সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
দুবাইতে ‘বিগ টিকিট’-এর ড্রতে ২ কোটি দিরহামের জ্যাকপট লটারি জিতেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশি এক দর্জি। এটি ছিল তার প্রথমবারের মতো কেনা টিকিট। লটারি জয়ী ওই বাংলাদেশি হলেন সবুজ মিয়া আমির হোসেন দেওয়ান। তিনি ১৮ বছর ধরে দুবাইয়ে বসবাস করেন। খবর খালেজ টাইমসের নতুন কোটিপতি সবুজ মিয়া বলেন, ‘আমি এবারই প্রথম লটারির টিকিট কিনি। তবে বন্ধু-বান্ধবের কাছে এমন লটারির কথা প্রায়ই শুনি। পরে ভাবলাম, আমি কেন একটা সুযোগ নেব না। এরপর আবুধাবি যাই এবং সেখান থেকে টিকেট কিনি।’ সবুজ আরও বলেন, ‘লটারি জেতার খবরে হতবাক হয়েছি। আমি একজন সাধারণ দর্জি। বেতন খুবই কম। তাহলে চিন্তা করেন সেই সময় আমার…
সাবেক এমপি শাম্মি আহম্মেদের বাসায় চাঁদাবাজির অভিযোগে গুলশান থানার মামলায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এদিন রিয়াদসহ চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় রিয়াদ স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোখলেছুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করতে আবেদন করেন। এদিন আদালতে জবানবন্দিতে জানান, বিভিন্ন সময় আওয়ামীলীগের লোকজনদের গ্রেপ্তার করার ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করেছেন। ঘটনার দিন ১৭ জুলাই রাতে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র সহসভাপতি জাকির হোসেন মঞ্জুর ফোনের মাধ্যমে…
ক্ষুধার্ত পরিবারের জন্য খাবারের সন্ধানে বেরিয়েছিলেন ফিলিস্তিনি কিশোর আবদুল রহমান আবু জাজার। খাবার মেলেনি কিন্তু গুলি খেয়ে ফিরেছেন। তার বাঁ চোখে গুলি করে ইসরায়েলি সেনারা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত জিএইচএফ ত্রাণকেন্দ্রে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ১৫ বছর বয়সী জাজার। বর্তমানে হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। খবর আল জাজিরার। বাঁ চোখে সাদা রঙের ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা জাজার আল-জাজিরাকে জানায়, ‘চোখে গুলি লাগার পরও ইসরায়েলি সেনারা তাকে লক্ষ্য করে অনবরত গুলি ছুড়তে থাকেন। তখন জাজারের মনে হয়েছিল, ‘এই বুঝি শেষ। মৃত্যু সন্নিকটে।’ কিশোর জাজার বলেন, আমার ও ভাইবোনদের খাওয়ার মতো কিছু না থাকায় রাত প্রায় দুইটার দিকে প্রথমবারের মতো…
চট্টগ্রাম ক্লাবের গেস্ট হাউজের একটি কক্ষ থেকে সাবেক সেনাপ্রধান এম হারুন-অর-রশীদের (৭৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ক্লাবের ৩০৮নং রুমের বারান্দার গ্লাস ভেঙে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এম হারুন-অর-রশীদের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায়। তবে তিনি ঢাকায় বসবাস করতেন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ঢাকা থেকে এসে ক্লাবের ৩০৮ রুমে রাত্রিযাপন করেছিলেন এম হারুন-অর-রশীদ। সকালে তার একটা মিটিং ছিল। কিন্তু তার মোবাইলে বার বার কল দেওয়া হলেও তিনি রেসপন্স করছিলেন না। এরপর স্বজনরা আসেন। দরজায় নক করা হলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরে বারান্দায় গ্লাসের দরজা ভেঙে বিছানায় তার মরদেহ…
ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।আজ ৩ আগস্ট রোববার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ বলেন, গত বছর এই দিনে এই শহীদ মিনার থেকে আমরা ঘোষণা করেছিলাম ঐতিহাসিক এক দফা। ঐতিহাসিক এক দফা কোনো ব্যক্তি, দলের বা কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়নি। এরপর নাহিদ ইসলাম এনসিপির ২৪ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেন। ২৪ দফা হলো- (১) নতুন সংবিধান ও সেকেন্ড রিপাবলিক, (২) জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি ও বিচার, (৩) গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার, (৪) ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা ও আইন সংস্কার, (৫) সেবামুখী প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন, (৬) জনবান্ধব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, (৭)…
কথিত জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঢাকার শাহবাগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সমাবেশস্থলে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি বেড়েছে। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিন সমাবেশস্থলে দেখা যায়, শাহবাগ চত্বরে টিএসসির দিকে মুখ করে মঞ্চ বানানো হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা সমাবেশস্থলে অবস্থান করছেন। বেলা ২টা থেকে মূল সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা। সমাবেশস্থলের আশপাশের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শাহবাগ থেকে কাঁটাবন মোড়, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড়, শাহবাগ থানা হয়ে মৎস্য ভবন পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ রয়েছে। এসব সড়কে যাতায়াত করা যানবাহনগুলোকে বিকল্প পথে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালমুখী অ্যাম্বুলেন্সকে যেতে দেওয়া হচ্ছে। সংগঠনের নেতা–কর্মীরা কপালে…
আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীর জাতীয় সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে। এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য সারাদেশ থেকে ছাত্র-জনতা আনতে আট জোড়া ট্রেন ভাড়া করেছে সরকার। কর্মসূচি শেষে এসব ট্রেনে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। রোববার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, ৫ অগাস্ট জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ আনতে ট্রেন ভাড়া করা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর থেকে আমাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আমরা তাদের আট জোড়া ট্রেন ভাড়া দিয়েছি। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এসব ট্রেন ভাড়া দিয়েছি। ফাহিমুল ইসলাম বলেন, সরকারের ভাড়া করা ট্রেনগুলো সিলেট, চট্টগ্রাম,…
।। মনজুরুল হক।। 📍 আমেরিকার আরোপিত অতিরিক্ত ৩৫% ট্যারিফ কমানোর জন্য দফায় দফায় আলোচনা করে নাকি সরকারের আলোচকবৃন্দ ‘বিশাল অর্জন’ করে এসেছেন। প্রধান উপদেষ্টার কথায়― “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বিজয়। তিনি বাংলাদেশের শুল্ক আলোচক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আমরা গর্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি নিশ্চিত করায় বাংলাদেশের শুল্ক আলোচক দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই—এটি নিঃসন্দেহে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বিজয়। শুল্কহার প্রত্যাশিত হারের চেয়ে ১৭ পয়েন্ট কমিয়ে ২০ শতাংশে নামিয়ে এনে আমাদের আলোচকরা যে অসাধারণ কৌশলগত দক্ষতা ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় অটল অঙ্গীকার দেখিয়েছেন, তা প্রশংসার দাবিদার।“ 📍 প্রকৃত সত্য হলো বাংলাদেশের পণ্যের ওপর আগে…
।। শামীম আজাদ।। বাংলাদেশ তো আসলে একটি গ্রাম, পল্লী। বর্তমান সময়ে তা আর গণ্ডগ্রাম না থাকলে সামগ্রিকভাবে গ্রামগুলোয় সে প্রাচীন পবিত্রতা, সে মুলসুর রয়ে গেছে। আমি দৈবের বসে দেশের বাইরে থাকি, আছি ত্রিশ দশকেরও বেশি। গত কয়েক বছর ধরে দেশেও থাকছি বেশ কিছুটা সময় এবং সৃষ্টিশীল কাজ করছি শহরের বাইরেও।সে অভিজ্ঞতায়, নৈব্যক্তিক দৃষ্টিতে, বৈশ্বিক মানুষদের বিবেচনা ও আলোচনায় বুঝি বাংলাদেশকে সেভাবেই চিহ্নায়ন করা হয়।রাজনৈতিক বক্তব্য, কসমেটিক পরিচর্চায় দেশ চিহ্নিত হয় না। দেশের অবস্থান নির্ণিত হয় সামগ্রিকভাবে দেশের মানুষের, সমাজের চিন্তাধারা ও জীবন যাপনের বাটখারায়। আমি দেশটি এগিয়েছে কি পিছিয়েছে সে আলোচনার অবতারণা করতে আসিনি, সে পরিসরও এ নয়। আমি আসলে…
গঙ্গাচড়া আবারও রক্তে লাল। আলদাদপুর বালাপাড়ার হিন্দুদের ঘরে আগুন, মন্দিরে হাতুড়ির আঘাত, জনজীবনে আতঙ্ক। ২০১৭ সালের ঠাকুরপাড়ার পর এবারও রংপুরের মাটি কাঁপল সাম্প্রদায়িক উন্মাদদের লাঠি-বোমা-হুংকারে। অভিযোগ? ফেসবুকে নবীর অবমাননা! অভিযুক্ত? একটি ১৭ বছরের কিশোর, যে এখন জেল হাজতে। প্রমাণ? শূন্য। তদন্ত? অনুপস্থিত। বিচার? রাষ্ট্রযন্ত্রের চোখে-মুখে কালো পট্টি বাঁধা। এই বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার অর্থই হলো—নিজের বাড়িতে শঙ্কিত প্রাণী হয়ে থাকা। একজনের হয়তো করা “অপরাধে” পুরো একটি সম্প্রদায়কে জিম্মি করা, তাদের ঘর-বাড়ি পোড়ানো, মন্দির ভাঙা, নারী-শিশুদের রাস্তায় ফেলা—এটাই এখন রাষ্ট্রের “অফিশিয়াল” নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১২-র রামু, ২০১৬-র নাসিরনগর, ২০২১-র পীরগঞ্জ, আর আজকের গঙ্গাচড়া—সবখানে একই স্টেনসিলে আঁকা দগদগে ঘা। গঙ্গাচড়ার ঘটনায় দেখা…