Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

    August 9, 2026

    সিলেটের সড়কে নিরাপত্তা চাই: দুর্ঘটনাকে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না

    August 9, 2026

    গ্রিস উপকূলে দুই দিনে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি

    August 9, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » সারাদেশে উগ্রবাদী পতাকা প্রদর্শন, পুলিশের নীরবতা: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য
    Politics

    সারাদেশে উগ্রবাদী পতাকা প্রদর্শন, পুলিশের নীরবতা: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorJune 28, 2026No Comments12 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    আয়নাল কারিগর

    সুনামগঞ্জের আব্দুজ জহুর সেতুর উভয় পাশে আইএস জঙ্গিদের ধারার কয়েকটি কালিমা খচিত পতাকা টাঙানোকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বহিরাগত একদল উগ্রবাদী গত বুধবার বিকেলে প্রকাশ্যে এসব পতাকা টাঙায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না গেলেও স্থানীয়রা জানান, যুবকদের বেশিরভাগ এলাকার বাসিন্দা নন। তাদের আচরণও ছিল আগ্রাসী ও রহস্যজনক। পোশাক-আশাকও ছিল আইএস জঙ্গিদের অনুকরণে।

    শুধু সুনামগঞ্জ নয়, খোদ রাজধানীতেও একই চিত্র। মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ মোড় থেকে তাজমহল রোড হয়ে জেনেভা ক্যাম্প পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে উড়ছে উগ্রবাদীদের আদলে তৈরি পতাকা। ২০ গজ দূরে দূরে টাঙানো এ পতাকায় আরবি হরফে লেখা রয়েছে কালিমা।

    শুধু মোহাম্মদপুরেই নয়, গাবতলী, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় উড়ছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট-আইএস এর আদলে তৈরি এই বিশেষ পতাকা। এমনকি সিলেট, গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা গেছে এই পতাকা।

    গতকাল রাজধানীর কয়েকটি এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় উড়ছে উগ্রবাদীদের পতাকা। তবে কারা লাগাচ্ছে বা কী উদ্দেশ্যে লাগাচ্ছে তার কোনো তথ্য নেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে।

    সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড, ইকবাল রোড, খিলজি রোডের দুই পাশেই টাঙানো হয়েছে এই পাতাকা। রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের সামনে সড়কের মাঝে আড়াআড়িভাবে দুটি করে পতাকা টাঙানো হয়েছে। সেখানে একটি পুলিশের টহল টিমের উপস্থিতি দেখা যায়। কিন্তু কারা এ পতাকা লাগিয়েছে বা কখন লাগিয়েছে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

    সুনামগঞ্জের চিত্র

    তাজমহল রোড লাজ ফার্মার সামনে উড়ছে সেই পতাকা। লার্জ ফার্মার সামনে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীও জানাতে পারেননি কারা এবং কখন এ পতাকা টাঙিয়েছে। কিছুদূর সামনে এগোলে ডানদিকে মিস্টার বেকারের আউটলেটের সামনেও উড়ছে। পতাকার বিষয়ে দোকানিও কিছু জানেন না। কেউ কিছু না জানলেও পুরো মোহাম্মদপুরে উড়ছে এই বিশেষ পতাকা।

    এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    মোহাম্মদপুর ছাড়াও এদিন গাবতলী ও মিরপুর এলাকায় জঙ্গিদের আদলে তৈরি পতাকা টাঙানো দেখা যায়। টেকনিক্যাল মোড় থেকে মিরপুর এক নম্বরের দিকে যাওয়ার রাস্তাতেও চোখে পড়ে এ পতাকা। যাত্রাবাড়ী ও শনির আখড়া এলাকাতেও উড়তে দেখা যায় পতাকাটি।

    রাজধানীর বাইরে সাভারেও বেশকিছু সড়কে দেখা যায় এই পতাকা। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা সংযোগ সড়কের শিবু মার্কেট এলাকায় ওভারপাসে বৈদ্যুতিক পিলারে উড়তে দেখা গেছে। সড়কের দুই পাশে একশর বেশি পতাকা লাগানো হয়েছে।

    শিবু মার্কেট এলাকায় এক দোকানি নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, গত বুধবার রাতে মাদ্রাসার কিছু ছাত্র এসে এই পতাকা সড়কের মাঝে লাইটপোস্টে টানিয়ে দিয়ে যায়।

    সড়ক পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও পতাকা সম্পর্কে একই ধরনের তথ্য জানান। স্থানীয় আরেক দোকানি জানান, শোডাউন ও পতাকা টাঙানোর কাজে নেতৃত্ব দেন রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের শরিয়াহ গ্র্যাজুয়েশন ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষক। ওই ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আবার মুফতি হারুন ইজহার।

    ২০১৩ সালে চট্টগ্রামের লালখান বাজারে হারুন ইজহারের মালিকানাধীন মাদ্রাসায় পাইপ বোমা তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। প্রতিবেদনের শেষাংশে এ সংক্রান্ত বিশদ তথ্য সন্নিবেশ করা হলো।

    এই উগ্রবাদী পতাকা টাঙানোর বিষয়টি তদন্ত করে দেখার পাশাপাশি অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী।

    তিনি বলেন, ‘ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা চলমান থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন দেশের পতাকা টাঙানোর বিষয়টি দেখা যাচ্ছে। তবে সাদা কাপড়ে কালিমা লেখা পতাকা লাগানোর বিষয়টি তাদের নজরে আগে আসেনি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে এবং কারা, কী উদ্দেশ্যে এগুলো লাগিয়েছে, তা জানার চেষ্টা করা হবে।’

    ঢাকার বাইরে ফেনী, সিলেট ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন সড়কে, ফ্লাইওভারে এবং জনবহুল এলাকায় এই পতাকা উড়তে দেখা যায়। এ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও সংবাদমাধ্যমে তুমুল আলোচনা ও জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

    এছাড়া চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পতাকা নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার থেকে পতাকা খুলে নেয়ার প্রতিবাদে পরবর্তী সময়ে গত ১৯শে জুন জুমার নামাজের পরে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ হয়। সেখানেও ছিল এই পতাকা। এ ঘটনার পর হাটহাজারীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় একই পতাকা দেখা যাচ্ছে। এছাড়া পাবনা, যশোরসহ আরো বেশকিছু জেলায় এই পতাকা নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে।

    মোহাম্মদপুরের চিত্র

    এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব নেতা মাওলানা মীর ইদ্রিস বলেন, ‘কালিমাখচিত সাদা-কালো পতাকা উড়াতে দেখছি, তবে আমরা উড়াইনি। আমি এটাকে সমর্থন করছি, কারণ কেউ কালিমা লেখা পতাকা উড়ালে সেটা নামাতে বলা ইসলাম অনুমোদন করে না। বিশ্বকাপ সামনে রেখে সারা দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকায় ছেয়ে গেছে। সে জায়গায় “ইসলামিক দেশ” হিসেবে কালিমার পতাকা উড়ানোটা ঠিক আছে।’

    এই পতাকা টাঙানোর মধ্য দিয়ে কোনো গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান বা এ দেশে কার্যক্রম শুরু করার জানান দিচ্ছে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশ্লেষক ড. তৌহিদুল হক।

    তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ করেছি এর আগে ঢাকার বাইরে কয়েকটি জেলায় এ ধরনের পতাকা প্রদর্শন করতে। তাদের পরিচয় প্রকাশ না পেলেও আমরা তাদের শোডাউন লক্ষ করেছি। পতাকার লেখার ধরনগুলো যেমন অপরিচিত, ঠিত তেমনই এসব শোডাউনে যারা অংশ নিচ্ছেন তারাও স্থানীয়দের কাছে অপরিচিত।’

    স্থানীয় প্রশাসনের করণীয়তে যথেষ্ট ঘাটতি আছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি রয়েছে। সে জায়গাতে অন্য কোনো গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান বা এ দেশে কার্যক্রম শুরু করার জানান দিচ্ছে। পাশাপাশি এর প্রতিক্রিয়া কী হয় সেটাও বোঝার চেষ্টা করছে। প্রশাসন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উচিত তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া। না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাজ করবে।’

    কে এই মুফতি হারুন ইজহার, জানুন তার অতীত

    সময়কাল ৭ই অক্টোবর, ২০১৩। গণজাগরণ মঞ্চ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, হেফাজতের শাপলা চত্বর তাণ্ডব মিলে উত্তাল দেশ। এসময় চট্টগ্রামের লালখান বাজারস্থ জামিয়াতুল উলুম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ অন্তত ৮-৯ আহত হন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান। শুরুতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ কম্পিউটারের ‘ইউপিএস’ বিস্ফোরণের হাস্যকর দাবি তুলে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও পরে গোয়েন্দা সংস্থা এবং বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের বিশেষজ্ঞরা সেখানে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস তথা আইইডি বা হাতে তৈরি বোমা উৎপাদনের হদিস পান। উদ্ধার করা হয় বেশ কিছু অবিস্ফোরিত ‘পাইপবোমা’ এবং বোমা তৈরির যন্ত্রাংশ।

    এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে পরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র‌্যাব নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হারকাতুল জিহাদের চার জঙ্গিকে ঢাকায় আটক করেছিল। তাদের মধ্যে ২০০৫ সালের ১৭ই আগস্টের সিরিজ বোমা হামলার এক পলাতক আসামী ছিলেন। অস্ত্র এবং বিস্ফোরকসহ দু’জনকে ঢাকার উত্তরা থেকে এবং অন্য দু’জনকে ধরা হয় আশুলিয়া থেকে। সেসময় আটক ৪ জনের কাছ থেকে এসএমজির ১,১০০ রাউন্ড গুলি, পিস্তলের ৩২টি গুলি এবং এক কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

    হেফাজতে ইসলামের নিয়ন্ত্রণাধীন লালখান বাজারের মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে বিস্ফোরণের পর উদ্ধারকৃত বোমাগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে ‘হাতে তৈরি গ্রেনেড’ উল্লেখ করেছিল পুলিশ। তখন এ ঘটনাকে মাদ্রাসা এবং ইসলামের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের ষড়যন্ত্র দাবি করে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয় বিভিন্ন পক্ষ থেকে। তবে বোমা বিশেষজ্ঞরা পরে ‘পাইপবোমা’ শনাক্ত করেন।

    ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসেও একই ধরনের ১১টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছিল চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা এলাকা থেকে। তখন বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানে এই প্রযুক্তির বোমা তৈরি হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সর্বাধিক নাশকতা চালানোর অভিযোগ আছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার বিরুদ্ধে।

    সেসময়কার গোয়েন্দা তথ্য থেকে আরও উঠে আসে, লস্করের সাথে জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার পরিচালক- হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ও নেজামে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি ইজহারুল ইসলাম এবং তার ছেলে মুফতি হারুন ইজহারের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। ২০১১ সালে গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মুফতি হারুন নিজে এই তথ্য দেন পুলিশকে। এর আগে ২০১০ সালের ১৫ই ডিসেম্বর হরকাতুল জিহাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তার বাবা মুফতি ইজহারুল ইসলাম- যিনি উপমহাদেশের একজন শীর্ষ জঙ্গি নেতা হিসেবে কুখ্যাত।

    জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার মধ্যে আইইডি তৈরির কারিগর হিসেবে যার নাম বেশি প্রচারিত তিনি হলেন ভারতের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের ডান হাত হিসেবে পরিচিত সৈয়দ আবদুল করিম ওরফে টুণ্ডা। লস্কর ও উগ্র জঙ্গিবাদের সমর্থক এই সন্ত্রাসী টুন্ডা ২০১৩ সালের আগস্টে নেপালে গ্রেপ্তার হন। টুণ্ডা গোপনে ভুয়া পরিচয়ে বাংলাদেশে এসেছিলে এবং জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন- এমন তথ্যও পেয়েছিল সেসময় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

    সেসময় দায়িত্বরত গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং বোমা বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, লালখান বাজারের মাদ্রাসাটির ছাত্রাবাস থেকে উদ্ধারকৃত বোমাগুলো পাইপবোমা প্রযুক্তির। যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- এসব বোমা বিমানবন্দরের স্ক্যানার এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত কুকুরও শনাক্ত করতে পারে না।

    বিশেষজ্ঞরা এই প্রতিবেদককে জানান, এই বোমার উপকরণের সঙ্গে কফি মিশিয়ে রঙ এবং ঘ্রাণ পরিবর্তন করে জঙ্গিরা একে শনাক্তের অযোগ্য করে তোলে। মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে অসংখ্যবার এমন বোমা হামলার শিকার হয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিল। এসব বোমা তাদের বেশ ভুগিয়েছে। পরে আফগানিস্তানে এ ধরনের বোমা নিষ্ক্রিয় করতে ‘ওয়াটার ব্লেড স্টিংরে’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমেরিকানরা।

    সেসময় দায়িত্বরত দেশের একটি নিরাপত্তা সংস্থার একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পাইপবোমা স্ক্যানারে ধরা পড়ে না। প্রশিক্ষিত কুকুরও গন্ধে বিভ্রান্ত হয় বলে তারাও ব্যর্থ হয়। দেশের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার দোকানে এই বোমা তৈরির মূল সরঞ্জাম পাইপ ও সকেট (স্যানিটারি কাজে ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম) পাওয়া যায়। অন্য উপকরণ যেমন- ইউরিয়া, নাইট্রিক এসিড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড, নাইট্রোবেঞ্জিন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড এবং চিনির মতো সহজলভ্য জিনিস দিয়ে এই শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। স্ক্যানার ও প্রশিক্ষিত কুকুর এই বোমার অবস্থান নির্ণয়ে ব্যর্থ হলে তা হবে ভয়ঙ্কর।

    ২০১৩ সালের সেই বিস্ফোরণের পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) তাদের প্রতিবেদনে লেখে: ‘বিস্ফোরণের পর মাদ্রাসার ছাত্রাবাস থেকে ৪টি অবিস্ফোরিত হ্যান্ড গ্রেনেডসদৃশ বোমা, ২৫০টি জিআই পাইপের টুকরো, ১০০টি মার্বেল, একটি তার প্যাঁচানো মোবাইল সেট, ২০০ গ্রাম জিআই তার, প্যাঁচানো স্প্রিং এবং দুটি স্লাইডরেঞ্জ উদ্ধার করা হয়েছে।’

    পুলিশ প্রথমে উদ্ধারকৃত বোমাকে পুরনো ভার্সনের হাতে তৈরি গ্রেনেডসদৃশ বললেও হাতে তৈরি গ্রেনেডের সঙ্গে জিআই তার ও মোবাইল ফোন সংযুক্তির বিষয়টি আমলে নিয়ে বিশেষজ্ঞরা একে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে ব্যবহৃত পাইপবোমা হিসেবে শনাক্ত করতে সমর্থ হন।

    তৎকালীন সিএমপির গোয়েন্দা শাখার উপপরিদর্শক ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্য সন্তোষ চাকমা ২০১১ সালে হাটহাজারী থেকে উদ্ধারকৃত বোমার সঙ্গে মুফতি হারুন ইজহারের মালিকানাধীন লালখান বাজারের মাদ্রাসার ছাত্রাবাস থেকে উদ্ধারকৃত বোমার মিল থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন।

    বোমা বিশেষজ্ঞরা জানান, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলো আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইইডি তৈরি করছে। মোটা লোহার পাইপের ভেতর বিস্ফোরক রেখে এই বোমা তৈরি হয়। বিস্ফোরণ ঘটাতে বোমার বাইরে রাখা হয় গ্রেনেডের মতো পিনের বিশেষ আংটা। এ ধরনের বোমাকে প্রেসার রিলিজ বোমাও বলা হয়। এই বোমার বাইরে থাকা বিশেষ আংটা ছুড়ে মারার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বাইরে শক্ত লোহার আবরণ থাকায় এর ধ্বংস ক্ষমতা বাড়ে। আর বোমার ভেতরে বিস্ফোরক ও ধারালো বস্তু থাকায় সেসব স্প্লিন্টার ছুটে গিয়ে মানুষকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের এক বোমা বিশেষজ্ঞ বলেন, এ ধরনের বোমায় ইনিশিয়েটরের পাশাপাশি ব্যবহৃত হয় ব্যাটারি। আবার ব্যাটারির পরিবর্তে সরাসরি মোবাইল ফোনও ব্যবহৃত হয়। বিস্ফোরককে অ্যাক্টিভেট করতে ব্যাটারি বা মোবাইল ফোন যুক্ত করা হয়। বিশেষ করে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে জঙ্গিরা হাতবোমা তৈরির জন্য এ রকম প্রযুক্তি ব্যবহার করে।

    বাংলাদেশে জেএমবির কুখ্যাত জঙ্গি জাহেদুল ইসলাম ওরফে বোমারু মিজান প্রথম এই প্রযুক্তির বোমা তৈরি করেছিল বলে গোয়েন্দা তথ্য আছে। এরপর মাসুম নামের আরেক জেএমবি জঙ্গি বোমা তৈরিতে হাত পাকায়। হেফাজত নিয়ন্ত্রিত লালখান বাজারস্থ মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণে নিহত নূরুন্নবীও তাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

    আবদুল করিম টুণ্ডার প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত এই আইইডি প্রযুক্তির বোমা তৈরির ক্ষেত্রে ভারতে নব্বইয়ের দশকে বেশ কুখ্যাতি অর্জন করেন লস্কর-ই-তৈয়বার নেতা আবদুল করিম। বোমা বানাতে গিয়ে বাঁ-হাতের খানিকটা উড়ে গেলে তিনি নামের পাশে টুণ্ডা বিশেষণ যোগ করেন। দিল্লি পুলিশের বরাতে জানা যায়, দুই দশকের বেশি সময় ধরে ভারতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন টুণ্ডা। ৪৩টি বিস্ফোরণের ঘটনায় সরাসরি অভিযুক্ত টুণ্ডার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আশির দশকে তিনি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর কাছে বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ নেন।

    এই টুণ্ডা বাংলাদেশে এসেও জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে গেছেন। আর এসব তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায় গ্রেপ্তারের পর আটক মুফতি হারুনের দেওয়া তথ্যে। ২০১১ সালের ৫ই নভেম্বর গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি ঢাকার গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছে স্বীকার করেন, লস্করের সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে। ২০১৩ সালের বিস্ফোরণের পর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা দুই আর দুই-এ চার মেলান। লস্কর-ই-তৈয়বার সঙ্গে যোগাযোগ থাকার সুবাদে তাদের শেখানো প্রযুক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রামের সেই হেফাজতি মাদ্রাসায় বোমা তৈরি করা হচ্ছিল।

    বিশ্ব গণমাধ্যমগুলো বলছে, বাংলাদেশ ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের হাব হয়ে উঠেছে

    লালখান বাজার মাদ্রাসায় গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকায় ২০১৩ সালের অক্টোবরে ইজহারপুত্র মুফতি হারুনকে গ্রেপ্তার হন। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে হেফাজতে ইসলামের নেতা মুফতি হারুনের বিরুদ্ধে খোদ হেফাজতে্ ইসলামের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দি ছিলেন। তার পিতা মুফতি ইজহারও পরে একই অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। তিনিও দীর্ঘ সময় কারাগারে ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর গোয়েন্দারা তাকে সাংবাদিকদের সামনে নিয়ে এলে তিনি দুই আঙুল তুলে ভি-চিহ্ন দেখিয়ে বলেন, আমি মহাজোটের প্রতিষ্ঠাতা।

    লালখান বাজার মাদ্রাসায় গ্রেনেড বিস্ফোরণের পরপরই পালিয়ে যান মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী। ২ বছর পলাতক থাকার পর পুনরায় লালখান বাজার মাদ্রাসায় ফেরেন। গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা তিন মামলায় মুফতি ইজহার ও তার ছেলে হারুন ইজহারসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। বিস্ফোরক, এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন ও একটি হত্যাসহ তিনটি মামলায় জামিন না নেয়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয় মুফতি ইজহারের বিরুদ্ধে।

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, মুফতি ইজাহারুল ইসলামের পরিচালনাধীন লালখান বাজারে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জামিয়াতুল উলুম আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসায় গড়ে উঠেছিল আন্তঃদেশীয় জঙ্গিদের ঘাঁটি। যেখান থেকে ২০০৯ সালের শেষ দিকে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ও ভারতীয় হাইকমিশনার হামলার ছক তৈরি হয়েছিল।

    এ হামলা পরকিল্পনা করেছিল নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই-তৈয়বা। এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইজহারুল ইসলামের ছেলে হারুন ইজহার। ফের সেখান থেকেই বড় ধরনের জঙ্গি হামলার ছক কষা হয়েছিল বলে পুলিশ ও গোয়েন্দারা জানান।

    ২০০৯ সালের শেষ দিকে খবর পাওয়া যায়, যে কোনো সময় ঢাকাস্থ দুটি দূতাবাসে জঙ্গি হামলা হতে পারে। এ তথ্যের ভিত্তিতে ও একটি টেলিফোন কলের সূত্র ধরে জানা গেছে, হামলার ছক মুফতি ইজহারের মাদ্রাসায় বসেই করা হয়েছিল। এর সঙ্গে যুক্ত আন্তঃদেশীয় কয়েকজন জঙ্গি মুফতি ইজহারুলের মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন।

    এ তথ্য পেয়েই গোয়েন্দা পুলিশ ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালায়, গ্রেপ্তার করা হয় ইজহারপুত্র হারুন ইজহার এবং দক্ষিণ ভারতীয় সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সদস্য ভারতীয় নাগরিক শহিদুল, সালাম, সুজন ও আল আমিন ওরফে মইফুলকে।

    সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ওই অভিযানকালে গোয়েন্দা পুলিশ হারুন ইজহারের কক্ষ থেকে একটি ল্যাপটপ জব্দ করে। ওই ল্যাপটপে মার্কিন ও ভারতীয় হাইকমিশনার হামলার তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়। পুলিশের অভিযান শুরুর আগে সেখান থেকে পালিয়ে যান লস্কর-ই-তৈয়বার অন্যতম শীর্ষনেতা টি নাসির ও সরফরাজ।

    ওই বছরের ৬ই নভেম্বর কুমিরা সীমান্ত হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুই ভারতীয় জঙ্গি গ্রেপ্তার হয়। তারা ভারতের বেঙ্গালুরু কম্পিউটার সিটিতে বোমা হামলাসহ বেশ কয়েকটি বড় সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত। তারা ছিলেন ভারতে মোস্ট ওয়ান্টেড। গ্রেপ্তার এড়াতে দুই জঙ্গি দুবাই হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয় মুফতি ইজহারের মাদ্রাসায়।

    এর আগে রাউজান রাবার বাগান গোদারপাড় এলাকায় পাহাড়ের চূড়ায় হুজির প্রশিক্ষণকালে অভিযান চালিয়ে জিহাদি বই ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। দুটি মামলায় মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরীসহ আটজনকে আসামি করা হয়।

    ২০১০ সালের ১৫ই ডিসেম্বর হরকাতুল জিহাদের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগের র‌্যাব-৭ এর হাতে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মুফতি ইজহারুল ইসলাম। হরকাতুল জিহাদের (হুজি) তৎকালীন আমির মাওলানা ইয়াহিয়া ওরফে বর্দ্দা (৪৬) এবং তার দুই সহযোগী মো. বাহাউদ্দিন (২২) ও ইয়ার মোহাম্মদকে (৫০) গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইয়াহিয়া জানান, বৃহত্তর চট্টগ্রামে হুজির আধিপত্য বিস্তারের জন্য মুফতি ইজহারুল ইসলামের লালখান বাজার মাদ্রাসায় সাংগঠনিক অফিস খোলা হয়েছে। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি মাসে প্রয়াত কবি শামসুর রাহমানের প্রাণনাশের চেষ্টার অভিযোগে আটক হওয়া কয়েকজন জঙ্গি জানায়- তারা মুফতি ইজহারুল ইসলামের লালখান বাজার মাদ্রাসাতেই প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইংল্যান্ড পানামাকে ২-০ হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন
    Next Article সুস্থ অবস্থায় গ্রেপ্তারের একদিন পরই কারাগারে মিললো সাতকানিয়া যুবলীগ নেতার মরদেহ
    JoyBangla Editor

    Related Posts

     “নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি সত্ত্বেও অনড় অবস্থান” – সিএনএন ও এপি

    August 8, 2026

    দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বক্তব্যের  সারসংক্ষেপ

    August 7, 2026

    আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করল শেখ হাসিনার নয়াদিল্লির সংবাদ সম্মেলন: বিশ্বব্যাপী বিপুল কভারেজ

    August 7, 2026

    আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী

    August 7, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন

    August 8, 2026

    আমীর মোহাম্মদের বাউল গানের আসরে বিপুল শ্রোতা, লন্ডনে বিরল উপস্থাপনা

    August 7, 2026

    দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বক্তব্যের  সারসংক্ষেপ

    August 7, 2026

    দিল্লিতে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনে নওফেল: “বিভেদ নয়, ঐক্যের পথে বাংলাদেশ”

    August 6, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Education [ শিক্ষা ]

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

    By JoyBangla EditorAugust 9, 20260

    চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল ১০ আগস্ট প্রকাশ করা…

    সিলেটের সড়কে নিরাপত্তা চাই: দুর্ঘটনাকে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না

    August 9, 2026

    গ্রিস উপকূলে দুই দিনে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি

    August 9, 2026

    প্রাথমিকের কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে ‘সায়েন্স টয়’

    August 9, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন

    August 8, 2026

    আমীর মোহাম্মদের বাউল গানের আসরে বিপুল শ্রোতা, লন্ডনে বিরল উপস্থাপনা

    August 7, 2026

    দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত শেখ হাসিনার বক্তব্যের  সারসংক্ষেপ

    August 7, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.