এক যুক্ত বিবৃতিতে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেছেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ফ্যাসিস্ট-খুনি ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন যে একটি পুরোপুরি প্রহসন ছিল তা প্রমাণিত হয়েছে। সাধারণ মানুষও আগে থেকেই তা বুঝতে পেরেছিল। তাই এই ভোট নিয়ে তাদের কোনো আগ্রহ ছিল না। ফলে নানা ধরনের ভয় দেখিয়ে, প্রলোভন দিয়েও মানুষকে সেভাবে ভোটকেন্দ্রে নিতে পারেনি। অনেকে এই প্রহসনের এবং দেশে চলা মব সন্ত্রাস, গায়েবি মামলা ও গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানাতে সচেতনভাবে নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই অনেক ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা জটলা করলেও কেন্দ্রের ভেতরে ভোটারের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে।
বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে এমন জঘন্য নির্বাচন আগে আর কখনো দেখা যায়নি। কয়েকদিন ধরেই ভোট কেনাবেচা হয়েছে। ৭৫ লক্ষ টাকাসহ জামায়াত নেতা ধরাও পড়েছে। তদুপরি আগের দিন অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় ভোটকেন্দ্র দখল, গোলাগুলি, ব্যালট পেপারে সিল মারা, ফলাফল শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া, এমনকি খালি রেজাল্ট শিটে প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর নেওয়াসহ নানা অপকর্ম। তার কিছু কিছু পত্রপত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছেও।’
তারা বলেন, ‘সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমরা বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের নির্বাচন বর্জনের মতো এমন সাহসী ও সচেতন পদক্ষেপকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে প্রহসনের এই নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু পরিবেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ সব দলের অংশগ্রহণে প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।
