কমিউনিটির অন্যতম পরিচিত মুখ, সমাজকর্মী, শিক্ষক সৈয়দ রকিব আহমেদ আজ ১০ জানুয়ারি শনিবার ভোররাত ৩টায় নীরবে ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।তিনি দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যানসারে ভোগ ছিলেন।সৈয়দ রকিব আহমেদের বাড়ি সিলেটের ওসমানিনগর উপজেলায়।
ভোরের নরম অন্ধকারে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, ঠিক তখনই থেমে গেল একটি আলোকিত জীবন। যিনি শব্দে শব্দে মানুষ গড়েছেন, নীরবে সমাজের বোঝা কাঁধে নিয়েছেন, ভালোবাসা দিয়ে আপন করে নিয়েছেন অসংখ্য মানুষ—তিনি আজ চলে গেলেন, রেখে গেলেন শূন্যতা আর অগণিত স্মৃতি।
একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর পাঠ ছিল শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; ছিল মানবতা, দায়িত্ববোধ আর নৈতিকতার পাঠ। সমাজকর্মী হিসেবে তাঁর হাত ছিল সদা প্রসারিত—নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, নিরব অথচ দৃঢ়। তিনি ছিলেন প্রগতিশীল সমাজ নির্মাণে আশ্রয়, অভিভাবকতুল্য একজন মানুষ।
কমিউনিটি হারাল এক আলোকবর্তিকা, একজন অভিভাবক, একজন সুহৃদ। তাঁর অনুপস্থিতি কেবল একটি শূন্য আসন নয়—এ এক দীর্ঘ নীরবতা, যা অনেকদিন বুকে বাজবে।
উল্লেখ্য, সৈয়দ রকিব আহমেদ ১৯৮৭ সালে লন্ডনে আসেন। দীর্ঘদিন শিক্ষকতায় পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৮৮ সালে লন্ডনে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির শাখা গঠনে ও ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর যুক্তরাজ্য শাখা গঠনে অন্যতম নেতৃত্বদান করেন তিনি।
