কবি হামিদ মোহাম্মদের মননশীল গ্রন্থ ‘ তিনভুবন’ এর বরণ অনুষ্ঠান ছিল লন্ডনে সাম্প্রতিক কালের একটি ব্যতিক্রমী প্রথাভাঙা আয়োজন। মিষ্টিমুখ দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে সু:ধীজন কবি, লেখক ও সংস্কৃতিজন উপভোগ করেন ভিন্নধারার ‘বইবরণ’ অনুষ্ঠান।
প্রবাসী বীরমুক্তিযোদ্ধা সংস্কৃতিজন মাহমুদ এ রউফ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন কবি শামীম আজাদ,বিশেষ অতিথি ছিলেন লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাপ্তাহিক জনমত-এর সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা,সাংবাদিক বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু মুসা হাসান এবং সংস্কৃতিজন রাজনীতিক সৈয়দ এনামুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নিয়ে কবি শামীম আজাদ বলেন, কবি হামিদ মোহাম্মদ কোনো বিষয়ে আপস করেন না, তিনি নিজ বিশ্বাস ও আদর্শে অবিচল থাকেন, এটাই তাঁর বিশেষত্ব।তিনি বলেন,অবাক করার ব্যাপার হামিদ মোহাম্মদ আমাকে নিয়েও উপন্যাস লিখেছেন।

নাহাস পাশা বাংলাদেশ ও ব্রিটেনে হামিদ মোহাম্মদের সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞ বর্ণনা করে বলেন, আমি জনমত- এর সম্পাদক হিসাবে হামিদ মোহাম্মদকে বিলাতের সংবাদপত্র জগতে যে পরিমাণ প্রণোদনা দেওয়ার কথা ছিল তা দিতে না পারা আমার গ্লানি।
আবু মুসা হাসান বলেন, হামিদ মোহাম্মদ সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসাবে লন্ডনে পরিচয়। তাঁর প্রগতিকামী কর্মধারায় আমি মুগ্ধ ।

সৈয়দ এনামুল ইসলাম সাহিত্যাকাশে বাঙালির লেখকদের বিশ্বমাত্রিকতায় পেছনে থাকার কারণ খুঁজতে গিয়ে বলেন, ভালো মানের অনুবাদ সক্ষমতার অভাব, বিশ্বসাহিত্যপাঠে ঘাটতি কেন তা বিশ্লেষণ জরুরি। সাহিত্যে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শতবর্ষ আগে নোবেল প্রাইজ পেলেও এরপর আর জোটেনি কেন, তা বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া হামিদ মোহাম্মদের বইয়ের পাঠক হিসাবে বলেন, তাঁর কয়েকটি উপন্যাসে আমাদের এলাকার জনজীবনের ও স্থানিক এমন বর্ণনা আছে, এতে আমাদের পারিবারিক বাড়িটিরও বর্ণনা আছে। কারণ, আমাদের বাড়িটির স্থান একটি বিশেষ জায়গায়, নদীর মোড়ে ও গ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন একলাবাড়ি।
নিলুফা ইয়াসমীন সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বলেন, কবি হামিদ মোহাম্মদ আমাকে এবং মেয়েকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন। আর তাঁর এই তিনভুবন গ্রন্থে একটি অংশ আমি একজন সম্পাদনা সহযোগী। এই সুবাদে তাঁর লেখা সম্পর্কে আরও গভীর সংযোগ তৈরী হয়েছে। এছাড়া প্রাণবন্ত মানুষ হিসাবে তাকে চিনি।

মুনিরা পারভীন বলেন, আমি হামিদ মোহাম্মদের একটি ব্যতিক্রমী কবিতা ৪দিন আগে ফেইসবুকে পোস্টকরা ‘ অনুপস্থতি বন্ধু তুমি’ পড়ছি। তাঁর জীবন যে ঘুরপথে চলে, ঘুরপথে আছেন, চিত্রময় এমন কবিতাটি পড়ে আমি মুগ্ধ। তিনি কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনান।
ইতিহাস গবেষক ফারুক আহমদ কবি হামিদ মোহাম্মদের সাংস্কৃতিক কর্ম নিয়ে আলোচনায় বলেন, হামিদ মোহাম্মদ বিলাতে যেভাবে বিভিন্ন বিষয়ে ইতিহাসের অংশ তেমনি দেশেও সিলেটে সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যাঙ্গনে ইতিহাসের অংশ। তিনি লন্ডনে ১৯৮৯ সালে প্রথম সর্ববৃহত বইমেলার অন্যতম আয়োজক, উদীচীর বিলাতে শাখা প্রতিষ্ঠা এবং বিলাতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শাখা প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। সিলেটে শিকড় সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারা ও আবৃত্তির প্রাতিষ্ঠানিক প্রচলন করার দাবীদার। আজকের ‘তিনভুবন’ও ঐতিহাসিক উপাদানে সমৃদ্ধ একটি আকর গ্রন্থ।

কবি ও লেখক আলমগীর শাহরিয়ার তাঁর মুগ্ধতার কথা তুলে ধরে বলেন, হামিদ মোহাম্মদের উপন্যাস ‘পঙ্খিরাজ’ এমন এক উপন্যাস, যেটিতে বর্তমানে বিলীন হয়ে যাওয়া তাদের এলাকার ’রউয়া’বিল ও এই বিলে সিলেটের এক সময়ের বিখ্যাত নৌকাবাইচের বর্ণনা আছে, যা চোখের সামনে এর চিত্র অবলীলায় ভেসে ওঠে।
লেখক মতিয়ার চৌধুরী যুগভেরী পত্রিকায় হামিদ মোহাম্মদের কর্মদিনের কথা উল্লেখ করে বলেন, হামিদ মোহাম্মদ আমার দীর্ঘদিনে বন্ধু।
আলোচনায় আরো অংশ নেন রেইনবো ফিলম্ সোসাইটির কর্ণধার মোস্তফা কামাল, কবি সারওয়ার ই আলম, আবৃত্তিাকার নজরুল ইসলাম অকিব, কবি শাহ শামীম আহমেদ, কবি আতাউর রহমান মিলাদ, কবি ময়নূর রহমান বাবুল, কবি সৈয়দ হিলাল সাইফ, অনুবাদক ফেরদৌস কবির টিপু, সাংবাদিক সালেহ আহমেদ, যুব সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে হেলাল মিয়া, নজরুল ইসলাম, শাহেদুল হক, বায়েজীদ আহমেদ, আবদুল আলীমসহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কবিকন্যা ঋতু হামিদ। এছাড়া কবির দৌহিত্র আদনান করিম লেখক হামিদ মোহাম্মদকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। তাঁর প্রশ্ন ছিল হামিদ মোহাম্মদ কেন বই লিখেন। হামিদ মোহাম্মদ উত্তরে বলেন,এটা কঠিন প্রশ্ন, উত্তর দেওয়াও অনেক কঠিন।

সভাপতি মাহমুদ এ রউফ সমাপনি বক্তব্যে বলেন,হামিদ মোহাম্মদ ১৯৮৭ সালে লন্ডনে প্রথম এসেছিলেন। এসে আমার ৬৮ অসবন স্ট্রিটের অফিসে নিয়মিত আসাযাওয়া করতেন, বসতেন। লন্ডনে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ধারার শূন্যতা উপলদ্ধি করেই করলেন উদীচীর শাখা প্রতিষ্ঠার কাজ। বইমেলারও আয়োজন করলেন এই ধারায়। যতটুকু সম্ভব আমি সহযোগিতা করেছি। আজকেও এই ধারা অব্যাহত আছে। সত্যিই এগুলো ইতিহাস। এই বইয়েও এসবের বর্ণনা আছে। প্রগতির ধারা ও এর মশাল বহন হামিদ মোহাম্মদের কর্মধারা। তাকে অভিবাদন।

কবি হামিদ মোহাম্মদ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নিজে। হাস্যরসে সঞ্চারিত অনুষ্ঠান পরিচালনায় আনন্দ ও অন্তরঙ্গতা ছড়িয়ে কবি বলেন, এই বই যেহেতু কেউ পড়েননি, তাই এটি প্রচলিত প্রকাশনা অনুষ্ঠান নয়, আমি নাম দিয়েছি ‘বইবরণ’ । আপনারা আজকে বই নিয়ে যাবেন, পড়বেন, ভালো লাগলো না মন্দ লাগলো- পড়ে প্রতিক্রিয়া জাানবেন। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায়ে ‘তিনভুবন’এর অর্ন্তভুক্ত বই ‘ হামিদ মোহাম্মদের বই নিয়ে লেখাজোখা’র দুই সম্পাদক নিলুফা ইয়াসমীন হাসান ও আলমগীর শাহরিয়ারকে সুশোভিত মোড়কে বই হাতে তুলে দেন সভাপতি অতিথিবৃন্দ ও হামিদ মোহাম্মদ নিজে। অনুষ্ঠানে আরেকটি উল্লেখযোগ্য মনোমুগ্ধকর বিষয় ছিল, যারা অগ্রিম সম্মানি প্রদান করে বইয়ের প্রকাশনায় যুক্ত হয়েছিলেন, তাদের হাতে বই তুলে দেয়া। তারা হলেন বাচিকশিল্পী মুনিরা পারভীন, কবি সৈয়দ হিলাল সাইফ, কবি শাহ শামীম আহমেদ, ইতিহাস গবেষক ফারুক আহমদ ও সভাপতি মাহমুদ এ রউফ। অনিবার্য কারণে উপস্থিত হতে পারেননি ড. আনসার আহমদ উল্লাহ এবং বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন আনোয়ার শাহজাহান। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় পূর্ব লন্ডনের জুবিলি স্ট্রিটের একটি হল রুমে। তারিখ ছিল ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার।

আগতজনের মধ্যে অনুষ্ঠান সম্পর্কে পরের দিন অনেকেই উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে ফেইসবুকে লিখেন। চৌধুরী সামসুদ্দিন ফেইসবুকে মন্তব্য করেন-
‘২৮শে এপ্রিল পূর্ব লন্ডনে একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কবি হামিদ মোহাম্মদের সর্বশেষ প্রকাশিত গ্রন্থ তিনভুবন-এর কবির ভাষায় “বইবরণ “অনুষ্ঠিত হল। কবির বন্ধু-বান্ধব ও গুণগ্রাহীদের উপস্থিতি, ঘরোয়া আলোচনা, খোশগল্প ও আবৃত্তিতে উৎসবের আমেজে অনুষ্ঠানটি প্রকৃত অর্থেই উৎসবে রুপ নেয়। প্রথা ভেঙ্গে লেখক নিজেই দৌহিত্র-এর কাছ থেকে ফুলের তোড়া চেয়ে নিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন, দৌহিত্র লেখক হিসাবে তাকে অভিনন্দন জানান। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে সকলকে মিষ্টি মুখ করান কবি। এ সকল প্রথা ভাঙ্গা প্রসঙ্গে কবির ‘ঘুর পথ’ শব্দ ব্যবহৃত একটি কবিতা আবৃত্তি করে কৌতুক করেন বাচিকশিল্পী মনিরা পারভীন।
ব্রিটেনে শীর্ষ বাঙালি কবি শামীম আজাদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক আবু মুসা হাসান, সাংবাদিক নিলুফার ইয়াসমীন হাসান, কবি আতাউর রহমান মিলাদ, রাজনীতিবিদ সৈয়দ এনামুল ইসলামসহ অনেক গুণীজন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সকলে ‘ তিনভুবন’ গ্রন্থটি সম্মানির বিনিময়ে গ্রহণ করে প্রথা ভাঙ্গেন এবং লেখক কবি হামিদ মোহাম্মদকে শুভেচ্ছা জানান।

কবি ও লেখক আলমগীর শহারিয়ার লিখেন –‘বিলেতে বাঙালির প্রগতিশীল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ ব্যক্তিত্ব, কবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, সংগঠক ও সাংবাদিক হামিদ মোহাম্মদ। ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো তাঁর “তিনভুবন” বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান। এই বইটির সম্পাদনা সহযোগী হিসেবে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। “ঝড়ের মাঝে প্রদীপশিখা” অংশে বিশিষ্টজনদের জীবন-স্মৃতি-কর্ম মূল্যায়নবিষয়ক নিবন্ধ। সে তালিকায় আছেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, কবি দিলওয়ার, কবি শামীম আজাদ, কবি শুভেন্দু ইমাম থেকে গবেষক ফারুক আহমদ, কবি মুজিব ইরম, টি এম কায়সার, কবি ময়নূর রহমান বাবুল প্রমুখের মূল্যায়ন। “আন্দোলন সংগ্রাম সৃজনে সংকটে” অংশে মুক্তিযুদ্ধ থেকে আশির দশকে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর সিলেটকে ঘিরে প্রগতিশীল রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বয়ান সমৃদ্ধ নানা রচনা। তৃতীয় অংশে নানা জনের চোখে লেখকের লেখালেখির মূল্যায়ন।
বইটিতে এই গুণীজন আমার গবেষণা কাজ নিয়েও একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ যুক্ত করেছেন। ঢাকায় অবস্থিত শেকড় সন্ধানী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান উৎস প্রকাশনের মোস্তফা সেলিম বইটি প্রকাশ করেছেন ‘।
কবি নজরুল ইসলাম অকিব লিখেছেন- ‘লন্ডনে কবি হামিদ মোহাম্মদের নতুন বই “তিনভুবন”–এর ‘বই বরণ’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে নিজেকে সত্যিই সৌভাগ্যবান মনে করছি। প্রাণবন্ত এই সাহিত্য আড্ডায় লন্ডনের প্রবাসী কবি-সাহিত্যিকদের সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করে তোলে আরও সমৃদ্ধ ও অর্থবহ।
শিল্পকলা একাডেমি থেকে একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি শামীম আজাদসহ বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সুধীজনেরা কবির সৃষ্টিকর্ম নিয়ে গভীর আলোচনা করেন এবং তাঁর সাহিত্যকীর্তির প্রশংসায় মুখর হন। এমন এক অনন্য আয়োজনে কবির সাথে কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত ভাগ করে নিতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত।’
কবি সারওয়ার ই আলম লিখেন-
কবি হামিদ মোহাম্মদের নতুন বই তিনভুবন-এর প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে আজ লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীদের সমভিব্যাহারে খুব সুন্দর একটি প্রীতি-সম্মিলন অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব লণ্ডনে। গতানুগতিক আনুষ্ঠানিক রীতি থেকে বেরিয়ে এসে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন লেখক নিজেই। তিনি অভ্যাগতদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। তাঁদেরকে সভাসদের সঙ্গে পরিচিত করিয়ে বক্তব্য রাখার আহ্বান জানান। লেখকের এই প্রথাবিরোধী ভূমিকা প্রশংসিত হয় অনুষ্ঠানে; ঠিক যেভাবে প্রশংসিত হয় তাঁর সাহিত্যকর্ম, সাংস্কৃতিক চেতনা এবং প্রগতিশীল সমাজচিন্তা। হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ প্রকাশনা উৎসবে লেখকের জীবন ও সাহিত্যকর্ম এবং তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধুর স্মৃতি তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন মাহমুদ এ রউফ, শামীম আজাদ, আবু মুসা হাসান, সৈয়দ নাহাস পাশা, মতিয়ার চৌধুরী, নিলুফার হাসান, মোস্তফা কামাল, ময়নুর রহমান বাবুল, ফারুক আহমদ, আতাউর রহমান মিলাদ, সৈয়দ এনামুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম অকিব,সৈয়দ হিলাল সাইফ, সালেহ আহমেদ, মুনিরা পারভীন, ঋতু হামিদ, সারওয়ার-ই আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কবিকণ্ঠ।
শ্রোতাদের পক্ষ থেকে নজরুল ইসলাম লিখেন-
‘তিনভুবন” এর সাক্ষী ‘। ‘দেখা হবে বন্ধু কোন একদিন /পথে প্রান্তরে/ সমান্তরালে/উঁকি ঝুঁকি নয় /একান্তে পাশাপাশি বসে/মনোমুগ্ধকর পরিবেশে/ছন্দের তালে তালে /কবিতার আলোকে !!।
সত্যিই… জীবনেরপ্রথম উপলব্ধি….।
কবি পরিষদে বসে কবিদের সভাসদে ..আমি মুগ্ধ হয়ে শুধু শুনছিলাম কবি শামীম আজাদের সাহিত্যিক বয়ান।লেখক গবেষক ও কবি-সাংবাদিক হামিদ মোহাম্মদ এর নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠান এক অনবদ্য বাংলা সাহিত্য ও কবিতার জয়গান…!
