগুনে পোড়া বাড়ি, রক্তে ভেজা মাটি : বিএনপি-জামায়াতের নির্বাচনী উপহার

    January 12, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.