সাবস্ক্রাইব
সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।
Author: JoyBangla Editor
।। আযম খান।। শেখ হাসিনা আমলে বাংলাদেশের জিডিপি গ্রোথ নিয়ে নানা আলোচনা আছে। বিরোধীরা দাবী করেন এই জিডিপি গ্রোথ দেখানো হয়েছে ডাটা ম্যানিপুলেট করে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে একটা সংস্থা। তাদের সংস্থায় কাজ করেন অসম্ভব কোয়ালিটি সম্পন্ন পলিসি মেকার, গবেষক, একাডেমিশিয়ান এবং এনালিস্টরা। দেখা যাক বিশ্বব্যাংকের ডাটা মোতাবেক বাংলাদেশের জিডিপি (ডলারে) ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কত ছিল— ২০০৮ সালঃ শেখ হাসিনা ক্ষমতা নেয়ার এই টার্মের প্রথম বছরে বাংলাদেশের মোট জিডিপি ছিল ৯২ বিলিয়ন ডলার। ২০০৯ সালঃ দ্বিতীয় বছরে মোট জিডিপি বেড়ে দাঁড়ায় ১০২.৪৮ বিলিয়ন ডলার। ২০১০ সালঃ মোট জিডিপি এই বছরে বেড়ে দাঁড়ায় ১১৫.২৮ বিলিয়ন ডলার। ২০১১ সালঃ…
।। মনজুরুল হক।। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ-এর একটা ফটোকার্ড দুদিন ধরে ঘুরছে। সেখানে তিনি বলেছেন-“আমরা প্রায় তিন দশক ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য, যার মধ্যে ব্রিটেনও অন্তর্ভুক্ত, এই নোংরা কাজটি করে আসছি। এটি একটি ভুল ছিল এবং আমরা এর জন্য ভুগছি।“ ▪️ ভারতের রণসাজ দেখে পাকিস্তান সরকারের অনেক মন্ত্রী এবং সেনানায়কদের মত এই মন্ত্রীরও অনেকটা ‘প্যানিক অ্যাটাক’-এর মত হয়েছে। স্কাই টিভি অ্যাঙ্কর ইয়ালদা হাকিম যতবার তাকে প্রশ্ন করেছেন-‘ভারত অভিযোগ করছে প্যাহেলগাম আক্রমণে পাকিস্তানের হাত ছিল কীনা? লস্কর-ই-তায়েবাকে পাক আর্মি এবং আর্মি ইন্টেলিজেন্স আইএসআই সহায়তা করেছে কীনা? ততবারই খাজা আসিফ পিছলে গিয়ে ‘মার কাছে মামাবাড়ির গল্প’ বলার মত করে…
জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধীসমাবেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য থামাতে উত্তেজিত হয়ে আঙুল উঁচিয়ে এগিয়ে আসছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান। গতকাল শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু অডিটরিয়ামে ঘটনাটি ঘটে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধীসমাবেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বক্তব্য দেওয়ার সময় বাধা দিয়ে থামিয়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য। গত শনিবার বিকেলে জেলা শহরের শহীদ সাটু অডিটরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইউনিটের সাবেক সহকারী কমান্ডার মো. তরিকুল আলম। আর তাঁকে বাধা দিয়েছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য লতিফুর রহমান।…
বর্তমান সেনাপ্রধান বাংলাদেশের সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে কিছু দিগনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে যে তথ্য ও নির্দেশনা দিলেন তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নির্দেশনাসমূহ-১৷ বিনা অপরাধে আর কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা যাবে না ৷ ২৷যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা মনে হয় তাহলে ঐ মামলা নেওয়া হবে না ৷ ৩৷ পুলিশ সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কারোও আজ্ঞাবহ হবে না ৷ তারা তাদের কাজ স্বাধীনভাবে পরিচালনা করবে। ৪৷ সবার রাজনৈতিক মিছিল-মিটিং করার সমান অধিকার থাকবে ৷ ৫৷ মব সহ্য করা হবে না ৷ কারো বাড়িঘর হামলা,ভাংচুর,লুটপাট বরদাস্ত করা হবে না ৷ ৬৷ ফ্রি -ফেয়ার ইলেকশনর জন্য যা করনীয় যতদূর যেতে হয় সেনা বাহিনী সে কাজ করবে…
বর্ষিয়ান রাজনীতিক ড. কামাল হোসেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের একজন স্মারক কিংবদন্তী। তিনি বর্তমান বধির রাজনীতির প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি একটি বক্তব্য রাখেন।তিনি বলেন,‘ জিয়া আমাকে স্যালুট করতো, স্যার বলতো : ড. কামাল হোসেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেন ‘জিয়া কখনও স্বাধীনতার ঘোষক নন। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে বঙ্গবন্ধুর নামে।কোন মেজরের ঘোষনায় নয়।ড. কামাল হোসেন আরো বলেছেন, জীবন সায়াহ্নে এসে আদর্শ বিকিয়ে দেবো না। ড. কামাল হোসেন বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ আমরা করেছি, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কারাগারে ছিলাম। স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর নাম নিতে হবে। জাতির পিতাকে স্বীকার করতে হবে। ইতিহাস বিকৃতি করে শেষ বয়সে এসে গাদ্দার হতে পারবো না। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। একমাত্র বঙ্গবন্ধুই…
।। নিলুফা ইয়াসমিন হাসান।। যখন বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শ্লোগান ‘জয় বাংলা’ নিষিদ্ধ, সেই সময়ে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম শুনে উজ্জীবিত এবং প্রতিবাদের স্পৃহাকে উপজীব্য করে একদল কিশোরের দ্রোহের গল্প নিয়ে নির্মিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র মাইক প্রদর্শিত হয়েছে পূর্ব লন্ডনের জেনেসিস সিনেমা হলে। ‘মাইক’ সিনেমা দেখতে প্রচুর দর্শকের সমাগম ঘটেছিল ২৭শে এপ্রিল রোববার। এফ এম শাহীন নিবেদিত গৌরবের একাত্তর এর প্রযোজনায় হাসান জাফরুল ও এফ এম শাহীন পরিচালিত দর্শক নন্দিত আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলা চলচ্চিত্র ‘মাইক’-এর এক্সক্লুসিভ স্ক্রিনিং — ডায়েসপাড়া ‘৭১ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রদর্শিত হয়। শিশুতোষ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাইক’-এর…
শাড়ি পরা এক নারী ট্রলি ব্যাগ হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ একটি প্রাইভেটকার আসে। সেই চলন্ত প্রাইভেটকারের সামনের জানালা দিয়ে একজন ঝুঁকে পড়েন এবং সেই নারীর হাতে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ছোঁ মেরে টান দেন। এতে ব্যাগের সঙ্গে সেই নারীকেও টেনে-হিঁচড়ে অনেক দূর নিয়ে যায় প্রাইভেটকারটি। পরে ওই নারী ব্যাগটি ছেড়ে দিলে প্রাণে রক্ষা পান। কিন্তু সেই নারীর অবস্থা গুরুতর। শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর গ্রিনল্যান্ড টাওয়ারের সামনে ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় ঘটনাস্থলের পাশে থাকা একটি ভবনের সিসি ক্যামেরায় ঘটনাটি রেকর্ড হয়। পরে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পাড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, প্রাইভেটকারটি সেই নারীকে যখন…
।। মনজুরুল ইসলাম।। আজকে পত্রিকা পড়তে গিয়ে দুটি খবরে চোখ আটকে গেছে। প্রথম খবরটি আসন্ন বাজেটে শহীদ পরিবার ও আহতদের সহযোগিতায় সরকারের বরাদ্দ বৃদ্ধি নিয়ে। এতে বলা হয়েছে, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তায় বরাদ্দ আগামী অর্থবছরে আড়াই গুণ বেড়ে ৫৯৩ কোটি টাকা হচ্ছে। অর্থবছরের শুরু থেকেই শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের মাসিক ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি এককালীন অর্থ এবং চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া হবে।’ (শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য বরাদ্দ বাড়ছে, সমকাল, ২৭ এপ্রিল ২০২৫) শহীদ পরিবার ও আহতদের জন্য সরকার বরাদ্দ বৃদ্ধি করবে—এটাকে ইতিবাচক পদক্ষেপই বলতে হবে। যাঁরা জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা, লড়াইয়ে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন,…
আইনের ব্যত্যয় না ঘটিয়ে ভারতের আদানি গ্রুপের সঙ্গে ঝাড়খণ্ড গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে এমন প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে উচ্চ আদালতে। এছাড়া এই চুক্তির ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতিরও তথ্য পাওয়া যায়নি। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চের নির্দেশনা অনুসারেই প্রতিবেদনটি দাখিল করে বিদ্যুৎ বিভাগ। দাখিলকৃত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আদানির সঙ্গে নিয়ম মেনেই বিদ্যুৎ চুক্তি করা হয়েছিল। এতে কোনো নিয়মের ব্যত্যয় ঘটেনি। তাছাড়া, দুর্নীতির বিষয়েও কোনো আলামত মেলেনি চুক্তিতে। প্রধান প্রকৌশলী প্রাইভেট জেনারেশন (আইপিপি) এবিএম জিয়াউল হককে প্রধান করে গঠন করা ৩ সদস্যের একটি কমিটি প্রতিবেদন তৈরি করে।…
নিজেদের অক্ষমতা, দুর্নীতি এবং নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের পদত্যাগ দাবি করেছে বৈষম্যবিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। একইসঙ্গে তাদের দুর্নীতিবাজ দুই এপিএসকে অব্যাহতি প্রদান করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি। দুই এপিএসকে অব্যাহতি দেওয়ায় জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ২৭শে এপ্রিল, রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছে কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য মতে মোয়াজ্জেম হোসেন তদ্বির বাণিজ্য করে ৪শ কোটি টাকা অর্জন করেছে। একই অভিযোগ স্বাস্থ্য উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তুহিন ফারাবি ও ডা. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। কিন্তু ডা. মাহমুদুল হাসানকে এখনো অপসারণ করা হয়নি।…