* আমেরিকা থেকে ১৪ টা বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে হবে, ফ্রান্সের কাছ থেকে যে এয়ার বাস কেনার কথা ছিল সেটা কেনা যাবে না।
* ১৫ বছরে ১৫শ কোটি ডলারের তেল কিনতে হবে। প্রতি বছর ৩৫০ কোটি ডলারের পন্য কিনতে হবে। (১৫ শ কোটি ডলার!! বাংলা টাকায় কত হাজার কোটি হয় মিলিয়ে নেন)
* সামরিক সরঞ্জামাদি কেনার পরিমান বাড়াতে হবে, অন্য কোথাও থেকে কেনার রেস্ট্রিকশন আছে। বিশেষ করে চীন থেকে তুলনামূলক কম মূল্যে যা কেনা হয় তা কেনা যাবে না।
* আমেরিকান কোন পন্যে কোটা আরোপ করা যাবে না। মানে শুল্ক অতি অল্প। কিন্তু কিনতে গেলে বেশি শুল্ক দিতে হবে।
* তাদের পন্য কিনতে যতসব বাধা আছে তা থাকা যাবেনা। তাদের পন্যের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবেনা। কোয়ালিটি যা ই হোক না কেন। এবং অন্য কোথাও থেকে কিনতে হলে আমেরিকার পারমিশন নিতে হবে।
* আমাদের দেশি পন্যের মান বাড়ে কিংবা দাম কমে এমন কিছু করা যাবে না, দেশি পন্য উন্নয়নে ভর্তুকি দেয়া যাবে না, যেন আমরা উন্নত এমন কিছু তৈরি করতে না পারি যাতে তাদের পন্য পিছিয়ে যায়।
* আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা যেখানে যা আছে সব মেনে চলতে হবে।
* আমেরিকা তার নিরাপত্তার জন্য যেভাবে যেমন ব্যবস্থা নেয় আমাদের ও তেমন তাল মিলিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের সব কোথায় কি করছে ফলো করে আমাদের ও তেমন ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাতে তারা খুব সহজেই আমাদের সব কিছু বুঝতে পারে।
অথচ, এই সব আমাদের বাংলাদেশের প্রয়োজন ই নেই। এত সামরিক পন্য, উড়োজাহাজ, এত মূল্যের তেল এক কথায় ১৫ বছরের গোলাম বানিয়ে রাখা। সেই সাথে দেশী পন্যের ধ্বংস।
এখন কি স্লোগান হবে ঢাকা না ওয়াশিংটন??
এই চুক্তির পরে ইউনুসকে কে কি বলতে চান বলে যান, আর ইউনুস প্রেমী, নোবেল সো/দা দল যারা আছেন তাদের বক্তব্য ও রেখে যান।
