১২ই ফেব্রুয়ারির আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগকে বাদ দেওয়া হলে সেই নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে না বলে মন্তব্য করেছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ দেশের বৃহত্তম দল। তাদেরকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। তাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কোনওভাবেই অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন বলা যাচ্ছেনা।
আজ ৭ই ফেব্রুয়ারি, শনিবার আয়োজিত এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে সিপিডি জানায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন, যারা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ উপেক্ষা করা হলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। দেশ বিদেশে প্রশ্নবিদ্ধ হবে এই নির্বাচন।
‘সবুজ টেকসই অর্থনীতি’র বর্তমান অবস্থা ও প্রত্যাশা: প্রার্থী ও ভোটার জরিপের ফলাফল’ শীর্ষক ওই ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন নির্বাচনি এলাকায় পরিচালিত জরিপের তথ্য তুলে ধরে সিপিডি জানায়, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় কোনো রাজনৈতিক শক্তি ও তাদের ভোটারদের বাইরে রেখে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন। নির্বাচন করলেও সেটা গ্রহণযোগ্য ও টেকসই হবে না।
সিপিডির মতে, বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব প্রধান রাজনৈতিক পক্ষ ও তাদের সমর্থক ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। অন্যথায় নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে দেশি-বিদেশি মহলে প্রশ্ন ওঠার আশঙ্কা থাকবে। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
সংস্থাটি আরও উল্লেখ করে, নির্বাচন শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; এটি জনগণের প্রতিনিধিত্ব ও মতামতের প্রতিফলন। তাই রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করাই একটি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার প্রধান শর্ত। আওয়ামী লীগের বিপুল সমর্থকদের এই নির্বাচন থেকে বাইরে রাখা হচ্ছে।
