Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    ৭ নভেম্বর “মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস” স্মরণে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদন

    November 7, 2026

    বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’

    November 7, 2026

    শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা?

    November 7, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » সাবের হোসেন ও সার্জিও গোরের ‘বৈঠক’ সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে
    Politics

    সাবের হোসেন ও সার্জিও গোরের ‘বৈঠক’ সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorAugust 3, 2026No Comments7 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    আদিত্য কবির

    দেশের রাজনীতিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের প্রথম ইঙ্গিত এসেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে। পরে মূলধারার গণমাধ্যম অনুসন্ধান চালিয়ে সেই তথ্যের সত্যতা যাচাই করেছে। আবার এমন ঘটনাও কম নয়, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়া কোনো দাবি শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণ হয়নি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সংবাদের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি হচ্ছে—তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া, কিন্তু যাচাই ছাড়া সত্য হিসেবে উপস্থাপন না করা।

    যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের তিন দিনের ঢাকা সফরকে ঘিরে ঠিক এমনই একটি আলোচনার জন্ম হয়েছে। সফরের দ্বিতীয় দিন গত শুক্রবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও সাবেক পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে তার একটি ‘গোপন’ বৈঠক হয়েছে বলে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    শুধু আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক নন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক নেতা, দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করা কয়েক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক ভাষ্যকারও নিজেদের সামাজিক মাধ্যমে এমন বৈঠকের কথা উল্লেখ করেছেন। তাদের অনেকেই অতীতে এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা পরে মূলধারার সংবাদমাধ্যমে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে বিষয়টি রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি কূটনৈতিক অঙ্গনেও কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

    একাধিক সূত্র সুখবর ডটকমকে জানিয়েছে, শুক্রবার রাজধানীতে সার্জিও গোর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে বৈঠকটি কোথায় হয়েছে, কতক্ষণ স্থায়ী হয়েছে কিংবা সেখানে আর কারা উপস্থিত ছিলেন—এসব বিষয়ে সূত্রগুলো বিস্তারিত জানাতে রাজি হয়নি। নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণ দেখিয়ে তারা পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    সুখবর ডটকমের পক্ষ থেকে একাধিক উপায়ে সাবের হোসেন চৌধুরীর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ফোন, খুদে বার্তা এবং তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের মাধ্যমেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে সার্জিও গোর তার ঢাকা সফরের বিভিন্ন বৈঠকের তথ্য নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেছেন। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসও ফেসবুক পেজ ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছে। কিন্তু কোথাও সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো বৈঠকের উল্লেখ নেই।

    তবে এটিও উল্লেখযোগ্য যে, সফর চলাকালে ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সার্জিও গোরের বৈঠকের কথাও গোরের এক্স অ্যাকাউন্ট বা মার্কিন দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক প্রচারে উল্লেখ করা হয়নি। পরে কূটনৈতিক সূত্রে সেই বৈঠকের তথ্য জানা গেলেও আলোচনার বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। ফলে কোনো বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হওয়ার অর্থ এই নয় যে সেটি হয়নি; আবার একই সঙ্গে কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবির ভিত্তিতে কোনো বৈঠক নিশ্চিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তেও পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

    সাবের হোসেন চৌধুরীকে ঘিরে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হওয়ার পেছনেও রাজনৈতিক একটি প্রেক্ষাপট রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারালে দলটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও পুনর্গঠন নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) এবং বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছিলেন, ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

    তার পোস্টে সাবের হোসেন চৌধুরী, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের নাম উল্লেখ করা হয়। হাসনাত দাবি করেছিলেন, এটি ভারতের একটি পরিকল্পনা।

    হাসনাত আবদুল্লাহর সেই বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়। তবে অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রামাণ্য দলিল বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য কখনো প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও প্রকাশ্যে এমন কোনো উদ্যোগের কথা স্বীকার করেননি। এরপর ধীরে ধীরে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ বিতর্কটি আলোচনার কেন্দ্র থেকে সরে যায়।

    বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও ভারতভিত্তিক কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। এবার আলোচনার মূল সুর ছিল ভিন্ন। সেখানে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ সমর্থন ছাড়া আওয়ামী লীগের বিকল্প কোনো নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা সফল হয়নি এবং দলটি শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনাকেই কেন্দ্র করে রাজনৈতিক কর্মকৌশল নির্ধারণ করছে। যদিও এসব দাবিরও স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

    আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও কর্মীর সঙ্গে কথা বলে সুখবর ডটকম জেনেছে, বর্তমানে সাবের হোসেন চৌধুরীকে দলটির মূলধারার নেতাদের একজন হিসেবেই দেখা হয়। দলীয় পর্যায়ে তার সঙ্গে শেখ হাসিনার যোগাযোগ রয়েছে বলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন যে দাবিটি সবচেয়ে বেশি প্রচার করা হচ্ছে, তা হলো—সার্জিও গোর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর সম্ভাব্য বৈঠকে শেখ হাসিনার ভারত থেকে দেশে ফেরা, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং দলীয় কর্মকাণ্ডের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো নথি, অডিও, ভিডিও কিংবা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য সামনে আসেনি। যারা এ ধরনের তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন, তাদের অনেকেই সূত্রের কথা বললেও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ করেননি।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে দুটি বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রথমত, দেশের রাজনীতিতে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ নতুন কিছু নয়। দ্বিতীয়ত, অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের অস্তিত্ব থাকলেও তার আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য কেবল গুঞ্জন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র, নথি অথবা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য। আর সেই কারণেই সার্জিও গোর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে তৈরি হওয়া কৌতূহল যেমন অস্বাভাবিক নয়, তেমনি সেটিকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়াও এখনই সম্ভব নয়।

    সার্জিও গোরের ঢাকা সফরের আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচিতে ছিল বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, রোহিঙ্গা সংকট এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা। সফরের শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যও করেন। কিন্তু সফরের আনুষ্ঠানিক বার্তার পাশাপাশি কয়েকটি অনানুষ্ঠানিক ঘটনাই শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে বেশি আলোচনার জন্ম দেয়।

    এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সার্জিও গোরের বৈঠক। বৈঠকটি পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে ছিল না। পরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কূটনৈতিক সূত্র সুখবর ডটকমকে জানায়, এটি ছিল একটি ইতিবাচক বৈঠক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সেই বিষয়গুলো কী ছিল, সে সম্পর্কে কোনো পক্ষই বিস্তারিত জানায়নি।

    ঘটনাটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে এর কয়েক ঘণ্টা পর দীনেশ ত্রিবেদীর আকস্মিক দিল্লি সফর। ভারতীয় হাইকমিশনের একটি সূত্র সুখবর ডটকমকে জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে তিনি ইন্ডিগোর একটি নিয়মিত ফ্লাইটে দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন এবং পরদিনই আবার ঢাকায় ফিরে আসেন। এত স্বল্প সময়ের সফরের কারণ সম্পর্কে ভারত সরকার বা হাইকমিশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়েও সার্জিও গোর–দীনেশ ত্রিবেদী বৈঠকের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ সরকারও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেনি। ফলে বৈঠকটি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা সামনে এলেও সেগুলোর কোনোটিই এখন পর্যন্ত সরকারি তথ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত নয়।

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চপর্যায়ের সফরে সব বৈঠক বা সব আলোচনার বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় না। নিরাপত্তা, কৌশলগত সংবেদনশীলতা কিংবা আলোচনার প্রকৃতির কারণে অনেক বিষয় নীরব কূটনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের আগ্রহ বেড়েছে। বঙ্গোপসাগর, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, রোহিঙ্গা সংকট, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক সরবরাহ ব্যবস্থা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো—সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন বড় শক্তিগুলোর কৌশলগত হিসাবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    গণমাধ্যম গবেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে সাংবাদিকদের জন্য একটি ‘টিপ-অফ’ বা প্রাথমিক সূত্র হিসেবে দেখা যেতে পারে; কিন্তু সেটি কখনোই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। একটি তথ্য সংবাদে পরিণত হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য, একাধিক স্বাধীন সূত্র, নথিপত্র এবং ঘটনার বাস্তবতা মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ কারণেই বিশ্বজুড়ে পেশাদার সংবাদমাধ্যমগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান করে, কিন্তু যাচাইয়ের আগে সত্য হিসেবে উপস্থাপন করে না।

    সার্জিও গোর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর সম্ভাব্য বৈঠকের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য। একদিকে একাধিক সূত্র সুখবর ডটকমকে এমন বৈঠকের কথা জানিয়েছে, অন্যদিকে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষের কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি। ফলে বিষয়টি যেমন উপেক্ষা করার মতো নয়, তেমনি নিশ্চিত ঘটনা হিসেবেও উপস্থাপন করার সুযোগ নেই।

    এ মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, সার্জিও গোরের ঢাকা সফর ছিল কূটনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তার সফরে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে তার বৈঠকও হয়েছে, যদিও সেটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে ছিল না। একই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবের হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে এবং একাধিক সূত্র সুখবর ডটকমকে এমন বৈঠকের তথ্য দিয়েছে। কিন্তু বৈঠকের বিষয়বস্তু কিংবা সেখানে কী আলোচনা হয়েছে—সে সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ, শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং বড় শক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক অবস্থান—এসব বিষয় স্বাভাবিকভাবেই জনআগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ফলে এ ধরনের যেকোনো তথ্য দ্রুত আলোচনার জন্ম দেবে, সেটিও স্বাভাবিক। কিন্তু সেই আলোচনাকে তথ্যসমৃদ্ধ ও বিভ্রান্তিমুক্ত রাখা গণমাধ্যমের দায়িত্ব।

    সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবেই এই প্রতিবেদনে নিশ্চিত তথ্য, সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্য এবং এখনো অযাচাইকৃত দাবির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ এ বিষয়ে বক্তব্য দেয় অথবা নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ্যে আসে, তাহলে সার্জিও গোর ও সাবের হোসেন চৌধুরীর সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে তৈরি হওয়া এই কৌতূহলের আরও সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যেতে পারে। ততদিন পর্যন্ত বিষয়টি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অনুসন্ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হিসেবেই বিবেচিত হবে।

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবন্ধ হলো এস আলমের ১১টি কারখানা: রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি ১০ হাজার শ্রমিক পরিবার
    Next Article এফসিসি সভাপতি: গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার কথা বলায় ভারতের কোনো বাধা নেই
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’

    November 7, 2026

    স্কুল থেকে বহিস্কার: কণ্ঠে ছিল জয় বাংলা, অপরাধ ছিল দেশপ্রেম

    November 6, 2026

    ৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত দলের ২০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে: শেখ হাসিনা

    November 6, 2026

    জামাতের সঙ্গে গাটঁছড়ায় এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

    November 6, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’

    November 7, 2026

    স্কুল থেকে বহিস্কার: কণ্ঠে ছিল জয় বাংলা, অপরাধ ছিল দেশপ্রেম

    November 6, 2026

    কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, ‘জয় বাংলা’ ও জাতীয় চার নেতার নাম বাদ

    November 6, 2026

    জিয়া থেকে ইউনূস ও তারেক—সকলের একই পদাঙ্ক অনুসরণ: আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর পৈশাচিক নিধনযজ্ঞ!

    November 5, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Uncategorized

    ৭ নভেম্বর “মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস” স্মরণে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা নিবেদন

    By JoyBangla EditorNovember 7, 20260

    ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কময় এবং সৈনিক ও অফিসার হত্যার নামে মূলত…

    বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’

    November 7, 2026

    শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা?

    November 7, 2026

    পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা

    November 7, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’

    November 7, 2026

    স্কুল থেকে বহিস্কার: কণ্ঠে ছিল জয় বাংলা, অপরাধ ছিল দেশপ্রেম

    November 6, 2026

    কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, ‘জয় বাংলা’ ও জাতীয় চার নেতার নাম বাদ

    November 6, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.