সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ ১৮ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার। আজ সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পাঠানো এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে তিনজন ডিআইজি, ছয়জন অতিরিক্ত ডিআইজি, চারজন পুলিশ সুপার, চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও একজন সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১৮ জন কর্মকর্তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(গ) অনুযায়ী পলায়নের শাস্তিযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ায় বিধি ১২ উপবিধি (১) অনুযায়ী, তাদের নামের পাশে উল্লিখিত তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। বরখাস্ত হওয়া ১৮ জন হলেন- ডিএমপির…
দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে যে, ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে বঙ্ন প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের কোনো কর্মসূচি পালন করতে না দেওয়া হবে এবং করলে গ্রেফতার করা হবে মর্মে অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং ঘোষণা দিয়েছিল। আর এই খুনি-ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর অন্যায় ও অনৈতিক অবরোধের ফলে বঙ্গবন্ধুর প্রতি দেশের সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের এক অভূতপূর্ব বিস্ফোরণ ঘটে। যে যেভাবে পেরেছে সেভাবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। তন্মধ্যে নাম না জানা হুজুর, রিকশাওয়ালা ও অশীতিপর বৃদ্ধা সশরীরে ধানমন্ডির বত্রিশে এসেছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা কোনো রাজনৈতিক নীতি বা কর্মসূচির অংশ না, বরং একদমই…
গতকাল ১৫ আগস্ট, এই রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দিনে মানুষের ব্যক্তিগত শোক প্রকাশের পথও বন্ধ করে দিয়েছিল বর্তমান ইউনূস সরকার। রাজাকার-বান্ধব এই সরকারের যদি সামান্য দৃষ্টি থাকে, তবে বোঝা উচিত—মব বা পুলিশ দিয়ে কারো ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা কখনো রোধ করা যায় না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করলেই বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানানোর মানুষের অভাব হবে না। এত বাধা, এত অত্যাচারের মধ্যেও গতকাল ১৫ আগস্ট জনগণ তাদের শোক ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে। লুটপাট করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের আমি গণনার বাইরে রাখলাম। দেশের ভেতরে হাজার হাজার মানুষ সেই শোক প্রকাশ করেছে। আর তারা দেখেছে—গরিব মানুষের জন্য এই শোক দিবসে তৈরি করা…
।।আলমগীর শাহরিয়ার।। মবসম্রাট হাসনাত গতকাল বলেছেন, “গণঅভ্যুত্থানের পরে যাকে রাষ্ট্রপ্রধান (মূলত শব্দটা হবে সরকার প্রধান) বানানো হয়েছে উনি লন্ডনে গিয়ে সিজদা দিয়ে এসেছেন।” বলা বাহুল্য, এই সেজদা তারেক রহমান সমীপেষু। অথচ মুসলমানদের ধর্মবিশ্বাস বলছে, সেজদা কেবল একমাত্র আল্লাহকে দেওয়া যায়। এর বাইরে কাউকে সেজদা দেওয়া শিরক। শিরক ক্ষমাহীন। গতকাল শনিবার রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারে এনসিপি আয়োজিত এই আলোচনায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, লন্ডনকে কেবলা বানিয়ে সিজদা দিয়ে নির্বাচনের ওহি এনেছেন প্রধান উপদেষ্ট।” তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা লন্ডনকে কেবলা বানিয়ে সিজদা দিয়েছেন বা দিচ্ছেন, তাঁদের কেবলা পরিবর্তন করে জনগণের দিকে সিজদা দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।’ ব্যক্তিগত জীবনে ধর্ম কর্মে উদাসীন…
।। বাসব রায়।। মানুষের জীবনে আতঙ্ক বা ভয় একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। পারিপার্শ্বিকতার কারণে ছোটবেলা থেকেই ভূত-প্রেত, দেও-দৈত্য, রাক্ষস-খোক্কস প্রভৃতি শব্দ ও কল্পিত ভয়ংকর রূপ বা চেহারা অন্তরে গেঁথে যায় এবং সেখান থেকেই আতঙ্কের যাত্রা হয়েছে শুরু। একটু উনিশ-বিশ হলেই ভয় লাগে, বুক ধড়ফড় করে ওঠে। কখনো জানা আতঙ্ক আবার কখনো অজানা আতঙ্ক পেয়ে বসে মানব মনকে। জানা আতঙ্ক নিয়ে মোকাবিলা করা গেলেও অজানা-অচেনা আতঙ্ক নিয়ে মোকাবিলা করা খুবই কঠিন। পক্ষান্তরে জানা আতঙ্ক বলতেও আর তেমন কিছু নেই। কারণ, খুব পরিচিত লোকদের দ্বারাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় বেশি। বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আতঙ্ক একেবারে কাছাকাছি এসে শ্বাস ফেলে। মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির…
।।অরুণ কর্মকার।। অনেকেরই সংশয় ছিল। কারও কিছুটা হালকা, কারও আবার গভীর। কেউ কেউ শঙ্কিতও ছিলেন। দেশের পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তা নিয়ে। এদের সবার সেই সব সংশয় ও শঙ্কা এখন ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। ফলে দেশের শাসনব্যবস্থার গণতান্ত্রিক রূপান্তরকামী সাধারণ মানুষের জন্য তা হয়ে উঠেছে অশনিসংকেত। হ্যাঁ, এই কথাগুলো হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন নিয়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সেই নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছেন। সে ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে চিঠি পেয়ে নির্বাচন কমিশনও সেইভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই দিন তিনেক আগেও মালয়েশিয়া…
।। রাজিউল হাসান।। যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় গত শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঐতিহাসিক বৈঠক হয়েছে। পুরো বিশ্বের নজর ছিল সেদিকে। সাধারণত যেটা হয়, দুই দেশের নেতারা যখন মুখোমুখি হন, তখন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা বসেন হিসাবনিকাশে। তাঁরা বের করার চেষ্টা করেন, বৈঠক থেকে কে বেশি অর্জন করলেন, কে কম। সোজা কথায়, কে হারলেন আর কে জিতলেন, তা নির্ধারণের চেষ্টা করেন বিশেষজ্ঞরা। সে হিসাবে বলতে গেলে শুক্রবারের বৈঠকে ট্রাম্প হারেননি, তবে জিতেছেন পুতিন। কীভাবে? পুতিন প্রায় ১০ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রেখেছেন। তাঁর মাথায় ঝুলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। ইউক্রেন থেকে বেআইনিভাবে শিশুদের জোরপূর্বক রাশিয়ায়…
৫০ থেকে ৮০ বছর বয়সের যাঁরা দীর্ঘ সময় ধূমপান করেছেন, তাঁদের সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে ফুসফুসের ক্যানসার আগে শনাক্ত করা সম্ভব। যত আগে ক্যানসার ধরা পড়ে, চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ধূমপান শুধু ক্যানসার নয়, আরও অনেক রোগের কারণ। ধূমপানের কারণে সবচেয়ে বেশি হয় ফুসফুসের ক্যানসার। বিভিন্ন সূত্রে মানুষ তামাকের ক্ষতি সম্পর্কে জানে। কিন্তু ধূমপান ছাড়ার পর শরীরে কী ঘটে এবং ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি কতটা কমে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশে করা বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান শুধু ফুসফুসের ক্যানসারের জন্যই ক্ষতিকর নয়, এটি হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এটি ছাড়ার মাধ্যমে…
আগামীকাল নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নাট্যদল স্বপ্নদল ১৮ ও ১৯ আগস্ট জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে আয়োজন করেছে দুই দিনব্যাপী ‘নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন জন্মোৎসব ২০২৫’। উৎসবে প্রদর্শিত হবে স্বপ্নদলের দুটি নাটক ‘হরগজ’ ও ‘চিত্রাঙ্গদা’। এ ছাড়া থাকছে সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্মরণ-শোভাযাত্রা, তাঁর সমাধিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ, প্রতিকৃতিসহকারে শিল্পকলা চত্বর সজ্জা, নাট্যাচার্যের জীবন-কর্ম-দর্শন নিয়ে আলোচনা। সেলিম আল দীনকে নিয়ে স্বপ্নদলের নিয়মিত উৎসবের ৩২তম এই আসরের স্লোগান ‘সেলিম আল দীন-রবীন্দ্রনাথ মোদের শিল্পে রয়, বাঙলা নাট্যের জয়যাত্রা অনন্ত-অক্ষয়’। প্রথম দিন ১৮ আগস্ট সোমবার সকাল ১০টায় থাকছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরাতন কলাভবন থেকে নাট্যাচার্যের সমাধি অভিমুখে…
পুরুষদের ভালো স্বামী বানাতে সেনেগালে বিশেষ স্কুল শুরু করেছে জাতিসংঘ। ‘স্কুল ফর হাসবেন্ড’ নামের এই স্কুলে আক্ষরিক অর্থেই শেখানো হয় কীভাবে একজন পুরুষ ভালো স্বামী হতে পারেন। বিশেষ সেই স্কুল একদিন ঘুরে দেখেছে বার্তা সংস্থা এপি। সেদিন ইমাম ইব্রাহীম ডায়ান ক্লাসে পড়াচ্ছিলেন, কেন পুরুষদের গৃহস্থালি কাজে আরও বেশি সাহায্য করা উচিত। পঞ্চাষোর্ধ্ব ইব্রাহীম ডায়ান বলেন, ‘এমনকি নবীজি (সা.)ও বলেছেন, যে পুরুষ তার স্ত্রী-সন্তানকে কাজে সাহায্য করে না, সে “ভালো মুসলিম” নয়।’ পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশের মতো সেনেগালেও যেকোনো কিছুতে পুরুষের কথাই শেষ কথা। এমনকি পরিবার পরিকল্পনাসহ জীবন বদলে দেওয়ার মতো বড় বড় সিদ্ধান্তেও নারীদের কোনো মতামত নেওয়া হয় না। নারীর…