জয় বাংলা স্লোগানের তেজটাই এমন, একে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি, পারবেও না। একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর ডাকে যখন বাঙালি প্রশিক্ষিত, সুসজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অসম যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তখন বুকের ভেতর সাহস জুগিয়েছিল এই দুই শব্দ- জয় বাংলা। এটা শুধু স্লোগান না, এটা ছিল অস্ত্র। এটা ছিল প্রেরণা। এটা ছিল মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও মাথা উঁচু রাখার ভাষা।
যারা জয় বাংলাকে থামাতে হামলা চালিয়েছে, তারা ইতিহাসের বিরুদ্ধেই হাত তুলেছে। তারা ভুলে গেছে এই স্লোগান কেড়ে নেওয়া যায় না, চুপ করানো যায় না, মুছে ফেলা যায় না। কারণ জয় বাংলা বাঙালির আত্মার ভাষা।
জয় বাংলা মানে মুক্তি।
জয় বাংলা মানে প্রতিবাদ।
জয় বাংলা মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো।
যতবার শকুনেরা এই স্লোগান থামাতে আসবে, ততবারই তা স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়বে একজনের মুখ থেকে শত, শত থেকে হাজার, হাজার থেকে লাখ, লাখ থেকে কোটির কণ্ঠে ধ্বনিত হবে জয় বাংলা।
হামলা চালিয়ে স্লোগান থামানো যায় না। ভয় দেখিয়ে ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ততদিন প্রতিটি মুক্তিকামী বাঙালির মুখে থাকবে জয় বাংলা।
