আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সিলেটের পাঁচ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের আবেদন জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবি সদর দপ্তরে পাঠানো চিঠিতে এ আবেদন জানানোর তথ্য দিয়েছেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বলেন, “বিজিবি মোতায়েন চেয়ে ঢাকায় আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও পরদিন শুক্রবারের জন্য বিজিবি চাওয়া হয়েছে।”
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সিলেটের গোলাপগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পদযাত্রা করবে এনসিপি।
সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, “সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাতের বেলা কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।”
পদযাত্রা উপলক্ষে বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এসে দলটির সিলেট জেলার আহ্বায়ক মো. জুনেদ আহমদ বলেন, “বৃহস্পতি ও শুক্রবারের পদযাত্রায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর দায় প্রশাসন ও সরকারকে নিতে হবে।”
উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জে এনসিপির সভায় পাটোওয়ারী, সারজিসহ বক্তারা নানা উসকানিমূলক বক্তব্য দিলে সভার শেষে বেধড়ক পিটিয়েছে ক্ষুদ্ধ জনতা। এলোপাতাড়ি মারের পর পাটোওয়ারী আশ্রয় নেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এব্ং সারজিস আশ্রয় নেন সার্কিট হাউসে। পরের দিন আবার এনসিপি নেতারা হবিগঞ্জে যেতে চাইলে রাস্তায় পুলিশ আটকে দেয়, বালির ট্রাকের ব্যরিকেটসহ নানা উপদ্রবে এনসিপির পদযাত্রা আটকে যায়। এসময় এনসিপির নারী এমপি ডা. মাহমুদা মিতু হেনস্থায় পড়েন।
