কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে
বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আন্তরিক শুভেচ্ছাও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেন,“জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল কৃষকদের সংগঠিত করা,তাদের অধিকার আদায় এবং দেশের কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন।প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশ কৃষক লীগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে।”
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন “বর্তমানে কৃষকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল,সার,সেচ বিদ্যুৎ ও বীজ পাচ্ছে না।এবং কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।চাঁদাবাজ এবং দেশদ্রোহী সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি আজ বাংলাদেশ।কৃষক দেশের চালিকাশক্তি,সেই কৃষক আজ প্রতিনিয়ত সর্বক্ষেত্রে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন,সেই সাথে বিভিন্ন সময় মব ও হত্যার স্বীকার হচ্ছেন এবং কারণে-অকারণে কৃষকদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “কৃষকরা দেশের খাদ্য উৎপাদনে প্রধান চালিকাশক্তি।তাদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্বার্থ সংরক্ষণ জরুরি।কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের মধ্য দিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা,অর্থনৈতিক অগ্রগতি,সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।”
বিবৃতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি আরও বলেন, “বাংলার মাটিতে কৃষকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস বহু পুরাতন। উপনিবেশবাদ ও শোষণবাদের বিরুদ্ধে কৃষকেরা যুগে যুগে বিদ্রোহ করেছে।অনেক নির্যাতন সহ্য করেও তারা পিছিয়ে যায়নি।তাদের মনোবল সবসময় আকাশচুম্বী ছিলো।বাংলার কৃষকেরাই শত প্রতিকূলতায়ও এই দেশের জমিনকে সোনালী ফসলের জন্য প্রস্তুত করেছে।”
তিনি বলেন,“নগর সভ্যতা যতই বিকশিত হোক না কেন, কৃষকদের অবদান ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। কৃষকদের কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠাকে রাজনীতির মূল দর্শন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীকে কৃষকের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।”
বিবৃতির শেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সকল নেতাকর্মীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক
