Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    September 23, 2026

    আজ একটু নিজের কথা বলি… কেবল ধৈর্যশীলরাই পড়বেন..!

    September 23, 2026

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন
    Bangladesh

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorAugust 8, 2026No Comments7 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    দিলু নাসের

    দুই বছরের নীরবতা ভেঙে কী বার্তা দিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা?

    দীর্ঘ দুই বছর পর  মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার দিল্লি থেকে দেওয়া সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে এখন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেরও গুরুত্বপূর্ণ খবর হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়ার পর এই প্রথম তিনি আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের সামনে সরাসরি নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরলেন। তাঁর বক্তব্যের সবচেয়ে আলোচিত দুটি বিষয় হলো ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার ঘোষণা এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনকে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে অভিহিত করা -আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের কেন্দ্রে স্থান পেয়েছে।

    তবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো লক্ষ করলে দেখা যায়, তারা শেখ হাসিনার বক্তব্যকে কেবল তাঁর নিজের রাজনৈতিক বক্তব্য  হিসেবে তুলে ধরেই থেমে থাকেনি; একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তাঁর বিরুদ্ধে চলমান বিচার, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের টানাপোড়েনকেও প্রতিবেদনের অংশ করেছে।

    দেশে ফেরার ঘোষণাঃ সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক শিরোনাম

    রয়টার্স  এর প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে উঠে এসেছে তাঁর ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা। তিনি বলেছেন, গ্রেপ্তার, কারাবাস এমনকি হত্যার ঝুঁকি থাকলেও তিনি দেশে ফিরবেন এবং তাঁর জনগণের কাছে ফিরে যাবেন। রয়টার্স  উল্লেখ করেছে, এর আগেও তিনি দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা বলেছিলেন; কিন্তু দিল্লির এই সংবাদ সম্মেলনে সেই ঘোষণা আবারও প্রকাশ্যে এবং আরও দৃঢ়ভাবে সামনে এসেছে।

    এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণও স্পষ্ট। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, যিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং যাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় রয়েছে, তিনি নিজেই দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করছেন,এটি নিঃসন্দেহে একটি অসাধারণ রাজনৈতিক বার্তা।

    The Guardian-ও তাঁর প্রত্যাবর্তনের ঘোষণাকে প্রতিবেদন হিসেবে  রেখেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফেরার অঙ্গীকার করেছেন।

    অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মিডিয়ার চোখে সংবাদ সম্মেলনের সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি এখন শুধু ‘শেখ হাসিনা কী বললেন?’ এটা নয়; বরং ‘তিনি কি সত্যিই দেশে ফিরবেন?’ এটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ খবর।

    সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের আন্দোলন সম্পর্কে তাঁর আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, সরকারি চাকরির কোটা নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলন পরবর্তীতে একটি সমন্বিত রাজনৈতিক প্রচারণায় রূপ নেয় এবং সংগঠিত সহিংসতা, গোপন নির্দেশনা ও প্রচারণার মাধ্যমে তাঁর সরকারকে উৎখাত করা হয়। রয়টার্স  তাঁর এই বক্তব্যকে সরাসরি তাঁর রাজনৈতিক দাবি হিসেবে তুলে ধরেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে অবশ্য একই সঙ্গে ২০২৪ সালের আন্দোলন, প্রাণহানি এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্য বর্ণনাও এসেছে।

    শেখ হাসিনা কার্যত বলতে চেয়েছেন,দুই বছর পরও তিনি ২০২৪ সালের ঘটনাবলির ব্যাখ্যা থেকে সরে যাননি। তাঁর কাছে সেটি গণআন্দোলনের স্বাভাবিক পরিণতি নয়, বরং এটা ছিলো পরিকল্পিত রাজনৈতিক পরিবর্তন।

    এই অবস্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিতর্কে নতুন কিছু নয়, কিন্তু দুই বছর পর আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের সামনে একই অবস্থান আরও দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করার বিষয়টি অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ।

    আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার প্রশ্ন

    সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি করেছেন। রয়টার্স  এটিকেও তাঁর বক্তব্যের অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছে।

    এখানে তাঁর বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য গভীর। তিনি শুধু নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেননি; বরং আওয়ামী লীগকেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় পুনরায় ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন।

    অর্থাৎ তাঁর বক্তব্যের অন্তর্নিহিত বার্তা হলো- শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনকে তিনি পরস্পর বিচ্ছিন্ন বিষয় হিসেবে দেখছেন না।

    এটি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক বার্তা হতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকা নেতা-কর্মীরা তাঁদের নেত্রীর বক্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখতে পারেন।

    বাংলাদেশে তাঁর বক্তব্য প্রচার না হওয়া, তবু কি তাঁকে থামানো গেছে?

    সংবাদ সম্মেলনের আগে বাংলাদেশের সরকার দেশটির গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রকাশ বা প্রচার না করার ব্যাপারে সতর্ক করেছিল। রয়টার্স  জানিয়েছে, আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে সরকার গণমাধ্যমকে তাঁর বক্তব্য প্রচার না করতে বলেছিল। ফলে বাংলাদেশে মূলধারার গণমাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনের সরাসরি প্রচার হয়নি।

    কিন্তু এর ফল হলো কি?

    বাস্তবতা হচ্ছে- তাঁর বক্তব্য থামানো যায়নি।

    রয়টার্স  উল্লেখ করেছে যে বাংলাদেশে প্রচলিত গণমাধ্যমে অনুষ্ঠানটির কাভারেজ না থাকলেও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং বহু বাংলাদেশি এর লিংক শেয়ার করেন।

    ডিজিটাল যুগে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাস্তবতা। একটি রাজনৈতিক বক্তব্যকে টেলিভিশন থেকে সরিয়ে রাখা যায়, সংবাদপত্রে না ছাপা যেতে পারে; কিন্তু ফেসবুক, ইউটিউব, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের যুগে সেটিকে সম্পূর্ণভাবে জনগণের কাছ থেকে আড়াল করা কঠিন।

    বরং অনেক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বা প্রচার-নিয়ন্ত্রণ একটি বক্তব্যকে আরও কৌতূহলোদ্দীপক করে তুলতে পারে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে The Guardian এই বিষয়টিকে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। তাদের ৬ আগস্টের প্রতিবেদনের শিরোনামই ছিল—“India-Bangladesh relations hit new low over exiled PM’s speech to press in Delhi”। অর্থাৎ তাদের বিশ্লেষণে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সবচেয়ে বড় ভূরাজনৈতিক ফলাফলগুলোর একটি হলো ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন টানাপোড়েন।

    ঢাকা এই সংবাদ সম্মেলনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবং ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়াকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা হিসেবে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে ভারত স্পষ্ট করেছে যে অনুষ্ঠানটি তাদের সরকার আয়োজন বা অনুমোদন করেনি এবং এটি একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান।

     এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বাস্তবতা রয়েছে।

    ভারত একদিকে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কও বজায় রাখতে চাইছে। ফলে দিল্লিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য ভারতের জন্যও একটি সূক্ষ্ম কূটনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    আন্তর্জাতিক মিডিয়ার চোখে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থান

    আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলো একত্রে পড়লে শেখ হাসিনার বক্তব্যের একটি সামগ্রিক চিত্র পাওয়া যায়।

    তিনি নিজেকে পরাজিত বা রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করেননি। বরং তাঁর বক্তব্যে ছিল-

    আমি এখনও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয়।

     আমি ২০২৪-এর ঘটনাকে যেভাবে দেখেছি, সেই অবস্থান থেকে সরে আসিনি।

     আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হবে।

     এবং আমি নিজেও দেশে ফিরতে চাই।

    এটি মূলত একটি  রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা

    Al Jazeera-র প্রতিবেদনের শিরোনাম—“Sheikh Hasina vows to return, but will Bangladesh accept convicted ex-PM?” এই দ্বৈত বাস্তবতাটিই সামনে আনে। একদিকে তাঁর ফেরার দৃঢ় ঘোষণা, অন্যদিকে দেশে তাঁর বর্তমান আইনি অবস্থান ও রাজনৈতিক বাস্তবতা।

    অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে প্রশ্নটি এখন শুধু তাঁর ইচ্ছা নয়; তিনি ফিরলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কী ঘটবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

    Financial Times-এর দৃষ্টিতেও তাঁর প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

    (AP)Associated Press এই সংবাদ সম্মেলনকে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বর্ণনা করে উল্লেখ করেছে যে, দীর্ঘ সময় পর শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতাও তুলে ধরা হয়েছে।

    BBC তাদের প্রতিবেদনে গুরুত্ব দিয়েছে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে এবং তাঁর বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়াকে। একই সঙ্গে তারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা ও বিভিন্ন পক্ষের অবস্থানও তুলে ধরেছে, যাতে পাঠক পুরো প্রেক্ষাপটটি বুঝতে পারেন।

    সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে একটি বিষয় স্পষ্ট যে তারা এই সংবাদ সম্মেলনকে শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি, গণতন্ত্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখেছে।

    শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে নতুন করে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। বিশেষ করে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকা রাজনৈতিক শক্তিগুলোর জন্য তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

    অনেকে মনে করছেন তাঁর ফেরার  ঘোষণাটি বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির হিসাব-নিকাশকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করতে পারে।

    কারণ একজন রাজনৈতিক নেতা যখন দীর্ঘ নির্বাসনের পর নিজেই দেশে ফেরার ঘোষণা দেন, তখন তাঁর ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের পাশাপাশি তাঁর দলের ভবিষ্যৎ এবং সম্ভাব্য জনসমর্থন নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে।

    ভূরাজনীতিতে এর প্রভাব কতটা?

    এখানেই সংবাদ সম্মেলনটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সীমানা অতিক্রম করেছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে জটিল। রয়টার্স  জানিয়েছে, ঢাকা শেখ হাসিনাকে ভারতের কাছ থেকে ফেরত চেয়েছে এবং ভারত বলেছে, অনুরোধটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    এর মধ্যে দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য রাজনৈতিক বক্তব্য দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সংবেদনশীল করেছে।

    The Guardian-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই ঘটনায় ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন করে নিম্নমুখী হয়েছে। তবে এটাও মনে রাখা দরকার- একটি সংবাদ সম্মেলন একাই দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন করে না। কিন্তু এটি নতুন একটি কূটনৈতিক চাপের কেন্দ্র তৈরি করতে পারে।

    বিশেষ করে ভারতকে একই সঙ্গে ঢাকা ও শেখ হাসিনার প্রশ্ন মোকাবিলা করতে হচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশের নতুন সরকারও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। এই দ্বৈত বাস্তবতা আগামী দিনে দুই দেশের কূটনীতিকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।

    দিল্লির সংবাদ সম্মেলনকে শুধু শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক তাৎপর্যের পুরোটা বোঝা যাবে না।

    এটি ছিল দীর্ঘ দুই বছরের নীরবতার পর একটি রাজনৈতিক পুনঃপ্রবেশের ঘোষণা।

    এটি ছিল ২০২৪ সালের ঘটনাবলি সম্পর্কে তাঁর বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি।

    এটি ছিল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অস্তিত্বের দাবি।

    এটি ছিল দেশে ফেরার দৃঢ় ঘোষণা।

    এবং একই সঙ্গে এটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের একটি নতুন কূটনৈতিক পরীক্ষার সূচনা।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো,শেখ হাসিনার বক্তব্যকে তারা শুধু বাংলাদেশের অতীত হিসেবে দেখছে না। তারা এটিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়ে একটি প্রশ্ন হিসেবে দেখছে।

    দিলু নাসের লন্ডন ৭ আগস্ট

    picks
    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের ইতিহাসে ‘ঐরাবত’এর গল্প
    Next Article জাফরউল্লাহর ঔষধনীতি
    JoyBangla Editor

    Related Posts

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    সাবেক শিশু উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের অর্থপাচারের নেটওয়ার্ক যেভাবে হাতেনাতে ধরা সম্ভব

    September 23, 2026

    মরিয়মের মৃত্যুতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ক্ষমতার দাপট ও পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ

    September 23, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    ২০ সেপ্টেম্বর যুবলীগের ‘লক ডাউন’ কর্মসূচিকে সফল করতে আওয়ামী লীগের একাত্মতা ঘোষণা

    September 19, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Education [ শিক্ষা ]

    এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

    By JoyBangla EditorSeptember 23, 20260

    চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের প্রস্তুতি…

    আজ একটু নিজের কথা বলি… কেবল ধৈর্যশীলরাই পড়বেন..!

    September 23, 2026

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার কোথায়?

    September 23, 2026

    ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় : হত্যা বা দমনপীড়নে সম্পৃক্ততা ছাড়াই ১০ বছরের সাজা পেলেন ইনু

    September 23, 2026

    ২০ সেপ্টম্বর  রোবার ব্রিকলেন কারি ফেস্টিভ্যাল, সপরিবারে যোগ দিন

    September 20, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.