শেখ হাসিনার ডাকে নির্বাচন বর্জন করেছে সাধারণ জনগণ। ঢাকডোল পিটিয়ে নির্বাচনের আয়োজন হলেও নির্বাচন বর্জন করেছে সাধারণ জনগণ। সমগ্র দেশের ভোটকেন্দ্রগুলোর দৃশ্রই তা প্রমাণ করে। ঢাকা মহানগরের বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্র ফাঁকা,ভোটারশুন্য, শুধু কার্ডধারী পর্যবেক্ষক, কিছু দলীয়কর্মীকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে।এই চিত্র ঢাকা মহানগর থেকে গ্রাম পর্যায়ে একই।
সোশাল মিডিয়ায় শত শত কেন্দ্রের হাজার হাজার ছবি পোস্ট হচ্ছে। এতে দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রগুলোর দশা ভোটারশুন্য। প্রত্যক্ষদর্শীর মতে, এমন ভোটারবিহীন নির্বাচন আগে কখনো দেখা যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামীলীগ নির্বাচনে নেই,নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়েছে এবং কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্ধি দল সমূহের দাঙ্গাহাঙ্গামার আশংকায় ভোটার উপস্থিতিতে প্রভাব পড়েছে।
ভোটের দিনের হাতশাজনক এই চিত্র দেখে অনেকেই হতবাক। প্রকৃত প্রস্তাবে জনগন ভোট বর্জন করেছে এমনটাই মূল খবর। পাতানো কোনো নির্বাচনই জনগণকে যে জাগাতে পারে না, এবারের নির্বাচন তারই প্রমান।
ড. ইউনুস যত হাম্বিতম্বি হাম্বা রব তুলেন না কেন, জনগন তার নিজের হিসেব নিজেই কষে। সব দলের অংশগ্রহণমুলক নির্বাচন গণতন্ত্রের মূল বাস্তবতা। এই জায়গায় অসংখ্য দলকে সির্বাচনের বাইরে রাখা এবং আওয়ামীলীগের মতো বিশাল জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিতান্তই বাচলতা। কিন্তু ইসি এবং সরকারের চিরাচরিত কণ্ঠ হাজার হাজার ভোটারের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। সরকারি হিসেবে ৪৩% ভোট হয়েগেছে। অথচ, ভোটকেন্দ্র ফাঁকা!!!! ভোট কি ভুতে দিয়েছে?এরপর সরকারের আশা ৬০% ভোট পড়বে। এই মিথ্যা বয়ান শুনতে শুনতে বাংলাদেশের জনগণ ক্লান্ত।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, মানুষ শংকিত, ১২ ফেব্রুয়ারির এক তরফা নির্বাচনে বাংলাদেশের ভাগ্য কোন দিকে যাবে, সেটাই এখন প্রশ্ন।
