সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
মিয়ানমারের জান্তা-নিয়ন্ত্রিত সংবাদপত্র গ্লোবাল নিউ লাইট অফ মিয়ানমার (জিএনএলএম) সোমবার জানিয়েছে যে, মিয়ানমারের সামরিক শাসন রাশিয়ার সাথে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার “অপব্যবহার” এর বিরুদ্ধে “পারস্পরিক সুরক্ষা” চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ১৯ থেকে ২১ মে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক আইনি ফোরামে মিয়ানমার জান্তার অ্যাটর্নি জেনারেল এবং আইন বিষয়ক মন্ত্রী ড. থিদা ও-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এই সুরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এছাড়াও, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। রাশিয়া এবং মিয়ানমারের আইন বিশেষজ্ঞরা, যাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে, এই চুক্তির সাথে একটি আইনি সহযোগিতা কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা করেছেন। পশ্চিম আফ্রিকার…
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন যমুনায় আজ রোববার বিকেলে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর-এর পক্ষ থেকে ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে সেনা-হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ, সেখানে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নাম উপস্থিত এবং ড. ইউনূসের শপথ গ্রহণের বিষয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রেফারেন্স নিয়ে নানা গুঞ্জন ভেসে বেড়ালেও আজকের এই বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলা হয়েছে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে প্রধান বিচারপতির আলোচনা হয়েছে। তবুও হঠাৎ জরুরি বৈঠকের খবরে জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এদিকে বিকেলে আবারও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও…
বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে নোঙর করা একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ‘এমভি সেঁজুতি’ নামের বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজে ভোররাতে হানা দেয় একদল সশস্ত্র ডাকাত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত প্রায় ১৪ জনের একটি দল ফিশিং ট্রলারে করে এসে জাহাজে প্রবেশ করে। তারা জাহাজের সাতজন নাবিকের মধ্যে কয়েকজনকে মারধর করে এবং সবাইকে হাত-পা বেঁধে তিন ঘণ্টাব্যাপী লুটপাট চালায়। ডাকাতরা জাহাজের মূল্যবান যন্ত্রাংশ, ব্যবহৃত বিয়ারিং, জ্বালানি তেল, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে। জাহাজটির চিফ অফিসার মো. সিরাজুল হক বলেন, “ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে আমাদের বন্দী করে রাখে। আমরা প্রাণভয়ে কিছুই করতে পারিনি।…
বর্তমান অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বেসামরিক প্রশাসন এক ভয়াবহ দখলদারিত্বের শিকার হয়েছে। ইউনূস দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত চারজন প্রধান আমলা ক্যাবিনেট সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব মোঃ সিরাজ উদ্দিন মিয়া, জনপ্রশাসন সচিব মোখলেস উর রহমান এবং স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি এরা সবাই অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা। অথচ এই চারজনকেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ও দ্রুত পদোন্নতির মাধ্যমে প্রশাসনের শীর্ষস্থানে বসানো হয়েছে। এদের নিয়োগের মাধ্যমে ইউনূস পুরো বেসামরিক প্রশাসনকে নিজের অনুগত করে ফেলেছে। সেনাবাহিনী বা গোয়েন্দা সংস্থা কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে গেলেও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া তা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। অথচ এই চার আমলা মূলত ইউনূস সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। বিশ্বস্ত সূত্রে…
আন্দোলনরত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা ও নারকীয় মবসন্ত্রাসের পর তাদের আটকের প্রতিবাদে এবং সকলের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক আজ এক বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে অবৈধ দখলদার ইউনূস সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের দেশে অন্ধকারের কানাগলিতে জোনাকি হয়ে আলো জ্বালানোর চেষ্টারত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। গণতন্ত্র ও মানুষের মুক্তির আলো জ্বালতে গিয়ে নিভে গেছে অনেক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জীবন প্রদীপ। তার পরও তাঁরা অকুতোভয় ও নির্ভীক থেকে রাষ্ট্রের উপর জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা অবৈধ দখলদার ইউনূস গংদের বিরুদ্ধে…
।। মহিউদ্দিন মোহাম্মদ ।। “বলা হচ্ছে, বিএনপি ১/১১ ডেকে আনছে। খুব অদ্ভুত অভিযোগ। বরং— সরকারের ছলচাতুরি, জামাতের আস্ফালন, এনসিপির বাড়াবাড়ি, জঙ্গিবাদের আস্কারা, এগুলোই ১/১১ ডেকে আনছে। এবং এটাই সত্য। নিজের ব্যর্থতা আমরা খুঁজে দেখতে চাই না। সবসময় দুর্ঘটনার দায় রিকশার উপর চাপাতে চাই। বিএনপি কি রিকশা? কিছুদিন আগে বললো, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করলে দেশ বেহেশত হয়ে যাবে। কই, হচ্ছে না তো? আওয়ামী লীগের ভয় এখন আরও বেশি দেখানো হচ্ছে। নিষিদ্ধ করেও ঘুমোতে পারছে না। বিপ্লবীদের পতন হয় প্রতিশোধস্পৃহার কারণে। প্রতিশোধস্পৃহাই ছাত্রদের রাজনীতিক মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। বহু ঘটনা ঘটেছে, ১১ মাসে, যা অধ্যাপক ইউনূস ঘটতে দিয়েছেন। এগুলোর দায় কে নেবে? গতকালও…
।। মনজুরুল হক।। কার্যকারণ ছাড়া কোনও ঘটনা ঘটে না। আজকে যে ইউনূসগং এবং সেনাবাহনীর মুখোমুখি অবস্থান, এর পেছনে জিওপলিটিক্যাল কো-ইন্সিডেন্স আছে। ইউনূসগং শুরু থেকে ভারতবিরোধিতা করে খুঁচিয়ে আসছিল যেন ভারত এখানে নাক গলায়, কোনওভাবে ইনভেড করে। তাহলে তারা বিশ্বকে দেখাতে পারবে ‘উই আর ইন ডেঞ্জার’। দেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৯০ শতাংশ অ্যান্টি-ইন্ডিয়া মেন্টালিটির মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলে ‘দেশ রক্ষার লড়াই’-এ নামিয়ে দিয়ে দীর্ঘদিনের জন্য নির্বাচন ইস্যু মাটিচাপা দেওয়া যাবে। 🔘 প্যাহেলগাম সন্ত্রাসী হামলার পর ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ এবং তার ব্যাকফায়ারে পাকিস্তানের হাঁটুমুড়ে বসে পরাজয় স্বীকার করা দেখে এবং একইসঙ্গে ভারত চিকেনস নেক সংলগ্ন অঞ্চলজুড়ে ‘অপারেশন তিস্তা প্রহার’ চালু করায় ইউনূসগং হতাশ এবং…
গত ৯ মাসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে যে নাটকীয় এবং অস্বচ্ছ পরিবর্তন ঘটেছে, তা নিঃসন্দেহে ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়। গণতান্ত্রিক শাসন, জবাবদিহিতা, ও স্বচ্ছতার যে স্বপ্ন জাতি দেখেছিল, বাস্তবে তা রূপ নিয়েছে একটি সুপরিকল্পিত ‘দখল প্রক্রিয়ায়’। পর্দার আড়ালে কেউ কেউ রাষ্ট্রযন্ত্রের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন যার অন্যতম রূপকার ড. মুহাম্মদ ইউনুস। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক মহলে একাধিক নাম উচ্চারিত হচ্ছে আসিফ, মাহফুজ, নাহিদ, সারজিস, হাসনাত—যেন সকল অনিয়ম ও অশুভ পরিকল্পনার দায়ভার তাদের কাঁধেই বর্তায়। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো, এরা কেবল পুতুল মাত্র। আসল চালক, মূল দিকনির্দেশক আর সুবিধাভোগী ব্যক্তি হলেন ড. ইউনুস স্বয়ং। এই ৯ মাসে তিনি রাষ্ট্রের ভিতরে…
।। আলি শরিয়তি উবাচ।। ভূমিকাঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকে বাংলাদেশে জঙ্গি কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাদের কার্যক্রম বেড়েছে তা নয় রীতমত প্রকাশে জঙ্গিরা তাদের কাজ করে যাচ্ছে। কোথা্ও কোন বাধা পাচ্ছে না। ঠিক যেমন ২০০১ থেকে ২০০৫ এ আমরা যেমনটা দেখেছি। তখনও রাষ্ট্রিয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে, এখনও পেয়ে যাচ্ছে। একটা রাষ্ট্রে জঙ্গিবাদের আবাদ তখনই বাড়ে যখন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, আইনগত ও সামাজিক উপাদানগুলো জঙ্গিদের পক্ষে থাকে। আশঙ্কাজনক হলেও এটা বাস্তব যে বর্তমান সরকারের আমলে ওই চারটি উপাদানের প্রথম তিনটিই বিদ্যমান। এবং সামাজিকভাবেও তাদের প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে। হিযবুত-তাহরির, আনসার-আল-ইসলাম (যা আনসারুল্লাহ বাংলা টিম-এবিটি নামেও পরিচিত), হরকাতুল জিহাদ-আল ইসলামী বাংলাদেশ…
গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ঋণের সংকট দূর না হলে ঈদের পরে দেশের শিল্প কারখানা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের আহাজারি না শুনলে ঈদের পর কোরবানির পশুর সঙ্গে সঙ্গে হয়তো ফ্যাক্টরিও কোরবানি দিতে হবে।’ রোববার (২৫ মে) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমানে আমরা গ্যাস পাচ্ছি না, বিদ্যুৎও অনিয়মিত। তার ওপর ব্যাংকগুলোতে অর্থসংকট চলছে। অথচ আমাদের নির্ধারিত সময়েই শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করতে হচ্ছে, উচ্চ সুদের হারেও ঋণ শোধ করতে হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের শিল্প খাতে আমরাই…