সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
।। সৈয়দ হিলাল সাইফ ।। হেই!!বঙ্গবন্ধুর নামের পরেদ্বিতীয় কার নামপ্রশ্নটা ঠিক বাংলাদেশেতাঁর পরে কার দাম? বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টাসহজে বলে দিই…উত্তর হলো শেখ মুজিবেরআগে-পরে কেউ নেই। স্বাধীনতার মহান নায়কশেখ মুজিবুর একশুরু থেকে দশ পর্যন্ততাঁর নাম শুধু লেখ। এগার-বারো নম্বর ফেলেবাকি যত নাম লেখোমুক্তিযুদ্ধে ওতপ্রোত নামলক্ষ-কোটিতে মেখো। জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলেকোটি থেকে ফের একবলবে সবাই ‘জয় বাংলা’জাতির জনক শেখ।
।। হামিদ মোহাম্মদ ।। ভায়েরা আমার, আমি জানি তোমরা আমার অপেক্ষায় অধীর হয়ে আছো।কেউ বলছে আমি টুঙ্গিপাড়ায় শুয়ে আছি, কেউ বলে আমি মৃত শেখ মুজিবকিভাবে আসবে আবার,জাতির উদ্দেশে কিভাবে ভাষণ দেবো আমি!তোমাদের চোখে আমি মৃত শেখ মুজিব,টুঙ্গিপাড়ায় শায়িত। সব-ই সত্য, ধ্রুব সত্য। কিন্তু সত্য নয়— আমি নেই। আমি আছি. . .।আমি নেই—সত্য নয়,সত্য নয়— বাংলার মানুষ শেখ মুজিবকে চেনে না,শেখ মুজিব নামে কেউ ছিলো নাকেউ এমন অকাট্য মিথ্যা কথা বলবে না,বলতে পারে না। আমি আছি. . .। ভায়েরা আমার,বাংলার মানুষ যুদ্ধ করে পাকিস্তানি হানাদারদের পরাস্ত করেছে ,শত্রুরাপরাজিত হয়েছে সত্য,কিন্তু ওরা, ওদের প্রেতাত্মারা ঘাপটি মেরে আছে, ছোবল মারবে সুযোগ পেলেই।আমি তাও…
।।ইমতিয়াজ মাহমুদ।। “বিস্ময়কর মুগ্ধতায় আমি এই সংখ্যাটির দিকে তাকিয়ে থাকি- ৩২ বা বত্রিশ নম্বর। বুনো অশ্বের চামড়ায় তৈরি কলম রাখার ছোট বাক্সটি থেকে প্রিয় ওয়াটারম্যানটা বের করে সাদা কাগজে বত্রিশ লিখে দেখি, এটা কি কেবলই একটা সংখ্যা! একত্রিশ আর তেত্রিশের মাঝখানে বসে থাকা অর্থহীন অংক? না। ভীত সন্ত্রস্ত একদল তস্করের চেহারা দেখি আমি, হাসি আসে। নোংরা অন্তর আতঙ্কে নীল হয় বত্রিশ উচ্চারণে। আমাদের দেশের নোংরা ময়লা মন্দ মানুষগুলি যুগ যুগ ধরে ভয় পেয়েছে বত্রিশকে। এর আগে এক জেনারেল ক্ষমতা দখল করেছিল- বত্রিশ দেখলেই ওর কলজে শুকিয়ে যেতো। ওরা গোটা ধানমন্দির সকল নাম্বার পাল্টে দিয়েছে। সেই থেকে সরকারী খাতায় এখন আর…
।। মাহবুব জামান।। ১৪ আগস্ট ১৯৭৫। সন্ধ্যা৬:৫০ মিনিট। আজ থেকে ঠিক পঞ্চাশ বছর আগে। আমি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আব্দুল মতিন চৌধুরী গণভবনে গিয়েছি বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য।পরের দিন ১৫ আগস্ট। বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন। প্রস্তুতির সর্বশেষ অবস্থা জানানোর জন্যই আমাদের আসা।গাড়িতে আমরা কি কি বিষয়ে আলোচনা করবো সেগুলোও ঠিক করেছি। ঐ দিন সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কিছু অস্বাভাবিক ও অস্বস্তিকর ঘটনা ঘটে। সকালে উঠেই শুনি সামসুন্নাহার হলের সামনে রাস্তায় একটি পাকিস্তানি পতাকা উড়ানো দেখা যাচ্ছে। ঐদিন পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ছিল। এর কিছুক্ষণ পরই বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরীর সামনে দুইটা পটকা বিস্ফোরণ হয়। তার কিছুক্ষণ পর খবর পাওয়া যায় সায়েন্স…
শোক কখনো শুধু কান্নায় শেষ হয় না শোকের আগুনে গড়ে ওঠে সংগ্রামের ইস্পাত কঠিন মনোবল। ১৫ আগস্টের বেদনাবিধুর সকাল আমাদের কাঁদিয়েছে, কিন্তু সেই শোকই আজ আমাদের অনুপ্রেরণা, আমাদের লড়াইয়ের প্রেরণা। আমরা হারিয়েছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, কিন্তু হারাইনি তাঁর স্বপ্ন, হারাইনি তাঁর অদম্য চেতনা। বঙ্গবন্ধু ছিলেন শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি ছিলেন এ জাতির আত্মা, স্বাধীনতার নির্মাতা, রাজনীতির মহাকবি ও জীবনকবি। তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি পেয়েছে মুক্তির স্বপ্নের মানচিত্র, তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত “জয় বাংলা” মুক্তিকামী মানুষের হৃদয়ে জাগিয়েছে সাহসের ঝড়। তাঁর অদম্য সাহসে শোষণ ও বঞ্চনার শেকল ছিঁড়ে বাঙালি দাঁড়িয়েছিল নিজের পায়ে। আজ আবার সেই সময়ের মতোই, স্বাধীনতার শত্রুরা…
একটি নিরীহ নিষ্পাপ ফুলের তোড়া ,কতোটা ভয়ংকর শক্তিশালী! তার চেয়েও শক্তিশালী ৩২ নম্বর।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ভোর থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর ভেঙে দেওয়ার বাড়ির সামনে সড়কের দুই পাশে পুলিশের ব্যারিকেড দেখা যায়। বাড়ির সামনের সড়কে কোনো যানবাহন চলেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। সকাল থেকে সেখানে উৎসুক লোকজনকে ভিড় করতে দেখা গেছে। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর ভেঙে দেওয়া বাড়িতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া এক নারীকে ফেরত পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় ওই নারীর। রাজধানীর একটি এলাকার বাসিন্দা এই নারী নিজেকে আওয়ামী লীগের কর্মী পরিচয় দেন। ওই নারী…
৪শ টাকায় ফুল কিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মারধরের শিকার হন এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে রিকশাচালক বলে পরিচয় দেন। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এ ঘটনা ঘটে। ফুলের তোড়া নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গেলে উপস্থিত জনতার আক্রমণের শিকার হন ওই রিকশাচালক। তাকে দেখেই আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগ বলে চিৎকার করতে থাকে লোকজন। তাদের মধ্যে উপস্থিত এক ব্যক্তি ওই রিকশা চালকের হাত থেকে ফুলের তোড়া টেনে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। ফুলের তোড়ায় লেখা ছিল ‘১৫ আগস্ট জাতিয় শোক দিবস।’ কাঁদতে কাঁদতে রিকশাচালক বলছিলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি ভাই। আমি একটা ফুলের…
।। জয় বাংলা প্রতিবেদন।। বাংলদেশের ইতিহাসে মর্মান্তিক ঘটনা ১৫ আগস্ট। এদিনে লন্ডনের শহীদ আলতাব আলী পার্কে অনুষ্ঠিত হবে শোক সমাবেশ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবৃর রহমান এ দিন সপরিবারে শহীদ হন। কিছু বিভ্রান্ত সৈনিকের গুলিতে তিনি প্রাণ হারান। স্বাধীনতার শত্রু এবং দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। তাকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার এ ষড়যন্ত্রমূলক ঘটনার পরই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে পাল্টিয়ে দেওয়া হয়। পাক দালাল ও রাজাকারদের পুনর্বাসিত করা হয। বর্তমানেও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে দেশছাড়া করেছে সেই পুরোনো শকুনরা। জামায়াত-শিবির ও জঙ্গিদের দখলে বাংলাদেশ আবার ধুকছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ ধারণ করা মানুষ নির্যাতন ও হত্যার শিকার। বঙ্গবন্ধুভবন যেটি জাদুঘর হিসেবে সংরক্ষিত,…
।। মনজুরুল হক।। ‘রাজনৈতিক বোধহীন এনজিও ব্রেন আর ষোল বছরের বুভুক্ষু প্রতিশোধস্পৃহায় দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা বিএনপি নেতৃত্বের ব্রেনের কাছে সুস্থ রাজনৈতিক চিন্তা আশা করাটাই মূর্খতা। ◾️ বিএনপি কি মনে করে আজ ৩২ নম্বরে মামদোবাজী করতে গেল? আওয়ামী লীগ এসে শোক জানাতে পারলে তারা নৈতিকভাবে জয়ী হয়ে যাবে, সেই ভয়? দূরদর্শী প্রজ্ঞা থাকলে বুঝত; যেখানে লীগের সমর্থক দেখামাত্র গ্রেফতার, মামলা, জেল, জুলুম হচ্ছে, সেখানে লীগের সমর্থকরা বীরত্ব দেখাতে যাবে না। ◾️ এরা রাজনীতিটা সুস্থভাবে বুঝলে ৩২ নম্বরকে একটা সাদামাটা সরকারি বাড়ি হিসাবে দেখত। তাকে স্পেশাল পাহারা দিয়ে জিঘাংসা চরিতার্থ করার টুলস বানাত না। তা না করে শক্তি প্রদর্শন করে…