Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের থাড রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » গণভোট, রাষ্ট্রীয় পক্ষপাত এবং  অবৈধ ও সাংবিধানিক ইউনুস সরকার: গণতন্ত্রের জন্য এক অশনিসংকেত
    Politics

    গণভোট, রাষ্ট্রীয় পক্ষপাত এবং  অবৈধ ও সাংবিধানিক ইউনুস সরকার: গণতন্ত্রের জন্য এক অশনিসংকেত

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorFebruary 5, 2026No Comments4 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    গণতন্ত্রিক রাষ্ট্রে যদি গণভোট হয় তাহলে গণভোটের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়  হলো জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ এবং রাষ্ট্রের নিরপেক্ষ ভূমিকা। রাষ্ট্র আয়োজন করে, ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করে , ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, ভোটারদের স্বাধীন মতপ্রকাশের পরিবেশ তৈরি করে কিন্তু রাষ্ট্র কখনো কোনো ফলাফলের পক্ষে দাঁড়ায় না।

    বর্তমান বাংলাদেশে আমরা দেখছি এক ভয়ঙ্কর বাস্তবতা বাংলাদেশ বিরোধীদের সমর্থনে  একটি অবৈধ ও সাংবিধানিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ রাষ্ট্র দখলকারী ইউনুস সরকার, জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাকে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থের হাতিয়ার বানাচ্ছে। তারা সরকারি সম্পদ, প্রশাসনিক কাঠামো, মিডিয়া ও পদমর্যাদা ব্যবহার করে গণভোটে হ্যাঁ পক্ষের সক্রিয় প্রচারণায় নামেছে, যা সংবিধান লঙ্ঘনের সর্বোচ্চ চূড়ান্ত উদাহরণ।

    বাংলাদেশের সংবিধান স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতার বাধ্যবাধকতা স্থাপন করেছেন।

    অনুচ্ছেদ ৭(১): “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ…”

    গণভোটে এই ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। রাষ্ট্র যদি নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে, তবে জনগণের এই সার্বভৌম ক্ষমতা হরণ করা হয়।

    অনুচ্ছেদ ১১: “প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র… জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হইবে।”

    “কার্যকর অংশগ্রহণ” মানে সমান সুযোগ, অবাধ মতপ্রকাশ এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা। কিন্তু বর্তমান ইউনুস সরকার এই নীতির ওপরে নির্বাহী হস্তক্ষেপ করছে। প্রশাসনকে ব্যবহার করছে, সরকারি অর্থকে রাজনৈতিক প্রচারণার হাতিয়ার বানাচ্ছে, মিডিয়াকে একপক্ষীয় প্রচারণার প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত করছে।

    অনুচ্ছেদ ২১(১) “প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মে নিয়োজিত প্রত্যেক ব্যক্তি সংবিধান ও আইনের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করিবেন।”

    তারা আইন ও সংবিধানের আনুগত্যকে উপেক্ষা করে নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রশাসনকে ব্যবহার করছে। এটি কেবল সংবিধান লঙ্ঘন নয়; এটি গণতন্ত্রের শিরদাঁড়া নষ্ট করার চক্রান্ত।

    গণভোট পরিচালনার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোও রাষ্ট্রীয় পক্ষপাতের বিরোধী:

    অনুচ্ছেদ ১১৮(১): “একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে…”

    অনুচ্ছেদ ১২৬: “নির্বাহী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কমিশনকে তাহার দায়িত্ব পালনে সহায়তা করিবে।”

    “সহায়তা” মানে প্রশাসনিক ভোট আয়োজন ভোটারদের নিরাপত্তা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ইত্যাদি কোনো ফলাফলের পক্ষে সক্রিয় প্রচারণা নয়। কিন্তু বর্তমান সরকার নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা উপেক্ষা করে নির্ভীকভাবে হ্যাঁ পক্ষের প্রচারণায় নামছে, যা গণতন্ত্রের কফিনে পেরেক মারার সমতুল্য।

    Referendum Ordinance, 1978 নির্বাচন কমিশনকে একমাত্র কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। Representation of the People Order (RPO), 1972 স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদের রাজনৈতিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।

    বাংলাদেশ বিরোধীদের নিয়ন্ত্রিত ইউনুস সরকার এই নীতিগুলোকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছে। সাদা চোখে দেখলে এটাকে কেবল আইন লঙ্ঘন মনে হবে । বাস্তবে এটি একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, যা দেশের সংবিধান ও জনগণের অধিকারকে অবমূল্যায়ন করে।

    সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো বিচার বিভাগের ভূমিকা। সংবিধান আদালতকে সংবিধানের রক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে:

    অনুচ্ছেদ ১০২: হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধান ও আইনের পরিপন্থী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিকার দিতে পারিবে।

    কিন্তু যখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কিছু আইনজীবী একটা রিট দাখিল করে যার নাম্বার ছিল ১২০১/২০২৬ এবং উচ্চ আদালত তা খারিজ করে দেয়, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতাও এই সরকারের হাত ধরে প্রশ্নবিদ্ধ। রাষ্ট্রের এটর্নি জেনারেল অফিস, বিএনপি জামাত পন্থী আইনজীবীরা সরাসরি কোর্টে হস্তক্ষেপ করে। বিচার বিভাগ যদি সরকারী প্রভাব থেকে মুক্ত না থাকে, তবে গণতন্ত্রের শেষ ভরসাও ধ্বংস হয়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক উদাহরণে অনেক দেশে সরকার গণভোটে অংশ নিলেও সেখানে স্পষ্ট campaign rules, হ্যাঁ না দুই পক্ষকে সমান অর্থায়ন, মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছ কাঠামো থাকে। বাংলাদেশে এ ধরনের কাঠামো অনুপস্থিত। এখানে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ গণভোটকে পক্ষপাতদুষ্ট করেছে, আইনের শাসনকে অবমূল্যায়ন করেছে, এবং জনগণের আস্থা ধ্বংস করেছে।

    এখন স্পষ্ট যে বর্তমান রাষ্ট্র ধ্বংসকারী ইউনুস সরকার গণতন্ত্র ও সংবিধানের ওপর সরাসরি আক্রমণ চালাচ্ছে এবং রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার পায়তারা করছে। তারা সরকারি সম্পদ, প্রশাসন ও মিডিয়া ব্যবহার করে গণভোটকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে পরিণত করেছে। বিচার বিভাগের নীরবতা এই ষড়যন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করেছে। বর্তমানে এটাকে আর ছেলে খেলা মনে করার কোন সুযোগ নাই।

     এটি কেবল একটি নির্বাচন বা গণভোট নয়; এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য এক অশনিসংকেত এবং রাষ্ট্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করার নীল নকশা।

    গণতন্ত্র টিকে থাকে আস্থা, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় নিরপেক্ষতার ওপর। গণভোটের প্রকৃত সৌন্দর্য তখনই বজায় থাকে, যখন রাষ্ট্র সরে দাঁড়ায়, জনগণ সামনে আসে এবং বিচার বিভাগ তার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান অবৈধ ও সাংবিধানিক ইউনুস সরকার এই মৌলিক নীতিকে সম্পূর্ণ উল্টে দিয়েছে, যা দেশের জনগণ ও সংবিধানকে এক ধ্বংসাত্মক চ্যালেঞ্জে ফেলে।

     জনগণের কণ্ঠস্বর চেপে রাখা, রাষ্ট্রীয় সম্পদকে পক্ষপাতমূলক প্রচারণার জন্য ব্যবহার করা, এবং বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবের হাতে ধসানো এই সবই গণতন্ত্রের শিরদাঁড়াকে ভেঙে ফেলার সমতুল্য।

    আপনাকে আওয়ামী লীগ হতে হবে না। কিন্তু যদি আপনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, যদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্তিত্বকে সম্মান করেন, তবে এই প্রহসনের নির্বাচন এবং নাটকীয় গণভোটকে প্রত্যাখ্যান করুন। এতে অংশ নেওয়া মানে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের  সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। এটি আর ভোট নয়, এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র।(আওয়ামীলীগ পেইজ)

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভোট নয়, এটি সংবিধান ধ্বংসের নীলনকশা  দেশ বাঁচাতে হলে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে
    Next Article ইউনুসের অবৈধ নির্বাচনের বন্ধে হাউজ অফ কমনসের সম্মুখে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

    March 7, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের বিশ্বস্বীকৃতি

    March 7, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Politics

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    By JoyBangla EditorMarch 7, 20260

    উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার সাখাওয়াত আরেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা নির্বাচনের এক সপ্তাহ না যেতেই তাদের মনের লুকানো সত্যগুলো…

    যুক্তরাষ্ট্রের ৩০০ মিলিয়ন ডলারের থাড রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    সত্য কথাগুলো বলেন-

    March 7, 2026

    ২০২৬ সালে  জাতির উদ্দেশে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ

    March 7, 2026

    ৭ মার্চ উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা

    March 7, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.