ঢাকা, ৭ এপ্রিল ২০২৬: জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর গ্রেফতারকে ‘পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ আখ্যা দিয়ে তার অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ।
সংগঠনটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী একজন খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, সংবিধান বিশেষজ্ঞ এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার হিসেবে দেশ-বিদেশে সম্মান অর্জন করেছেন। তার মতো একজন সৎ, দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বকে লক্ষ্য করে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা দেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।
যুবলীগের নেতারা অভিযোগ করেন, একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে বিরোধী মত ও প্রগতিশীল নেতৃত্বকে দমন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয়, বরং গণতান্ত্রিক চর্চা, সংবিধানসম্মত রাজনীতি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো অভিযোগে” ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। এতে বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বলে উল্লেখ করা হয়।
যুবলীগ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে, এ ধরনের রাজনৈতিক নিপীড়ন অব্যাহত থাকলে দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জনগণ এর উপযুক্ত জবাব দেবে। জনগণের সমর্থন নিয়ে গড়ে ওঠা নেতৃত্বকে দমন করে কেউ রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকতে পারবে না বলেও তারা মন্তব্য করে।
সংগঠনটি অবিলম্বে ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে এবং এ ধরনের ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় রাজপথে থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দাবি বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
