Close Menu

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    জনপ্রিয় সংবাদ

    বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ

    October 27, 2026

    এক মাসে ২,৭৭৪ শিশু-কিশোর গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিয়ে উদ্বেগ মানবাধিকার সংস্থা জেএমবিএফের

    October 27, 2026

    আ.লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিপিবি অফিসে হামলা

    October 27, 2026
    Facebook Instagram WhatsApp TikTok
    Facebook Instagram YouTube TikTok
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Subscribe
    • হোম পেইজ
    • বিষয়
      • দেশ (Bangladesh)
      • আন্তজাতিক (International)
      • জাতীয় (National)
      • রাজনীতি (Politics)
      • অথনীতি (Economy)
      • খেলা (Sports)
      • বিনোদন (Entertainment)
      • লাইফ স্টাইল (Lifestyle)
      • শিক্ষাঙ্গন (Education)
      • টেক (Technology)
      • ধম (Religion)
      • পরবাস (Diaspora)
      • সাক্ষাৎকার (Interview)
      • শিল্প- সাহিত্য (Art & Culture)
      • সম্পাদকীয় (Editorial)
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ করুন
    JoyBangla – Your Gateway to Bangladesh
    Home » আমাদের ছোটবেলায় ধর্মের এত ভেদাভেদ ছিলো না
    Lifestyle

    আমাদের ছোটবেলায় ধর্মের এত ভেদাভেদ ছিলো না

    JoyBangla EditorBy JoyBangla EditorJuly 24, 2026No Comments9 Mins Read
    Facebook WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook WhatsApp Copy Link

    আমাদের ছোটবেলায় হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নামে ধর্মের এত ভেদাভেদ ছিলো না।আমরা একসাথে খেলেছি, একই খাটে ঘুমিয়েছি এবং কাদামাটি মাখিয়ে পুকুরে এক সাথে স্নান করেছি। বাড়ি ফিরে যার যার ধর্ম পালন করেছি। হঠাৎ আমাদের দেশে এক জালেমের পয়দা হলো।মুদি দোকানদার হয়ে গেলো আল্লামা। শুরু হলো মাঠে ময়দানে ধর্ম ও রাজনীতির নামে হিংসা ও বিদ্বেষের নাটক। আমাদের ছোটবেলায় হুজুররা বছরে একবার সারারাত ওয়াজ করতেন।অন্যের ধর্ম ও রাজনীতি নিয়ে ওয়াজে তাদের মুখ থেকে তেমন একটা শব্দও বের হতো না। নৈতিক শিক্ষা ও পারিবারিক শিক্ষার উপর জোর দিয়ে তারা ওয়াজ করতেন। অন্য ধর্মের মানুষকে ঘৃণা না করার শিক্ষা দিতেন। কিন্তু জাহেলিয়াতের যুগের এক মুদি দোকানদার নিজেকে আল্লামা দাবি করে ” তাফসীরুল কোরআন” এর নামে মানুষে মানুষে বিভেদ , হিংসা , হত্যা ও লুটপাটের রাজনীতি শুরু করলো।

    ♦️ একজন মুদি দোকানদার যখন আল্লামা হয়ে যায় তখন সমাজ ধীরে ধীরে নষ্টদের দখলে চলে যায়। আমার খুব প্রিয় একটা খেলা ছিল ফুটবল খেলা। রোজ সকাল ও বিকেলে স্কুলের মাঠে আমরা ফুটবল খেলতাম।প্রতিটি দলের ফুটবল খেলোয়াড়ের একটা নির্দিষ্ট ড্রেস ছিল।দূর রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলেও মানুষ বলতো ” অমুক ক্লাবের খেলোয়াড়” । হিন্দু , মুসলিম , বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান বলে কটাক্ষ করার রাজনীতি সমাজে তেমন প্রচলন ছিলো না। হিন্দু , মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান মুরুব্বিরা এক হয়ে বাজারে আড্ডা দিতো।কেউ কোন হিন্দুকে মালোয়ান বলে গালি দিলেও নব্বইয়ের দশকে সবাই একসাথে প্রতিবাদ করতো। কিন্তু যেদিন থেকে এই দেশের মানুষ ” কুকুরের গলায় মুক্তোর মালা ” পরিয়ে এক মুদি দোকানদারকে অলি/ ফেরেশতা বানিয়ে দেওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু করলো সেদিন থেকে একটা নীচু শ্রেণীর অসভ্য পয়দা হতে লাগলো সমাজে।সমাজে একদল নিম্নশ্রেণির মানুষ ছাড়া কেউই মুদি দোকানদারের ওয়াজ শুনতো না। কোন দোকানে মুদি দোকানদারের উগ্রবাদী ওয়াজ কেউ ক্যাসেট প্লেয়ারে চালু করলে এলাকার সকল রাজনৈতিক দলের মানুষ তাকে ” গুপ্ত শিবির ” আখ্যা দিয়ে সেই ওয়াজ বন্ধ করে দিতো।

    ➡️ প্রথমে একদল ভণ্ড ” ফুল” এর বিরুদ্ধে নষ্ট রাজনীতি শুরু করলো।জবা ফুলকে হিন্দুদের ফুল আখ্যা দিয়ে মুসলমানদের বাড়ির আঙ্গিনা থেকে জবা ফুল কেটে ফেলার ফতোয়া জারি করলো।আমরা বিবেককে প্রশ্ন করেছিলাম – ফুলের কোন ধর্ম হয়?

    একের পর এক ওয়াজের নামে বাংলাদেশের মধ্যে ফতোয়ার মিথ্যা রাজনীতি শুরু হলো। ভণ্ড মুদি দোকানদার তাফসীরুল কোরআন মাহফিলের নামে বাংলাদেশের মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করা শুরু করলো।সমাজ ও রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ইসলামী চিন্তাবিদরা এই মুদি দোকানদারের আল্লামা ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন উঠানো শুরু করলো। রাষ্ট্রের শীর্ষ স্থানীয় সুন্নী আলেমরা এই মুদি দোকানদারকে ইসলামের শত্রু আখ্যা দিয়ে এজিদ ও মুয়াবিয়ার অনুসারী খারেজি মুসলমান থেকে মুসলমানদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানালেও ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।ওই মুদি দোকানদার ধর্মকে ততদিনে রাজনীতির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করলো। এই উগ্রবাদী ভণ্ড মুদি দোকানদারের কাছে শান্তির ইসলাম ও সুন্নী আলেমরা হেরে গেলেন। সুন্নি আলেমরা রাসুলের নির্দেশ মেনে ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে রাজনীতি করেননি বলে একজন ভণ্ড মুদি দোকানদারের কাছ হেরে গেলেন। ততদিনে ভণ্ড মুদি দোকানদার আমাদের সংসদের এমপি।

    ♦️ মাধুরী ছোটবেলায় আমাদের খুব প্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন। রোজ রাস্তার দোকানে , পাশের বাড়িতে অথবা নিজের বাড়ির ক্যাসেট প্লেয়ার ” এক দো তিন” , ” দিদি তেরা দেবর দিওয়ানা ” , ” ধক ধক করনে লাগা” এসব গান বেজে উঠতো।গাড়ি করে বাসে দুরে কোথাও যাচ্ছেন ঠিক এই মূহুর্তে গাড়িতে বেজে উঠতো ” দিল তো পাগল হ্যায় ” । মানুষের আত্মার খোরাক ছিল গান।

    মাধুরীর নাচ দেখে দলে দলে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান মেয়েরা শিল্পকলাতে নাচ শিখতে যেতো। শাড়ি, পায়ে আলতা ও নুপুর পরা সে মেয়েদের দেখতে অদ্ভুত সুন্দর লাগতো।মেয়েরা ঘরে ঘরে রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীতের চর্চা করতো। সমাজ ও পরিবারে নারীদের সম্মানের চোখে দেখা হতো। নারীদের অসাধারণ গুণের কদর করতে আমরা সবাই বাধ্য হতাম। এই নারীদের থামিয়ে দিতে শুরু হলো বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে উগ্র ওয়াজ। বলা হলো, জান্নাতের ভাষা হচ্ছে আরবী 😁 এজন্য বাব ও দাদারা এদের ভণ্ড হুজুর বলে সম্বোধন করতেন। আমার দাদা বলতেন -”  কোরআনের

    কোথাও তোতাপাখির মতো কোরআন মুখস্থ করার কথা বলা হয়নি। কোরআন বাংলা অর্থ সহ বুঝে পড়ার কথা বলা হয়েছে ‌।”

    ♦️আমার বাবা মোটামুটি শিক্ষিত ছিলেন। তার ইংরেজি ও বাংলা হাতের লেখা দেখে আমরা ছোটবেলায় ভীষণ মুগ্ধ হতাম। পৃথিবীর মাত্র ৫ শতাংশ তথা ৪২ কোটির মত মানুষ আরবীতে কথা বলে।এসব কিশোর বয়সে বই পড়তে পড়তে ধারণা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের বাবাদের ধারণা ছিল আরো উচ্চ। জীবনের তাগিদে তারা শিখেছেন। পরিবারের হাল ধরেছেন। সমাজকে ঠিক করার জন্য অসংখ্য সামাজিক কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। উগ্রবাদী হুজুরদের বক্তব্যকে তিনি সম্পূর্ণ ইসলাম বিদ্বেষী মনে করতেন।ওই মুদি দোকানদার যে রাজাকার ছিল তা বাবা ছোটবেলা থেকেই আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন। ফলে আমাদের পরিবারের সবাই সে দেশদ্রোহী রাজাকারকে ঘৃণা করতো। ২০১৩ সালে ফটো এডিটিং এপস ব্যবহার করে সেই আল্লামা মেশিন ম্যান রকেট ছাড়াই চান্দে চলে গেছে 😁 ভণ্ডদের মুখোশ এইভাবেই জাতির সামনে বারবার খুলে যায়। এজন্য বাবা বলতেন ,

    ”  পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুসলমান আছে। তারা সবাই আরবীতে কথা বলে না। আরবী আমাদের মাতৃভাষা নয়। পৃথিবীর সকল জাতির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি আছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়েই বাঁচে ‌। ভাষা ও সংস্কৃতি মরে গেলে মানুষের আর পরিচয় থাকে না।আমরা বাঙালি , আমরা মরে গেলেও উর্দু ও আরবীতে কথা বলবো না। জীবনে কিছু করতে চাইলে ” বাংলা, ইংরেজি ও অংক ” এই তিনটা বিষয় খুব ভালোভাবে পড়বে। প্রথমে মানুষ হতে শিখবে , এরপর বাঙালিত্ব ধারণ করবে, তারপর তুমি হিন্দু, মুসলমান , বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ‌” ।

    ♦️ আমাদের স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গীর স্যার সবসময় ছাত্রদের উদ্দেশ্য একটা কথা বলতেন। তা হচ্ছে – ” A little knowledge is a dangerous thing.” ( অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী)। কোন বিষয়ে অল্প অল্প জেনে কখনোই নিজেদের সর্বজ্ঞানী ভাববে না। জ্ঞানের রাজত্ব বড় বিশাল। মানুষের জ্ঞানার্জনের এই পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা হচ্ছে উগ্রবাদী ধর্মব্যাবসায়ীরা। এরা রাষ্ট্রদ্রোহী ও সামাজিক কিট ছাড়া আর কিছুই নয়। এজন্য তিনি ছাত্রদের উদ্দেশ্য বলতেন, ” Half truth is often a great lie .” তাই তোমরা কখনোই সত্যবাদী যুধিষ্ঠির মুদি দোকানদারের ওয়াজ শুনবে না।সে একজন প্রতারক ও ধর্ম ব্যবসায়ী। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি ও ব্যবসা হচ্ছে তার পেশা।

    ♦️ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে বিড়াল ও কুকুরদের খুব যত্ন করে খাওয়ানো হতো। মা বলতেন , ” তোমাদের মতো ওদেরও ক্ষুধা পায়।” ধীরে ধীরে বিড়াল ও কুকুরদের বিরুদ্ধে আরেকদল উগ্রবাদী হুজুরের জন্ম হলো। এরা বিড়াল ও কুকুরকে নাপাক বা অপবিত্র আখ্যা দিয়ে নতুন নতুন ফতোয়া জারি করলো। এরপর ২০০০ সালের পর থেকে আরেকদল উগ্রবাদী হুজুরের জন্ম হলো। এদের কাছে বাংলা হচ্ছে হিন্দুদের ভাষা। বাঙালি নারীদের পোশাককে এরা হিন্দুয়ানী পোশাক উল্লেখ করে রাষ্ট্রের নারীদের জাহান্নামের ভয় দেখানো শুরু করলো। এতেও নারীরা ভীত না হলে শুরু করে দিলো রাস্তাঘাটে নারীদের উত্ত্যক্ত করা। সুন্দরী নারীদের মুখে এসিড নিক্ষেপ ও ধর্ষণের নোংরা রাজনীতি শুরু করে ধীরে ধীরে ভয় দেখিয়ে বাঙালি নারীদের ঘরের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়ার এক নষ্ট রাজনীতি শুরু হলো দেশে। তাবলীগের নামে দলবেঁধে জামায়াত শিবিরের একদল নারী ঘরে ঘরে গিয়ে বাঙালি শান্তিপ্রিয় নারীদের উগ্রবাদী জিহাদের মন্ত্রে দীক্ষিত করা শুরু করলো।যেসব নারীরা এসবের প্রতিবাদ করেছে তাদের খুব কৌশলে ” ইসলামের শত্রু” আখ্যা দেওয়া শুরু করলো। ২০০১ সালের পর থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জঙ্গীবাদী এক ভয়ঙ্কর বোমার রাজনীতি শুরু হয়ে গেলো। গত ২৬ বছরে এইভাবেই একটা প্রজন্মকে অসভ্য , ইতর ও উন্মাদ তৌহিদি যৌনতা বানিয়ে ফেললো।এখন জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে ফেলাও এদের কাছে পাপ নয়। আজ যেন ভণ্ডদের দখলে সমগ্র বাংলাদেশ।

    ♦️ শিশু বয়স থেকেই অভিনয় করতে করতে আমাদের একজন মাধুরী দীক্ষিত হয়েছেন। আজকালকার অভিনেত্রীদের সুন্দর চেহারা হলেই আর কোন গুণ তেমন লাগে না। সব জায়গায় একটা অসুস্থ পরিবেশ ও অসুস্থ রাজনীতি। রাষ্ট্রের ধর্ম নামক এক ভয়াবহ অসুখ হয়েছে। মানুষের মগজ এখন ছাগলের মগজ ভর্তি। মাধুরী দীক্ষিতের নৃত্যের ভক্ত যেন একই পরিবারের সবাই ছিল। ব্যাক্তি জীবনে মাধুরী ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জন শ্রীরাম মাধবকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু বিয়ের পরও নাচ , গান ও অভিয়ের প্রেম ছাড়েননি। মাধুরীর পায়ের তালে তালে বলিউড ও সমগ্র বাংলাদেশ যেন নাচতে শিখে গিয়েছিলো।

    ♦️ নাচ , গান , কবিতা ও সাহিত্য মানুষের মস্তিষ্কের নিউরোলজিক্যাল উন্নয়ন করে। হরমোন ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রেখে মানুষকে একটা মানসিক প্রশান্তির জগতে নিয়ে যায়।এর মাধ্যমে মানুষের কল্পনাশক্তি বাড়ে এবং মানুষ মানুষ হওয়ার শিক্ষা পায়। ভালো ও মন্দের পার্থক্য বিবেক দিয়ে যাচাই করতে থাকে।এর ফলে মানুষের হৃদয় কোমল ও আকর্ষণীয় হয়। জাতীয়তাবাদ ও সাংস্কৃতিক পরিচয় গড়ে উঠে। এভাবেই একজন মানুষ পরিপূর্ণ মানুষ হতে শিখে।একদল উগ্র ফতোয়াবাজ নতুন নতুন ফতোয়া জারি করে আমাদের বাংলা নববর্ষ সহ গান ও নাচকে হারাম ঘোষণা দিতে লাগলো। পানিকে জল বললেও ওদের কাছে হিন্দুয়ানী ভাষা মনে হয়। হিন্দু ও মুসলিম নারীদের খোলা চুল , পায়ে নুপুর ও পরনের  শাড়িকে এরা জাহান্নামী আখ্যা দিতে লাগলো। রাষ্ট্রে শুরু হলো ” জান্নাত ও জাহান্নাম ” এর রমরমা এক ধর্ম ব্যবসা। এই ধর্ম নামক ভাইরাসের কাছে রাষ্ট্রের মানুষ অসহায় হয়ে গেলো। শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের শান্তির ধর্ম হাইজ্যাক করে নিয়ে গেলো জামায়াত শিবির নামক উগ্রবাদী খারেজী মুসলমান নামক এজিদ ও মুয়াবিয়ার বংশধররা। আজ এসব  উগ্রবাদীদের জন্য আমাদের কন্যা শিশুরা পর্যন্ত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে আর নিরাপদ নয়।

    ♦️ আশির দশকেও শাড়ি পরা মাধুরী আমাদের তরুণ প্রজন্মের স্পন্দন বাড়িয়েছে। মাধুরীর অভিনয় দেখে আমাদের বাবা , মা ও প্রতিবেশীদের চোখে জল এসেছে।এমনও হয়েছে একটা মুভি দেখতে গেয়ে আমাদের পরিবার সহ আশেপাশের প্রায় শত মানুষ একসাথে কেঁদেছে। এসব পারিবারিক ও সামাজিক ঐতিহ্য আমাদের রাষ্ট্র থেকে হারিয়ে গেছে। মানুষের সামাজিক ও পারিবারিক সৌন্দর্যকে নষ্ট করে দিয়েছে একদল উগ্রবাদী মোল্লা। নিজেদের ” জান্নাতের পাহারাদার দাবি ” করে এরা এমনভাবে ওয়াজ করে যেন মঙ্গল গ্রহ থেকে এদের হাতে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা এসে জান্নাতের চাবি তুলে দিয়ে গেছেন। এজন্য ভণ্ড হুজুরদের সম্পর্কে মুসলমানদের  রাসুল সতর্ক করে বলেছেন –

    ” যে আলেম তার ইলম বা জ্ঞানকে দুনিয়াবি স্বার্থ বা সম্পদ অর্জনের মাধ্যমে বানায় , তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি।”

    ♦️ এসব নৈতিক শিক্ষা আজকাল অধিকাংশ মুসলমানদের মধ্যে দেখা যায় না। ধর্ম এদের কাছে রাজনীতি ও টাকা আয়ের বিনা পুঁজিতে ব্যবসা। তাই ধর্মের নাম ছাগলের রান , গরুর রান চিবিয়ে মানুষের পেটকে হাতির পেট বানিয়ে এদের ভণ্ডামি মার্কা ওয়াজ শুনলে ছাগল পর্যন্ত এখন ম্যা ম্যা করে হেঁসে উঠে। শুধুই মানুষ এদের ভণ্ডামি আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলো না। নৈতিক ও পারিবারিক শিক্ষার অভাবে মনূষ্যত্ববোধ হারিয়ে আমাদের সমাজ রাষ্ট্রে সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গপাল , ইনকিলাব জিন্দাবাদ , তিন ফুটি হুজুর ও এন্টারকটিক এন্টারটেইনমেন্ট নামক এক অসুস্থ প্রজন্ম। এমন মানসিক প্রতিবন্ধীদের সঠিক চিকিৎসাই আগামীর বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানবতার জন্য এই ভণ্ড আল্লামারাই সমাজ ও রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হুমকি। তাইতো আমি বারবার বলি –

    ” মানুষ হও , বুঝলে ⁉️ “

    সত্য সবসময় সুন্দর।

    লুসিড ড্রিম

    ১৫-০৭-২০২৬

    Share. Facebook WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি অপরাধী, জয় গোস্বামী
    Next Article বাংলাদেশের গণমাধ্যমের বড় একটা অংশ এখন সাংবাদিকতা করে না
    JoyBangla Editor

    Related Posts

     “থাপ্পড় কান্ড” উজ্জীবিত করছে সমাজকেঃ বিভিন্নস্থানে মাদ্রাসায় শিশু নিপীড়নের বিরুদ্ধে জনতার ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া

    October 25, 2026

    আমরা যখন স্কুলে পড়ি

    October 21, 2026

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট গরুতে নয়, চিন্তায়!

    October 16, 2026

    ধারে বাজার করছে মানুষ, আয়ের ১০০ ভাগ যাচ্ছে খাবারে

    October 14, 2026
    Leave A Reply Cancel Reply

    সম্পাদকের পছন্দ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০ একর জমি নবাব সলিমুল্লাহর দান আর রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা -দুইটা মিথ্যা খণ্ডনে ‘নাথান রিপোর্ট’

    October 26, 2026

    বাংলাদেশ ছেড়ে প্রতিদিনই পালাচ্ছে সংখ্যাগুরু থেকে সংখ্যালঘু, সবাই। কিন্তু কেনো?

    October 26, 2026

    সৌদি আরব থেকে নয় মাসে ৯৭৯ নারী ধর্ষিতা হয়ে ফিরলেন, বিএনপি জামায়াতের মুখে এখন কুলুপ কেন?

    October 25, 2026

    ঋণের বোঝায় নিঃস্ব পরিবার: কৃষকের সুদ গুনতে হচ্ছে ২০–২৫ শতাংশ

    October 25, 2026
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • TikTok
    মিস করবেন না
    Education [ শিক্ষা ]

    বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ

    By JoyBangla EditorOctober 27, 20260

    বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারির মরদেহ দাফনে জামায়াতে ইসলামীর বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু…

    এক মাসে ২,৭৭৪ শিশু-কিশোর গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিয়ে উদ্বেগ মানবাধিকার সংস্থা জেএমবিএফের

    October 27, 2026

    আ.লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সিপিবি অফিসে হামলা

    October 27, 2026

    এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

    October 27, 2026

    সাবস্ক্রাইব

    সর্বশেষ খবরের সাথে আপডেট থাকুন।

    About Us
    About Us

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও লালন করে দেশ ও বিদেশের খবর পাঠকের কাছে দুত পৌছে দিতে জয় বাংলা অঙ্গিকার বদ্ধ। তাৎক্ষণিক সংবাদ শিরোনাম ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পেতে জয় বাংলা অনলাইন এর সঙ্গে থাকুন পতিদিন।

    Email Us: info@joybangla.co.uk

    Our Picks

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০ একর জমি নবাব সলিমুল্লাহর দান আর রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা -দুইটা মিথ্যা খণ্ডনে ‘নাথান রিপোর্ট’

    October 26, 2026

    বাংলাদেশ ছেড়ে প্রতিদিনই পালাচ্ছে সংখ্যাগুরু থেকে সংখ্যালঘু, সবাই। কিন্তু কেনো?

    October 26, 2026

    সৌদি আরব থেকে নয় মাসে ৯৭৯ নারী ধর্ষিতা হয়ে ফিরলেন, বিএনপি জামায়াতের মুখে এখন কুলুপ কেন?

    October 25, 2026

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.