‘তরুণ সাংবাদিকদের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিবেদন তৈরিতে দক্ষতা বৃদ্ধি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
অনলাইনে নিবন্ধন আহ্বান করার পর ব্যাপক সাড়া পড়ে। আবেদন করেন ১০৫ জন। এর মধ্য থেকে ২৫ জনকে নিয়ে প্রথম পর্যায়ের আয়োজন ছিল গতকাল বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬।
শুরুতে বজলুর রহমান স্মৃতিপদকপ্রাপ্ত গবেষক সদ্য প্রয়াত ড. খাইরুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তাকে নিয়ে মূল্যায়ন ও স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন তার সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পাওয়া গবেষক ও কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামান। প্রচার করা হয় তার ধারণকৃত বক্তব্য।
এরপর ছিল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রবর্তিত ‘বজলুর রহমান স্মৃতিপদক’ পাওয়া ৪ সাংবাদিক আজিজুল পারভেজ, ইশতিয়াক আহমাদ, পার্থ সঞ্জয় ও সোমা ইসলামের প্যানেল ডিসকাশন।
তারপর, আর্কাইভ ও গ্রন্থাগার বিভাগের সত্যজিৎ রায় মজুমদার, মন্টু বাবু সরকার ও ড. রেজিনা বেগম তুলে ধরেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নানা সংগ্রহ– যেখান লুকিয়ে আছে অসংখ্য প্রতিবেদন তৈরির প্রাথমিক সূত্র।
মধ্যহ্নের আগে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ও সদস্য সচিব মফিদুল হক।
প্রশিক্ষণ পর্ব শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি ত্রপা মজুমদারের সাংবাদিকতার মৌলিক দিকগুলোর উপস্থাপনা দিয়ে।
দেশ রূপান্তর সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি আলোচনায় উঠে আসে সংবাদমূল্য, তথ্য যাচাই, সম্পাদনার কৌশলসহ প্রতিবেদন তৈরির নানা বিষয়-আসয়।
গবেষক ও সাংবাদিক আফসান চৌধুরী কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাংবাদিকতায় বিষয় নির্বাচন ও গবেষণা নিয়ে।
প্রশিক্ষণ পর্ব শেষ সেশনটি ছিল সিরাজুল ইসলাম আবেদের- মুক্তিযুদ্ধের মাঠ সাংবাদিকতা: মানুষের গল্প, প্রামাণ্য ফিচার ও দৃশ্যভাষ্য নিয়ে। সবশেষে চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেন সনদপত্র।
এই আয়োজনে সহযোগিতা দিয়েছে বজলুর রহমান স্মৃতি পুরস্কারপ্রাপ্তদের নেটওয়ার্ক।।
