দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ধ্বংসের এই অমানবিক ব্যর্থতার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে..
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা মেয়াদে বাংলাদেশ যখন শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছিল, ঠিক তখনই ক্ষমতার পটপরিবর্তন বা রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে দেশজুড়ে আবার শুরু হয়েছে বিদ্যুতের হাহাকার ও গ্যাস সংকট।
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কেপিআই (KPI) কেপিআইভুক্ত জাতীয় স্থাপনায় দিনে ১০ থেকে ১২ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার খবর অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।
পিডিবির জরুরি ফিডার থাকা সত্ত্বেও বিমানবন্দরে বিদ্যুৎ সচল রাখা যাচ্ছে না। জেনারেটর চালু হতে সময় লাগায় রানওয়ে এবং টার্মিনাল প্রাঙ্গণে নেমে আসছে ভুতুড়ে অন্ধকার।
রাতের আঁধারে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদ্যুৎ চলে যাওয়া কেবল যাত্রীদের ভোগান্তিই নয়, এটি বিমান ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শত শত দেশি-বিদেশি যাত্রীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ছে, যা যে কোনো সময় বড় ধরনের প্লেন ক্র্যাশের মতো বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
বিএনপি-জামায়াতের বিগত শাসন আমলেও দেশবাসী দেখেছে কীভাবে অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারণে মেগা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো অচল হয়েছিল এবং দেশকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকার লোডশেডিংয়ের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতার অপব্যবহার ও সুশাসনের অভাবে আজ আবারও জাতীয় গ্রিডের একই দশা।
