‘৭১/’২৪ একই সূত্রে গাঁথা! তখনও হিন্দু শূন্য করার খেলা, এখনও একই খেলা! তালাবদ্ধ বাড়িতে ৪টা লা-শ! আর খোলা আকাশের নিচে তালাবদ্ধ হয়ে আছে পুরো রাষ্ট্রের বিবেক!
সংবিধানে নাকি সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব! বাস্তবে – শিক্ষক তার ঘরেই নিরাপদ না, ছাত্র নিরাপদ না, শিশু নিরাপদ না। দীপু দাসকে গাছে ঝুলিয়ে পোড়ানো থেকে রংপুরে শিক্ষক পরিবারকে ঘরে মেরে ফেলা – স্ক্রিপ্ট একই।
ডলার খাওয়া সুশীলদের চোখে ছানি পড়ছে! ঐতিহাসিক বন্ধু ভারত গভীর ধ্যানে, আর আমরা বাঙালি সংস্কৃতির শ্মশানযাত্রা দেখছি!
যখনই রাজনীতির ফ্লপ সিজন আসে, তখনই হিন্দুর লাশ দিয়ে হিট সিনেমা বানায় জমাত/বিএনপি! লুটপাট, অরাজকতা, আর তারপর তৌহিদী জনতার নামে সব জায়েজ।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস এখনো মিথ্যা মামলায় জেলে, আর গণপতি বাবুরা ওপারে চলে গিয়ে আমাদের পতন দেখছেন।
সনাতন শূন্য বাংলাদেশ চান?
তাহলে রেডি থাকুন – মানবাধিকার শূন্য হবে, মেধা শূন্য হবে, সংস্কৃতি শূন্য হবে, আর শেষে দেশটাই উগ্রবাদের আখড়া হবে। এই ৪টা লাশ শুধু একটা পরিবারের না, এটা পুরো বাংলাদেশের ভবিষ্যতের লাশ।
রংপুরের শিক্ষক দম্পতির কাছে ক্ষমা চাওয়া মানে ধৃষ্টতা! আপনারা ওপারে ভালো থাকুন, আমরা এপারে আমাদের লজ্জা নিয়ে বাঁচি।
