অনুষ্ঠানে না-থাকা নীরব প্রতিবাদ-জবাব
।। হামিদ মোহাম্মদ।।
অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে, ঢাকঢোল পিটিয়ে ৫ আগস্ট জুলাই সনদ দেয়া হলো মানিকমিয়া এভিনিউয়ে জনাকীর্ণ সভায়।সংবিধান ছুঁড়ে ফেলার হুমকি ধামকি দেওয়ার পর জুলাই সনদ প্রকাশের দিন হাসনাত, সারজিস,জারা থাকলো না উপস্থিত। ইউনুসের ঘাড়ে জুলাই সনদ ফেলে দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ঐ দিন তারা ৫জন বিনোদনে মত্ত হওয়ার খবর বার্তা দিলো সম্পর্কে ফাটল ধরেছে।
কেন ফাটল? প্রশ্নের জবাব এসেছে দলীয় শোকজের ‘নীরব প্রতিবাদ ‘নাকি। কী জন্য এ নীরব প্রতিবাদ। তারা চেয়েছিলেন‘বিদ্যমান সংবিধান ছূঁড়ে ফেলে দিতে জুলাই সনদ ঘোষণার মাধ্যমে। তাদের পাপেট ইউনুস তাদের সাথে করা অঙ্গীকার রক্ষা করেননি। এই জন্য গোসস্যা। সনদ প্রকাশ করে ইউনুস বলেছেন,‘জুলাই সনদ’ হবে সংবিধানের ভূমিকা মাত্র। এখানেই বিরোধ। বিরোধ কিনা কেউ বলতে পারবে না, হয়তো কোনো বড় ধরণের কৌশল এটি।মেটিকুলাস ডিজাইনের মাঠের কর্মী হাসনাত, সারজিসের কোন বদ উদ্দেশ্যকে ইউনুস হয়তো বড় মাঠের খেলোয়াড় হিসেবে কী করবে বা কোথায় স্থাপন করবে,সেটা ভবিষ্যত জানে।তবে ভয়ংকর ফাটল এটা কারো বুঝতে কঠিন হয়নি। আজকে লুকিয়েছেন কক্সবাজার গিয়ে, কালকে যে লুকানোর কোনো স্থান খুঁজে পাবেন না হাসনাত,সার্জিসরা। অদূর ভবিষ্যতে সেটার হিসাব কে দিবে, এর উত্তর খুঁজতে বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হবে না।
আপাতত; মনে হচ্ছে, যা হাস্যকর হয়েছে, জুলাই সনদ, এটাকে ঘষামাজা করবে আরেক পাপেট আলী রীয়াজ। হয়তো ইউনুস ও হাসনাতদের জোড়া লাগাতে পথে নেমেছে, তার আলামত ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে ঐক্যমত কমিশনের বৈঠকে। আলামতটি হলো সংবিধানে বিদ্যমান ‘চার মূলনীতি’ বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র।এ ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সিপিবিসহ বামদলগুলো। এই বাধা ডিঙিয়ে যেতে হয়তো এমন কৌশল আর মন ‘বেজরাবেজরি’ মানে কূট কৌশলের ‘নাখোশ’।
কিন্তু সম্পর্কে যে ফাটল ধরেছে, এটির সত্যতা পাওয়া গেছে তাদের নিজেদের কর্মকাণ্ড ও আচার আচরণে।চলমান এই ফাটল যত দিন যাবে তত বড় ফাঁক সৃষ্টি হলে, ‘ধুড়ুম ছান্দি’ হোচট খেয়ে যদি ফাটলের গর্তে নাই হয়ে যান ইউনুস শুদ্ধ পুরো মেটিকুলাস ডিজাইনের সকল কুশীলব, তখন নতুন ইতিহাস তৈরী হওয়ার শঙকা বা সম্ভাবনা অমুলক নয়।
