Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    মে দিবসের অঙ্গীকার ও শ্রমিকের অপূর্ণ অধিকার

    May 1, 2026

    উচ্চসুদে বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী থেকে ১.৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার

    May 1, 2026

    চুক্তি অনুযায়ী ৩৬ হাজার কোটিতে ১৪টি বোয়িং কিনলেও বাড়েনি যুক্তরাষ্ট্রে গার্মেন্টস অর্ডারের পরিমাণ

    May 1, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » ঢাকায় বিদেশি আলেমদের উপস্থিতি এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য, জন্ম দিয়েছে প্রশ্ন-উদ্বেগের
    Bangladesh

    ঢাকায় বিদেশি আলেমদের উপস্থিতি এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য, জন্ম দিয়েছে প্রশ্ন-উদ্বেগের

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorNovember 22, 2025No Comments4 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    পারভেজ হাসেম

    ১৫ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক খতমে নবুয়ত মহাসম্মেলনে আবারও ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা নিয়ে বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে। পাকিস্তান, ভারত, সৌদি আরব, মিশরসহ বিভিন্ন দেশের আলেমরা এতে অংশ নেন। বিএনপি ও জামায়াতসহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

    সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তাওহিদে খতমে নবুয়ত বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মুফতি ড. সৈয়দ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী বলেন, মুসলমানদের “মূল দাবি” যদি সংবিধানে প্রতিফলিত না হয়, তবে তারা তা মেনে নেবে না। তিনি রাজনৈতিক নেতাদের সমালোচনা করেন—কেন তারা আহমদিয়া সম্প্রদায়কে অ-মুসলিম ঘোষণা করতে দ্বিধা করছে। কয়েকজন বক্তাও একই দাবি করেন এবং বলেন, আহমদিয়াদের আনুষ্ঠানিকভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে এবং তাদের ইসলামি পরিভাষা ব্যবহার করতে দেয়া যাবে না।

    এ ধরনের দাবি ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমান নাগরিক অধিকারের মূল নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশ্বাস ব্যক্তিগত বিষয়, এবং কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কারও ওপর পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো—সব নাগরিক যেন মর্যাদা, সমতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে বাঁচতে পারে তা নিশ্চিত করা।

    এ বছরের সম্মেলনে যেটি বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তা হলো—বিদেশি আলেমদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। তারা প্রকাশ্যে আহমদিয়া মুসলিম পরিচয় বাতিলের পক্ষে কথা বলেছেন।

    সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাওলানা ফজলুর রহমান প্রধান অতিথি ছিলেন। আরও ছিলেন মাওলানা ইলিয়াস ঘুমান, মাওলানা হানিফ জলন্ধরী, আহমদ ইউসুফ বানুরি। ভারত থেকে মুফতি আবুল কাসেম নোমানি ও মাওলানা মাহমুদ মাদানিও আসেন। সৌদি আরব থেকে শেখ আব্দুর রউফ মাক্কি এবং মিশর থেকে শেখ মুসাব নাবিল ইব্রাহিম অংশ নেন।

    তাদের উপস্থিতি ও বক্তব্য আইনি ও বাস্তবিক কিছু প্রশ্ন তোলে। বিদেশিরা বাংলাদেশে পর্যটন, ব্যবসা, সম্মেলন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা কাজের ভিসায় আসতে পারেন। প্রতিটি ভিসার নির্দিষ্ট শর্ত আছে। পর্যটন বা ব্যবসার ভিসায় ধর্মীয় বা রাজনৈতিক প্রচারণা চালানো যায় না। সম্মেলনের ভিসাতেও শুধু অনুমোদিত সভায় অংশ নেওয়ার অনুমতি থাকে। সংবেদনশীল ধর্মীয় বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করা ভিসা শর্তভঙ্গ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

    বাংলাদেশের আইনে কোনো ব্যক্তি—দেশি বা বিদেশি—কোনো ধর্মীয় গোষ্ঠীকে অমুসলিম ঘোষণা করতে পারে না। সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে উত্তেজনাকর বক্তব্য দিলে তা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি বা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নের অপরাধের আওতায় পড়ে। বিদেশিরা এ ধরনের কাজ করলে ভিসা বাতিল, মামলা বা তৎক্ষণাৎ বহিষ্কারের মুখে পড়তে পারেন।

    আরও বড় বিষয় হলো—জাতীয় দায়িত্ব। বাংলাদেশ এখন ধর্মীয় সংবেদনশীল এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদেশি আলেমরা দেশের ভেতরের ধর্মীয় বিতর্কে হস্তক্ষেপ করলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এতে উগ্রগোষ্ঠী উৎসাহিত হতে পারে এবং সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের নাজুক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিদেশি প্রভাব বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বিব্রত করতে পারে—বিশেষত যখন দেশটি বিনিয়োগবান্ধব ও স্থিতিশীল চিত্র তুলে ধরতে চায়।

    আরও উদ্বেগজনক হলো—বাংলাদেশ সরকারের নীরবতা। উচ্চপ্রোফাইল বিদেশি আলেমদের উপস্থিতি এবং উত্তেজনাকর বক্তব্য সত্ত্বেও কোনো মন্ত্রণালয় বা সরকারি সংস্থা কোনো বিবৃতি দেয়নি। নিরাপত্তা বা বিদেশিদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার পক্ষ থেকেও কোনো ব্যাখ্যা আসেনি।

    এই নীরবতা গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে রাষ্ট্রের অবস্থান অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এতে মনে হতে পারে—সরকার এসব কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করছে বা ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোর চাপের সামনে দাঁড়াতে আগ্রহী নয়। সংবিধানের মূলনীতির একটি সাধারণ স্মরণও না থাকা—সংখ্যালঘুদের কাছে অবহেলা মনে হতে পারে, আর উগ্রগোষ্ঠীর কাছে এটা উৎসাহ হিসেবে ধরা দিতে পারে।

    বিদেশি আলেমদের এমন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে অবাধে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়াও এ ধারণাকে শক্ত করে। বহু দেশে বিদেশিরা এমন মন্তব্য করলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় মনে হয় সংবেদনশীল ধর্মীয় বিষয়গুলো উপেক্ষিতই রয়ে গেছে।

    এ ধরনের নীরবতা বৈচিত্র্যময় ও আবেগপ্রবণ সমাজ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। রাষ্ট্র যখন সমান অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নীতি দৃঢ়ভাবে রক্ষা না করে, তখন বর্জনমূলক শক্তিগুলো আরও সাহস পায় এবং সংখ্যালঘুরা আরও অসহায় হয়ে পড়ে।

    সরকার যেহেতু স্থিতিশীলতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা বলে থাকে, তাই একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার হুমকির মুখে পড়লে সেটিকে উপেক্ষা করা নিরপেক্ষতা হিসেবে ধরা যায় না। সরকারি নিষ্ক্রিয়তা সহজেই সমর্থন হিসেবে ব্যাখ্যা হতে পারে।

    এ মুহূর্তে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। বাংলাদেশকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে—রাষ্ট্র কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। এমন সংবেদনশীল বিষয়ে নীরবতা বিভ্রান্তি বাড়ায় এবং মানুষের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে আস্থা দুর্বল করে। রাষ্ট্রকে ঠিক করতে হবে—সে সমঅধিকারের পক্ষে থাকবে, নাকি বিভাজন তৈরির চেষ্টাকারীদের পাশে দাঁড়াবে।

    বাংলাদেশ এখন সুযোগ পেয়েছে আবারও ঘোষণা করার—দেশি বা বিদেশি কেউই তার নাগরিকদের ওপর ধর্মীয় পরিচয় চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার রাখে না। যখন অন্তর্বর্তী সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধানের মূলনীতিগুলো থেকে সরে গেছে বলে বহু মানুষ মনে করে, তখন এমন স্পষ্ট বক্তব্য আরও জরুরি। এটি শুধু সাংবিধানিক দায়িত্ব নয়, বরং জাতির নৈতিক শক্তিরও প্রমাণ—যা ধর্মীয় মৌলবাদের সামনে নত না হওয়ার বার্তা দেয়।

    পরিচিতি: আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকারা অভ্যন্তরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ও স্লো পয়জনিংয়ের অভিযোগ: আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি আওয়ামী লীগের
    Next Article বন্দরের পরিচালনা নিয়ে ইউনূস সরকারের নির্জলা মিথ্যাচার
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    মে দিবসের অঙ্গীকার ও শ্রমিকের অপূর্ণ অধিকার

    May 1, 2026

    চুক্তি অনুযায়ী ৩৬ হাজার কোটিতে ১৪টি বোয়িং কিনলেও বাড়েনি যুক্তরাষ্ট্রে গার্মেন্টস অর্ডারের পরিমাণ

    May 1, 2026

    মহান মে দিবসে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা নিবেদন

    May 1, 2026

     মে  দিবসে: যাদের শ্রমে-ঘামে-রক্তে আজকের বাংলাদেশ, তাদের প্রতি আওয়ামী লীগ জানায় অপরিসীম শ্রদ্ধা

    May 1, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    মে দিবসের অঙ্গীকার ও শ্রমিকের অপূর্ণ অধিকার

    May 1, 2026

    লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো কবি হামিদ  মোহাম্মদের মননশীল গ্রন্থ ‘ তিনভুবন’ এর বরণ অনুষ্ঠান

    April 30, 2026

    প্রেম দেখানোর বিষয় নয়, প্রমাণেরও বিষয় নয়

    April 30, 2026

    অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনীতির বলী ব্যাংক খাত, পকেট ‘খালি’ করে সব লুটপাট: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

    April 29, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Bangladesh

    মে দিবসের অঙ্গীকার ও শ্রমিকের অপূর্ণ অধিকার

    By JoyBangla EditorMay 1, 20260

    মে দিবস কেবল স্মরণের নয়, এটি শ্রমিক অধিকারের চলমান প্রশ্নকে সামনে আনার দিন। মে দিবসের…

    উচ্চসুদে বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী থেকে ১.৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার

    May 1, 2026

    চুক্তি অনুযায়ী ৩৬ হাজার কোটিতে ১৪টি বোয়িং কিনলেও বাড়েনি যুক্তরাষ্ট্রে গার্মেন্টস অর্ডারের পরিমাণ

    May 1, 2026

    মহান মে দিবসে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা নিবেদন

    May 1, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    মে দিবসের অঙ্গীকার ও শ্রমিকের অপূর্ণ অধিকার

    May 1, 2026

    লন্ডনে অনুষ্ঠিত হলো কবি হামিদ  মোহাম্মদের মননশীল গ্রন্থ ‘ তিনভুবন’ এর বরণ অনুষ্ঠান

    April 30, 2026

    প্রেম দেখানোর বিষয় নয়, প্রমাণেরও বিষয় নয়

    April 30, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.