উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত আরেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা নির্বাচনের এক সপ্তাহ না যেতেই তাদের মনের লুকানো সত্যগুলো প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। আর তাতেই শুরু হয়েছে হাসিনা বিদ্বেষীদের নরে চরে বসা। উপদেষ্টা থাকাকালীন সাখাওয়াত সাহেব একটু সত্যের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শুধু সেভেন পয়েন্ট সিক্সটি টু বুলেট গুলো সিভিল পোশাকে তারা ছুঁড়েছিল সে বিষয়টা খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন তাতেই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আউট হয়ে যান। পলিথিন উপদেষ্টা রিজওয়ান নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন। তাতে করে জামাতিরা অনেকটা চাঙ্গা হয়ে যায়। বিএনপি কিছুটা চুপসে যায়। বর্তমানে দুই দলের হাতে দুইটা পয়েন্ট আছে জামাতিরা যদি বেশি নড়াচড়া করে তাহলে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি পুলিশ হত্যার তদন্ত শুরু করবে বললেই জামাতিরা ঠান্ডা হয়ে যাবে। আবার বিএনপি যদি জামাতীদের কথা না শুনে তাহলে অবৈধ বা নির্বাচনে অবৈধভাবে নির্বাচিত হওয়া তারেক জিয়াকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে আন্দোলন চাঙ্গা করবে।

শেখ হাসিনা চলে যাওয়ার পর ইউনুসের দেড় বছরের শাসনামল দেখলাম আমরা। এখন দেখার বাকি সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুত্র তারেক রহমান কিভাবে রাষ্ট্রকে কতদূর এগিয়ে নিয়ে যায় সেটা এখন শুধু আমাদের দেখার পালা। তারা তো কোন কাজ করতে হবে না। যত কাজ তো শেখ হাসিনাই করে ফেলেছে। এখন তাদের কাজ হল দেশকে স্থিতিশীল রাখা মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা মানুষের জান মালের নিরাপত্তা এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। শেখ হাসিনার সরকার ১৫ বছরের যে উন্নয়ন গুলো করে গেছেন বর্তমান ক্ষমতাসীনরা শুধু ওই জিনিসগুলোকে সঠিকভাবে পরিচালনা করলেই চলে। তাদেরকে নতুন করে কিছুই করতে হবে না।
আমরা আশা করি সমস্ত গোপনীয়তার স্তর ভেদ করে সমস্ত সত্যগুলো একদিন জনগণের সামনে প্রকাশিত হবে। উপদেষ্টা থাকাকালীন সাখাওয়াত সাহেবের মন্ত্রণালয় চলে গেলেও অন্য মন্ত্রণালয় থেকে তিনি চুপ থেকে ছিলেন। উপদেষ্টাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি আবার আস্তে আস্তে কিছু সত্য প্রকাশ করতেছেন। যদিও কিছুটা আমতা আমতা করেন তবে সময় সাপেক্ষে সব কিছুই প্রকাশ করে দিবেন সেটাই আশা করি। রিজওয়ানা সবকিছু প্রকাশ না করলেও শাখাওয়াত সাহেব যে প্রকাশ করবেন এটা নিশ্চিত।
নির্বাচনটা কি হয়েছে সেটা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নাই। আমাদের প্রয়োজন সাখাওয়াত সাহেব । এখন উনি যে আমতা আমতা করছেন আশা করি সামনের দিকে সেই আমতা আমতাটা থাকবে না। তবে রিজুয়ানা হাটে হাড়িঁ ভেঙে দিয়েছেন।তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন জামাতিরা নারীদেরকে নেতৃত্বে রাখতে চায় না সেই কারণেই আমরা তাদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেই নি। ক্ষমতায় এসেছিল জামাতিরা কিন্তু তাদেরকে ক্ষমতা আসতে দেওয়া হয়নি। সাখাওয়াত সাহেবের কথাও সত্য রিজওয়ানার কথাও সত্য আসল কথা হল সত্য কথার ভাত নাই।
সত্য কথা বললেন তো মরলেন। সত্য কথা বলে ভালো কাজ করে এই জাতির কাছে কেউ কখনো ভালো থাকতে পারেননি। আমাদের জানামতে শেখ হাসিনা কখনো মিথ্যা কথা বলেননি তিনি যা বলতেন তাই করতেন। ভালো কাজের মধ্যে শেখ হাসিনা যা করে গেছেন তা কখনো এ জাতি কল্পনা করেনি এ দেশ মেট্রোরেল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কর্ণফুলী টেনেল কক্সবাজারের রেল লাইন বিমানবন্দর আধুনিক মানের রেল টার্মিনাল গভীর সমুদ্র বন্দর সমস্ত মহাসড়ক গুলোকে ফোরলেন সিক্স লেন এইট লেন লক্ষ লক্ষ স্কুল এবং মাদ্রাসার অত্যাধুনিক ভবন পদ্মা সেতু যমুনা রেলওয়ে সেতু অর্থাৎ তার ১৫ বছরে তিনি যা করেছেন এগুলো বর্ণনা করে শেষ করার মতো না।। এই দেশ ও জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন । দেশের অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ করেছেন। প্রত্যেকটা মানুষের জীবনমান উন্নত করেছেন প্রতিটা মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। প্রতিটা গ্রামকে শহরের রূপদান করেছেন। কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা স্বাস্থ্য বিদ্যুৎ সহ সমস্ত খাত গুলোকে এক উচ্চতরো পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।
এত কিছুর পর এই মুনাফিক জাতি তাকি মেরে ফেলার জন্য বিশেষ বাহিনীর সহযোগিতায় জঙ্গি হামলা চালিয়েছিলেন। হায়াত গুনে তিনি বেঁচে গেছেন। তবে তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। তার অপরাধ তিনি এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করেছিলেন একটা কে একটা উন্নত পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। এটাই হলো তার অপরাধ। তার বাবাকেও জীবন দিতে হয়েছে পাকিস্তানি হায়নাদের কবল থেকে এ দেশ কে মুক্ত করে। একটা আলাদা মানচিত্র পৃথিবীর বুকে স্থান করিয়ে দিয়েছিলেন। আর এই অপরাধের কারণেই তাকে সপরিবারে জীবন দিতে হয়েছে। এই বাংলাদেশিদের হাতেই।
জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন যখন বলতো সাদা চামড়ার লোকেরা তার কাছে বাংলাদেশের একটি অংশ চায় অর্থাৎ সেন্টমার্টিন চায় সেন্ট মার্টিন তাদেরকে দিয়ে দিলে সেখানে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে দিলে মার্কিনীদের কে ঘাঁটি করতে দিলে তাহলে তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারেন। আর না দিলে মার্কিনিরা তাকে ক্ষমতায় থাকতে দেবে না। তিনি দেশ বিক্রি করতে রাজি হননি বলে ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। এদেশেরই কিছু মানুষরূপী পশু অর্থলোভী স্বার্থপর হীনমনের মানুষ মার্কিনিদের পা চাটা গোলাম ইউনুস কে দিয়ে ঠিকই তারা তাদের কাজটা করিয়ে নিয়েছে।মার্কিনিরা অবশ্য ভারতে ও একই কাজ চেয়েছিল। ভারতে কিন্তু এই কাজটা করতে পারেনি কারণ ভারতে আমাদের দেশের মতো মিথ্যাবাদী মুনাফিক মীরজাফর নাই। যে দেশে মিথ্যাবাদী মুনাফিক মীরজাফর আছে সেই দেশেই মার্কিনীরা সেই দেশেরই মীরজাফরদের দ্বারা ওই দেশের রাজাকে হত্যা করিয়েছে।।
এদেশের জনগণ ভোট দিতে যায় ফাও ফাও। এদেশের জনগণের ভোটে কোনদিনও এ দেশের রাষ্ট্রনায়ক নির্বাচিত হয় না। পশ্চিমারা যাকে ক্ষমতায় দেখতে চায় সেই রাষ্ট্রনায়ক হয়। এবারের নির্বাচন ও তার ব্যতিক্রম নয় জনগণ কাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে চেয়ে ছিল সেটা কোন মুখ্য বিষয় নয়। পম্চিমারা যাকে ক্ষমতায় আনতে চেয়েছিল তাকেই ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। তবে এই ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজওয়ানা যা বলেছে তা 100 ভাগ সঠিক কথা। তবে সে মেয়ে মানুষ হওয়াতে আসল কথাটা সহজে বলে ফেলেছে।
আমাদের বিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত সাহেব ও জুলাই সন্ত্রাসের সমস্ত ঘটনাগুলো একদিন মিডিয়াকে বলে দেবেন। তিনি বলে দেওয়া না দেওয়াটা বড় কথা নয় তিনি যা বলবেন যদি সত্য বলেন তাহলে সেগুলো মানুষের মনের কথা। সমস্ত সত্যগুলো জুলাই সন্ত্রাসী আন্দোলনে যুক্ত সমন্বয়করা আগেই বলে ফেলেছে। এখন শুধু বাকি আছে স্লাইপার দিয়ে কারা কারা কতজন মানুষকে হত্যা করেছিল সেই মানুষগুলো কারা কোথায় তাদেরকে কবরস্থ করা হয়েছে। সেখানে বাইরের কিছু লোকের ইঙ্গিত তিনি দিয়েছেন। বাইরের লোকগুলো কারা ভারতীয় না পাকিস্তানি সেই বিষয়গুলো জানতে হবে। মোট কতজন মানুষ মারা গেছে সেই তথ্যটাও জানতে হবে। এবং এই সমস্ত হত্যাগুলোর দায়ে যাদের বিচার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে। সমস্ত বিচারকার্য বন্ধ রাখতে হবে।
প্রত্যেকটা লাশের পোস্টমর্টেম করে নিশ্চিত হতে হবে কোন অস্ত্রের গুলিতে মারা গেছে। নাকি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে নাকি সেই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে এই বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া ছাড়া কোন বিচার কার্য চালানো যাবে না। এই সমস্ত বিষয়গুলো উপেক্ষা করে কোন বিচারক যদি বিচার কার্য চালিয়ে যান তাহলে তাকে অবশ্যই পরবর্তীতে জনরোসে পড়তে হবে।
কাজেই যে সমস্ত বিচারকরা এই সমস্ত ভুয়া মামলাগুলোর বিচার কার্য পরিচালনা করছেন আপনারা সঠিক পথ অবলম্বন করে বিচারকার্য পরিচালনা করুন। মিথ্যা মামলা দায়ের কারিদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনুন। স্লাইপার সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুন কারা এগুলো আমদানি করেছে কারা আনসার সহ-সাধারণ মানুষগুলোকে হত্যা করেছে। সমস্ত বিষয়গুলো ষোল আনা নিশ্চিত না হয়ে আপনারা কোন বিচার কার্য পরিচালনা করবেন না।
আমরা পুলিশ হত্যার সঠিক তদন্ত এবং বিচার চাই। একাত্তরের পক্ষ শক্তির যারা আইনজীবী আছেন আপনারা অনুগ্রহ করে পুলিশ হত্যা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা রাষ্ট্রীয় স্থাপনাগুলো ধ্বংস একাত্তরের স্মৃতিগুলোকে ধ্বংস আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ধ্বংস আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ সহ যতগুলো ভুল ভ্রান্তি আছে সবগুলোর ব্যাপারে আপনারা রিট করে সঠিক রায় নিশ্চিত করুন। জামাতি এবং ইনুসের সময়ের সমস্ত রায় গুলোকে বাতিল করার জন্য আবেদন করুন। আপনারা কোন ভয় পেয়ে নয় সাহস নিয়ে এগিয়ে চলুন সাহস নিয়ে কাজ করুন। আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনা এডিসের কল্যাণ করে গেছেন চুরি করে যাননি। কাজী শেখ হাসিনার পক্ষ অবলম্বন করে কাজ করাটা গৌরবের। আপনারা আপনাদের মত করে কাজ করুন বাধা প্রয়োগকারীদের সম্পর্কে মিডিয়াকে অবগত করুন।
