প্রতারণা, প্রহসন ও জনগণকে পাশ কাটিয়ে সমঝোতার একতরফা নির্বাচন বয়কট করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে দেশব্যাপী লিফলেট বিতরণ, দেয়াল-লিখন ও পোস্টারিং কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনগণের অংশগ্রহণবিহীন ও প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনতার দাবিকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার, গ্রাম-শহর, অফিস-আদালত ও গণপরিবহনসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ক্লাসের খাতা, স্কুল-কলেজের দেয়াল, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, বাস-ট্রাক-রেল-লঞ্চ, রিকশা-অটো-সিএনজি, বাজার-বন্দর-কারখানা, এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটেও লিফলেট বিতরণ, দেয়াল-লিখন ও পোস্টারিং চালানো হবে।
পাশাপাশি কবিতা, গান, গল্প, আড্ডা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও প্রতিবাদী বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, দেশকে মুক্ত করা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার আদায়, দখলদারি ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং ন্যায় ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই আন্দোলন পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ, দেয়াল-লিখন, পোস্টারিংয়ের পাশাপাশি গণমিছিলও অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জেলা, মহানগর, বিশ্ববিদ্যালয়, উপজেলা, পৌর, কলেজ, হল, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নসহ সকল পর্যায়ের সাংগঠনিক ইউনিটকে ২২ থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচিতে ব্যবহৃত স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে—
“প্রহসনের নির্বাচনে ভোট দিবেন না”,
“No Boat, No Vote”,
“নৌকা ছাড়া কিসের ভোট!?”,
“ভোট আমার অধিকার, ভোট কেড়েছে দখলদার” এবং
“সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন, নয়তো প্রহসনের অংশ নয়।”
