সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তহীনতা, ঋণ পুনঃ তফসিলে ধীরগতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্তহীনতায় গত এক বছরে পাঁচ শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ও রুগ্ণ হয়েছে। ব্যাংকগুলো শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃ তফসিল করতে সম্মত হয়ে গভর্নরের সিদ্ধান্তের জন্য চিঠি পাঠিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের গড়িমসিতে শিল্প উদ্যোক্তারা কোনো সহযোগিতা পাননি। বরং অনেক ক্ষেত্রে অসহযোগিতা পেয়েছেন। অনেক ব্যবসায়ী গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেও কোনো ফল পাননি। এ অবস্থায় ধ্বংসের পথে রয়েছে পাঁচ শতাধিক শিল্প-কারখানা। অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতিতে খেলাপি হওয়া প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনঃ তফসিল প্রক্রিয়ায় ধীরগতির কারণে দেশের বহু শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুঁজি সংকটে পড়ে ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। নগদ অর্থের অভাবে অনেক কারখানা ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে, আবার অনেক প্রতিষ্ঠান অনিশ্চয়তায় ভুগছে। ফলে…
ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস মধ্যস্থতাকারীদের দেওয়া গাজার যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে বলে সোমবার এএফপিকে জানিয়েছেন হামাসের একটি সূত্র। সূত্রটি জানায়, ‘হামাস ও এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলো কোনো সংশোধন ছাড়াই নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে। প্রস্তাবের জবাব ইতিমধ্যেই মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’ আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আরেক ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, ‘মধ্যস্থতাকারীরা শিগগিরই চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা দেবেন ও নতুন করে আলোচনার তারিখ নির্ধারণ করবেন। চুক্তি বাস্তবায়নে মধ্যস্থতাকারীরা হামাসকে প্রয়োজনীয় নিশ্চয়তা দিয়েছেন ও স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’ তবে ইসরায়েলি সরকারের পক্ষ থেকে এ খবরের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি। কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিসরও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতায় জড়িত…
বলিউড আর ক্রিকেটের সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। এমনই এক সম্পর্কের গল্প ভারতীয় অফস্পিনার হরভজন সিং ও অভিনেত্রী গীতা বসরার। তাদের পরিচয় হয়েছিল সিনেমার মতোই নাটকীয়তায়। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ড সফরে এক বন্ধুর পার্টিতে প্রথমবার গীতার সঙ্গে দেখা হয় হরভজনের। তবে সম্পর্কের সূচনা হয় এক বছর পর, ২০০৮ সালে শ্রীলঙ্কা সফরের সময়। তখন ছিল মিসকলের যুগ। খরচ বাঁচাতে দু’জনের যোগাযোগ হতো মিসকল, ফোন বা মেসেজে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠ হতে থাকেন হরভজন ও গীতা। একবার লন্ডনে থাকা গীতাকে শ্রীলঙ্কা থেকে ফোন করে বসেছিলেন হরভজন। কয়েক ঘণ্টার সেই আলাপে বিল হয়েছিল প্রায় ২৭ হাজার রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৭ হাজার টাকার বেশি)। পরে…
দীর্ঘ ছয় বছর ধরে নিজের চুল খাওয়ার অদ্ভুত অভ্যাসে ভুগছিল এক কিশোরী। এর ফলে তার পাকস্থলিতে জমে ওঠে প্রায় ২ কেজি ওজনের বিশাল একটি ‘চুলের গোলা’। অবশেষে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সেটি অপসারণ করেন চিকিৎসকেরা। গত জুলাই মাসে চীনের হুবেই প্রদেশে এ বিরল ঘটনাটি ঘটে। রোববার (১৭ আগস্ট) সাউথ মর্নিং চায়না পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্য চীনের হেনান প্রদেশের ১৫ বছর বয়সি কিশোরী নিনি তার মায়ের সঙ্গে হুবেই প্রদেশের উহান শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়। তীব্র পেট ব্যথায় ভুগছিল নিনি, খেতে পারছিল না এবং শারীরিকভাবে ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম হুবেই ডেইলি জানিয়েছে, মেয়েটির অবস্থা ছিল…
চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশে এক ব্যক্তি এক অভিনব প্রতারণার শিকার হয়েছেন। স্থানীয় এক জিম থেকে ৮ লাখ ৭০ হাজারের বেশি ইউয়ান (প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার) ব্যয় করে তিনি কিনেছেন ৩০০ বছরের সদস্যপদ। শোনার পর মনে হতে পারে, মানুষ কি আদৌ ৩০০ বছর বাঁচে? তিনিও জানতেন, তা সম্ভব নয়। কিন্তু সহজে বিপুল অর্থ উপার্জনের লোভে পড়ে তিনি এই প্রতারণার ফাঁদে পা দেন। প্রতারিত ব্যক্তি, জিন, জানান—১০ মে থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে তিনি হাংঝোউ শহরের ‘রানইয়ান জিম’ থেকে প্রায় ১ হাজার ২০০টি ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণ সেশন এবং সদস্য কার্ড কিনেছেন, যার মোট মেয়াদ ধরা হয়েছে ৩০০ বছর। জানা গেছে, তিন বছর…
আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দেহরক্ষীরা একটি বিশেষ ‘টয়লেট স্যুটকেস’ বহন করেছিলেন বলে খবর প্রকাশ পেয়েছে। এনডিটিভি দ্য এক্সপ্রেস ইউএস–এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি শক্তিগুলো যেন পুতিনের দেহবর্জ্য সংগ্রহ করে তার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে না পারে, সে কারণে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিদেশ সফরে গেলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের ফেডারেল প্রোটেকশন সার্ভিস (এফপিএস)–এর সদস্যরা পুতিনের মলমূত্র বিশেষ ব্যাগে সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ব্রিফকেসে বহন করেন। ফ্রান্সের সাময়িকী প্যারিস ম্যাচ–এর অনুসন্ধানী সাংবাদিক রেজিস জেন্টে ও মিখাইল রুবিন জানিয়েছেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কয়েক বছর ধরে চালু রয়েছে। ২০১৭ সালের মে মাসে পুতিনের…
অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক অধ্যাপক আবুল বারকাতের অবিলম্বে জামিনে মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ১২২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। তাঁরা মানবিক বিবেচনায় তাঁকে অবিলম্বে জামিনে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আজ রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তাঁরা এই দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদ, শিক্ষক, গবেষক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল বারকাতকে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অধ্যাপক বারকাত গত প্রায় ৪০ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। বিবৃতিতে নাগরিকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা অধ্যাপক বারকাতের সরল-নির্মোহ প্রাত্যহিক জীবনযাপন দেখেছেন এবং তাঁর সম্পর্কে জানেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ…
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হওয়া রিকশাচালক আজিজুর রহমানকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার (১৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম. এ আজহারুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ জামিন মঞ্জুর করেন। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আর কোনো মামলা না থাকায় তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই। আজিজুর রহমানের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে জামিন দেন। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ফুল দিতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে গণপিটুনির শিকার হন রিকশাচালক আজিজুর। পরে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের…
।। আরিফ মঈনুদ্দিন।। আগামী বছর শেখ মুজিবের ভক্ত আরো বেশি দেখবেন৷ তখন জুতা মারা কর্মসূচি দিলে লোকজনরে আপনার পাশে পাবেন না। এর পরের বছর মুজিব ভক্ত আরো বাড়বে। তখন জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি দিলে লোকজন আপনারে নিয়ে হাসবে, আপনার চেনা-পরিচিত লোকজনই দেখবেন মুজিবভক্ত হয়ে গেছে। এরপরের বছর মুজিবভক্ত আরো বাড়বে, মুজিবভক্তের সাথে আপনার চায়ের দোকানে তর্ক করতে হবে। আপনি হেরে যাবেন। তখন আপনি জুতা মারা কর্মসূচি ডাকলে লোকজন আপনারেই জুতা মারবে। এটা আসলে মুজিবকে ভালোবাসার ব্যাপার না। এটা আওয়ামীলীগকে ফিরিয়ে আনতে চাওয়ার ব্যাপার। স্বাদে ফিরিয়ে আনতেছে এমনও না, নিরুপায় হয়ে ফিরিয়ে আনতে হচ্ছে। ৫ আগস্টের আগে দেশে আওয়ামীলীগ খুব কম ছিলো।…
সারা দেশে আজ শোকপ্রকাশ যেন এক গর্হিত অপরাধ। গত ১৫ আগস্ট, স্বাধীন বাংলাদেশের জাতির পিতার মর্মান্তিক মৃত্যুর বার্ষিকীতে যারা শোক প্রকাশ করেছিল তাদের সবাইকে তাড়িয়ে বেড়ানো হচ্ছে, মুখ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে এবং কারাগারের অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে। ইউনুসের ভয়াল থাবার নিচে আজ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো মাথা নত করে আছে। শিক্ষক, ছাত্র, ইমাম, নারী এমনকি রিক্সাওয়ালারাও আজ ইউনুসের অন্ধ আক্রোশের শিকার, তার প্রতিশোধের আগুনের অসহায় বলি। একদিন যা ছিল ঐক্য ও শোকের দিন, আজ তা পরিণত হয়েছে ভয়াল যুদ্ধক্ষেত্রে। স্মৃতিচারণের অধিকার হারিয়েছে রাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদিবস পালিত হয়েছে প্রার্থনা, দোয়া, আত্মপোলদ্ধি, দান-খয়রাতের মাধ্যমে। মসজিদ-মন্দির-চার্চ-প্যাগোডায় দোয়া- প্রার্থনা হতো, পাড়া…