এটাই আসল ফ্যাসিবাদ। ভিন্নমতের কাউকে রাজনীতি করতে দেবে না। শক্তি প্রয়োগ করে নিশ্চিহ্ন করবে। সাংবাদিক, পেশাজীবি, বুদ্ধিজীবী… কাউকে স্বাধীনভাবে অবস্থান নিতে দেবে না।
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা কেন করেছিল সবাই জানেন৷ বিরোধী দল, তথা ভিন্নমত নিশ্চিহ্ন করার জন্য। হত্যার বিচারও হতে দেবে না। অপরাধীর বদলে শৈবাল সাহা পার্থ কিংবা জজ মিয়া ধরবে। যাকে বলে বর্বরতাপূর্ন ফ্যাসিবাদ।
আজ ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্যকে ধরেছে। তিনি ছাত্র বয়স থেকে জাসদের রাজনীতির সাথে যুক্ত, বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এটা অপরাধ নয়, এটা তার অধিকার। বাংলাদেশ বিরোধী কিংবা বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরোধী রাজনীতি না হলে সবার এদেশে রাজনীতি করার অধিকার আছে।
নাগরিক হিসেবে নিজের রাজনৈতিক অধিকার থেকে তিনি জাসদের সম্মেলনে গিয়েছিলেন। সম্মেলনে হামলা করা হয়েছে। হামলাকারীদের পুলিশ বাধা দেয়নি, গ্রেপ্তার করেনি। জাসদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে প্রায় চারশো নেতাকর্মীকে আটক করেছে। অথচ দলটি সম্মেলনের জন্য লিখিত অনুমতি নিয়েছিল। বৈধ রাজনীতি। তবুও তাদের রাজনীতি করতে দেবে না। সরকারের ব্যর্থতা ও অপকর্মের বিরোধিতা করতে দেবে না।
তার চেয়ে মারাত্মক হলো সাংবাদিকতাকে হত্যা। মিডিয়াকে এই প্রোগ্রামের সত্য তথ্য প্রকাশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। মিডিয়া-দখলদার জামাত ও বিএনপির কর্মচারীরা সাংবাদিকতার বদলে যাচ্ছেতাই মনগড়া গল্প প্রচার করছে।
একেই বলে সামগ্রিক ফ্যাসিবাদ। ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দরকার এবং তা অনিবার্য। (সংগৃহীত)
