কারা হেফাজতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, সাবেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যা হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, অবৈধ দখলদার সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করছে।
তাঁর ভাষ্য, আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং নির্বিচারে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে। এই দমন-পীড়নের শিকার শিশু, নারী ও পুরুষসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু এই ধারাবাহিকতারই অংশ বলে উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।
বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, রমেশ চন্দ্র সেন ছিলেন আওয়ামী লীগের একজন প্রবীণ ও পরীক্ষিত নেতা, যিনি তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে এসে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
তাঁর ভাষ্য, ভিত্তিহীন ও ভুয়া মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে বিনা বিচারে কারাগারে আটক রাখা হয়। কারাবন্দি অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হলেও তাঁকে ন্যূনতম চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, যার ফলে তাঁর মৃত্যু ঘটে।
কারাবন্দি সাবেক মন্ত্রী, পাঁচবারের সাংসদ রমেশ চন্দ্রের মৃত্যু: পাননি ন্যূনতম চিকিৎসা সেবাও
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনাগুলো শুধু একটি দলের নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন নয়, বরং এটি চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান অবৈধ দখলদার সরকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে এবং এর ফলে রাষ্ট্রের ভেতরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র ও সমাজে সৃষ্ট এই ক্ষত দূর করে প্রতিটি মানুষের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি
