রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের গণ নৃশংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ নয়—এটি দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিশ্চিহ্ন করার গভীর রাজনৈতিক চক্রান্তেরই বহির্প্রকাশ। ইতিহাস সাক্ষী, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের ভয়াল শাসনামলে বিএনপি-জামায়াত জোট যেভাবে সারা দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হত্যা, ঘরবাড়ি দখল এবং নির্যাতন চালিয়েছিল, আজকের চিত্র তার থেকে বিন্দুমাত্র আলাদা নয়।
যখনই ধর্মভিত্তিক ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী রাজনৈতিক সুযোগ পায়, তখনই সংখ্যালঘু পরিবারগুলো বলির পাঠা হয়। গণপতি চক্রবর্তীর রক্তে ভেজা বাড়ি আজ প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা বিধান করতে প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। সংখ্যালঘুদের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বিএনপি-জামায়াতের তোষণ ও ক্ষমতার লিপ্সার মূল্য আজ জীবন দিয়ে দিতে হচ্ছে এদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে।
২০০১-২০০৬ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত—ইতিহাস বদলায়নি! রংপুরে প্রবীণ শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পুরো পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক চক্রান্তের কাছে সংখ্যালঘুদের জীবন আজ কতটা মূল্যহীন।
রংপুরের এই নৃশংস পারিবারিক হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটা ভঙ্গুর। রংপুরে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানসহ পুরো পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় স্পষ্ট—দেশে সাধারণ মানুষ ও সংখ্যালঘুদের জীবনের কোনো মূল্য নেই। এই ভয়াবহ শাসনের অবসান করতেই হবে।
