Author: JoyBangla Editor

।।আরিফুজ্জামান তুহিন ।। ১. ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের জন্য ভয়াবহ এক লোক। তার উদ্ভাবিত ক্ষুদ্র ঋণ গরিব মানুষের জন্য শুধু অভিশাপই নয়-গোটা গ্রাম ছারখার করে দিয়েছে। আমার একটা ছোট গবেষণা ছিল। সেখানে যা বেরিয়ে এসেছিল সেটা ভয়াবহ। সেখানে পাওয়া গেছে, কিস্তি নেবার ফলে ঋণ গ্রহিতা একটা দারিদ্রের দুষ্টচক্রের মধ্যে পড়েছে। সেই চক্র ভেদ করতে গিয়ে, আবারও অন্য এনজিওর কাছ থেকে ঋণ নিয়েছে। এভাবে একের পর এক এনজিওর ঋণে সে আবদ্ধ হয়েছে। যারা এই ঋণ শোধ করতে পারেনি তাদের কেউ কেউ এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। ঢাকায় আমি কয়েকজন গৃহপরিচারিকাকে চিনি যারা গ্রামে এনজিওর কিস্তি শোধ করতে চারটে বাড়িতে ১৫…

Read More

ধারাবাহিক মিথ্যাচারের কারণে নাগরিকদের হাস্যরসের বস্তুতে পরিণত হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইংয়। যার দ্বায়িতে রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। মঙ্গলবার (২০ মে) রাজধানীর যমুনা সরকারি বাসভবনে তিনি বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক হয় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। বৈঠকের আলোচনার মূল বিষয় ‘মানবিক করিডোর’ ইস্যু এবং মার্কিন দুই বাহিনীর বাংলাদেশ সফর হলেও ড. ইউনূসের প্রেস উইং থেকে জানানো হয় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হয়েছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধানদের সঙ্গে। যমুনায় হয়ে যাওয়া ওই বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার…

Read More

বাংলাদেশে বর্তমানে যে ‘গণমামলা’ ও ‘গণআসামি’ নামক ঘৃণ্য প্রক্রিয়া চলছে, তা কেবল আইন ব্যবস্থার অপব্যবহার নয়, এটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে—একই মামলায় শ’খানেক মানুষকে আসামি করে রাখার অদ্ভুত, অথচ পরিকল্পিত এক কৌশল, যেখানে আসামিরা হয়তো ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। অথচ তাদের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে তদন্ত, জারি হচ্ছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, চলে আসছে পুলিশি হয়রানি, আর নেপথ্যে গড়ে উঠছে এক অদৃশ্য চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে ইউনুস নামক ব্যক্তি, যিনি গণতন্ত্রের মুখোশ পরে এক ভয়ঙ্কর কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থাকে মজবুত করে চলেছেন। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে যিনি ক্ষমতার চূড়ায় বসেছেন, তিনি আজ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছেন নিজের নিরাপত্তার বলয়…

Read More

রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন এক গভীর ব্যাধি, যাহা উন্নয়নশীল দেশসমূহের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার মূলে কুঠারাঘাত করিতেছে। চরিত্র হনন বলিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো রাজনীতিকের মানসম্মান, খ্যাতি ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ণ করিবার প্রয়াস ও প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এই প্রক্রিয়াটি বিভিন্ন উপায়ে সম্পন্ন হইতে পারে। উন্নয়নশীল দেশসমূহে আজকাল এই প্রবণতা ভয়াবহ রূপ ধারণ করিয়াছে। মিথ্যা মামলা দায়ের, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আদালতে হয়রানি, সর্বব্যাপী অপপ্রচার এবং তথাকথিত ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ ইত্যাকার পদ্ধতিসমূহ ব্যবহার করিয়া রাজনীতিকদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করা হয়। প্রায়শই কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ব্যতিরেকেই সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রমণ ও কুৎসা রটনায় লিপ্ত হয়। এই সকল অপপ্রচারের প্রধান উদ্দেশ্য হইল সংশ্লিষ্ট রাজনীতিককে জনগণের চোখে হেয় প্রতিপন্ন…

Read More

দেশের বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নতুন স্মার্টফোন এনেছে স্যামসাং। ‘গ্যালাক্সি এ৫৬ ফাইভজি’ মডেলের স্মার্টফোনটিতে জেমিনি চ্যাটবটসহ ক্রিয়েট ফিল্টার, অবজেক্ট ইরেজার, ইন্টেলিজেন্ট ভিডিও এডিটিং–সুবিধা থাকায় সহজেই ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করা যায়। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্যামসাং বাংলাদেশ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৬.৭ ইঞ্চি এফএইচডি প্লাস পর্দার ফোনটিতে এক্সিনোজ ১৫৮০ মডেলের শক্তিশালী প্রসেসর রয়েছে। এর ফলে একসঙ্গে একাধিক কাজ দ্রুত করা যায়। ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিসহ ৪৫ ওয়াট ফাস্টচার্জ প্রযুক্তি থাকায় দ্রুত চার্জ করার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায় ফোনগুলো। ফলে ব্যাটারির চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। ফোনটির পেছনে ৫০,…

Read More

বাংলাদেশ বর্তমানে এক গভীর রাজনৈতিক সঙ্কটে। জনগণের ভোট ছাড়া একটি অবৈধ সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে রেখেছে। এর নেপথ্যে রয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস যিনি আন্তর্জাতিক লবির ছায়ায় থেকে দেশের রাজনীতি, প্রশাসন ও অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বে দেশে এক ধরনের ‘মব রাজনীতি’ চালু হয়েছে, যেখানে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নির্যাতিত, আটক এবং নিরস্ত করা হচ্ছে। দেশের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিচার নেই, অধিকার নেই, নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো জবাবদিহিতা নেই। এই অবস্থায় চুপ থাকা মানেই দেশকে আরো অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া। ড. ইউনুস ও তাঁর দোসররা দেশের স্বার্থবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের প্রতিহত করতে সর্বাত্মক গণজাগরণ ও…

Read More

সাবিনাদের ক্লাব পারো এফসি ভুটান নারী ফুটবল লিগে ২৮-০ গোলে সামস্তের বিপক্ষে জিতেছে। ২৮ গোলের মধ্যে বাংলাদেশের চার ফুটবলার সাবিনা খাতুন, মনিকা চাকমা, সুমাইয়া মাতসুসিমা ও ঋতুপর্ণা চাকমারই ২৫ টি। বাকি তিন গোল দুই ভুটানিজ সোনম চকি ও সোনম টিসমোর। বাংলাদেশের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন একাই করেছেন ৯ গোল। তার ট্রিপল হ্যাটট্রিকের দিনে মনিকা চাকমা করেছেন ৭ গোল। বাংলাদেশের অন্য দুই ফুটবলার সুমাইয়া ৫ ও ঋতুপর্ণা চাকমা ৪ গোল করেন। প্রথমার্ধে সাবিনাদের দল ১০ গোলে এগিয়ে ছিল। পরের অর্ধে আরো ১৮ গোল করেছেন সাবিনারা। সাবিনা-ঋতুদের প্রতিপক্ষ সামস্তে কোনো গোলই করতে পারেনি। বাংলাদেশে নারী ঘরোয়া ফুটবলে দশের অধিক গোলের ঘটনা অহরহই হয়।…

Read More

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মনে করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান আগের মতোই। দেশের ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণের অধিকার একটি নির্বাচিত সরকারেরই রয়েছে। বুধবার (২১ মে) ঢাকা সেনানিবাসের সেনা প্রাঙ্গণে অফিসার্স অ্যাড্রেসে সেনাপ্রধান আরও কিছু বিষয় উল্লেখ করেন। ঢাকায় অবস্থানরত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। অনেক কর্মকর্তা ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। অনুষ্ঠানে নির্বাচন ছাড়াও করিডর, বন্দর, সংস্কারসহ সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। সেখানে উপস্থিত সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্যগুলো জানা গেছে। করিডর প্রসঙ্গ সেনাপ্রধান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মানবিক করিডর–সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়েও কথা বলেন। এ–সংক্রান্ত…

Read More

।। মনজুরুল হক।। বাংলাদেশে মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের দূতিয়ালি, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তেনিয় গুতারেস ও অপ্রকাশিত বিশেষ ব্যক্তিদের ‘কুল থ্রেট’-এর ফলাফল-দুই পক্ষের উইন-উইন সিচ্যুয়েশনে অবশেষে তর্জন-গর্জনের পরিসমাপ্তি হলো। ইন্টেরিম চীফ মুহাম্মদ ইউনূস বনাম সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান দুই পক্ষেরই জয় হলো কিংবা কেউ পরাজিত হলো না। 📍 জেনারেল ওয়াকার ২১ তারিখে দীর্ঘ ভাষণে এবং প্রশ্নোত্তরে যে সকল সিদ্ধান্ত নিলেন, যে সকল সতর্কবাণী দিলেন, যে সকল কৃতকর্তব্য ঘোষণা করলেন তার মধ্যে তেমন কোনও নতুনত্ব নেই। করিডোর বাদে বাকি বিষয়গুলো তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে রাওয়া ক্লাবের ভাষণেও বলেছিলেন। আজকের ‘দরবারে’ যা বলেছেন তার বিশদ আলোচনার কিছু নেই। চুম্বক অংশ বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে…

Read More

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যখন স্বপ্ন ছোঁয়ার দ্বারপ্রান্তে, তখনই ষড়যন্ত্রের ছোবলে থমকে দাঁড়িয়েছে সেই অগ্রযাত্রা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে স্বপ্ন বুনছিল—২০২৬ সালের মধ্যে এক কোটি ছাত্রছাত্রীকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের আওতায় আনা, শিল্পকারখানায় ৬০ লাখ দক্ষ-অদক্ষ শ্রমিকের চাকরি নিশ্চিত করা তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। শেখ হাসিনার পরিকল্পনায় ছিল প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে আনার যুগান্তকারী উদ্যোগ। যেখানে জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের দলিল, নামজারি ও খাজনা দেওয়ার কাজ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্পত্তি এবং আমদানি পণ্যের খালাস জাহাজ পোর্টে পৌঁছানোর আগেই শেষ করার মতো সময়োপযোগী ব্যবস্থা ছিল। শিল্প স্থাপনে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’-এর আওতায় ৭ দিনের…

Read More